ঢাকা ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মার্চে হল না খুললে আত্মহত্যা করবে রাবি শিক্ষার্থী!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মার্চের মধ্যে আবাসিক হল খুলে না দিলে এবং ২০১৬-১৭ সেশনের আটকে থাকা সকল পরীক্ষার ব্যবস্থা না করলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী।

শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই হুমকি দেন তিনি।

স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘মার্চের মধ্যে হল খুলে না দিলে এবং ১৬-১৭ সেশনের সকল আটকে থাকা পরীক্ষার ব্যবস্থা না করলে, আমি যদি আত্মহত্যা করি, এর দায়ভার কে নিবে? এ ছাড়া আর উপায় দেখছি না।’

হুমকি দেওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম এনএম মুস্তাফিজ তাসনিম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এবং ঠাকুরগাঁও জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক।

আত্মহত্যার হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। আমরা তিন ভাই পড়াশোনা করছি। পরিবারের আয়ের উৎস আমার বাবা। তিনি সামান্য একজন কর্মচারী। বাবা যা আয় করেন তা দিয়ে আমাদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। আর এ জায়গায় দীর্ঘদিন যাবত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। খুলবে খুলবে বলে কালক্ষেপন করেই চলছে তারা। যার ফলে আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা মানসিক টর্চারের মধ্যে আছি। এর মাঝে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পরেছে। এমন করতে করতে আমি যখন ধৈর্য্য সীমার বাইরে চলে যাবো তখন আমাকেও একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন বাসায় আবদ্ধ এটা তাদের জন্য সত্যিই পীড়াদায়ক। তবে প্রধানমন্ত্রী সার্বিক বিষয়ে ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন একটা মহামারী চলছে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আবেগি হলে তো চলবে না। প্রধানমন্ত্রী যদি নির্দেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে তাহলে আমরা খুলে দিবো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্চে হল না খুললে আত্মহত্যা করবে রাবি শিক্ষার্থী!

আপডেট সময় ১১:২৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মার্চের মধ্যে আবাসিক হল খুলে না দিলে এবং ২০১৬-১৭ সেশনের আটকে থাকা সকল পরীক্ষার ব্যবস্থা না করলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী।

শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই হুমকি দেন তিনি।

স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘মার্চের মধ্যে হল খুলে না দিলে এবং ১৬-১৭ সেশনের সকল আটকে থাকা পরীক্ষার ব্যবস্থা না করলে, আমি যদি আত্মহত্যা করি, এর দায়ভার কে নিবে? এ ছাড়া আর উপায় দেখছি না।’

হুমকি দেওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম এনএম মুস্তাফিজ তাসনিম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এবং ঠাকুরগাঁও জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক।

আত্মহত্যার হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। আমরা তিন ভাই পড়াশোনা করছি। পরিবারের আয়ের উৎস আমার বাবা। তিনি সামান্য একজন কর্মচারী। বাবা যা আয় করেন তা দিয়ে আমাদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। আর এ জায়গায় দীর্ঘদিন যাবত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। খুলবে খুলবে বলে কালক্ষেপন করেই চলছে তারা। যার ফলে আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা মানসিক টর্চারের মধ্যে আছি। এর মাঝে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পরেছে। এমন করতে করতে আমি যখন ধৈর্য্য সীমার বাইরে চলে যাবো তখন আমাকেও একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন বাসায় আবদ্ধ এটা তাদের জন্য সত্যিই পীড়াদায়ক। তবে প্রধানমন্ত্রী সার্বিক বিষয়ে ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন একটা মহামারী চলছে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আবেগি হলে তো চলবে না। প্রধানমন্ত্রী যদি নির্দেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে তাহলে আমরা খুলে দিবো।