ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদকসেবনের প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা পাবনায় বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩ জনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭ এজেন্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭টি এজেন্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ১ হাজার ৮৬৩টি গ্রাহক হিসাব বন্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী এসব সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকায় এই নির্দেশ দিয়েছে।

বিকাশের এজেন্টদের বিষয়ে নেওয়া এসব সিদ্ধান্ত কার্যকরের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার তা চিঠি ও সিডি আকারে বিকাশ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া অভিযুক্ত এজেন্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকেও (সিআইডি) আলাদাভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

দেশে-বিদেশে প্রবাসী আয় বিতরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক বিশেষ পরিদর্শনে বিকাশের এসব এজেন্টের বিরুদ্ধে অনিয়ম ধরা পড়ে। দেশে প্রবাসী আয় পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়ম খুঁজে বের করতে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও সৌদি আরব পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, একজন এজেন্টের একাধিক ব্যক্তিগত হিসাব থাকার সুযোগ নেই। কিন্তু বেনামে বিকাশের ৮০ হাজার এজেন্ট ৬ লাখ হিসাব পরিচালনা করছে। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, ‘বিকাশের বেশ কিছু হিসাব স্থগিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেক এজেন্ট একাধিক হিসাব পরিচালনা করছে, তাও বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ধীরে ধীরে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতেও একই নির্দেশনা যাবে।’

বিকাশের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স শামসুদ্দিন হায়দার বলেন, ‘অনিয়ম পেলে আমরা নিয়মিত ভিত্তিতে এজেন্ট ও গ্রাহক হিসাব বন্ধ করে থাকি। তারপরও বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো নির্দেশনা দিলে তা অবশ্যই পালন করা হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকসেবনের প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭ এজেন্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

আপডেট সময় ০২:২৬:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭টি এজেন্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ১ হাজার ৮৬৩টি গ্রাহক হিসাব বন্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী এসব সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকায় এই নির্দেশ দিয়েছে।

বিকাশের এজেন্টদের বিষয়ে নেওয়া এসব সিদ্ধান্ত কার্যকরের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার তা চিঠি ও সিডি আকারে বিকাশ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া অভিযুক্ত এজেন্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকেও (সিআইডি) আলাদাভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

দেশে-বিদেশে প্রবাসী আয় বিতরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক বিশেষ পরিদর্শনে বিকাশের এসব এজেন্টের বিরুদ্ধে অনিয়ম ধরা পড়ে। দেশে প্রবাসী আয় পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়ম খুঁজে বের করতে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও সৌদি আরব পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, একজন এজেন্টের একাধিক ব্যক্তিগত হিসাব থাকার সুযোগ নেই। কিন্তু বেনামে বিকাশের ৮০ হাজার এজেন্ট ৬ লাখ হিসাব পরিচালনা করছে। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, ‘বিকাশের বেশ কিছু হিসাব স্থগিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেক এজেন্ট একাধিক হিসাব পরিচালনা করছে, তাও বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ধীরে ধীরে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতেও একই নির্দেশনা যাবে।’

বিকাশের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স শামসুদ্দিন হায়দার বলেন, ‘অনিয়ম পেলে আমরা নিয়মিত ভিত্তিতে এজেন্ট ও গ্রাহক হিসাব বন্ধ করে থাকি। তারপরও বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো নির্দেশনা দিলে তা অবশ্যই পালন করা হবে।’