ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ কোরিয়ায় গর্ভবতী হলেই দেয়া হবে দেড় লক্ষাধিক টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দক্ষিণ কোরিয়া জন্মের চেয়ে মৃত্যু হার বেশি, যা নিয়ে শঙ্কিত দেশটি। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জাতীয় নীতিতে পরিবর্তন আনছে। প্রেসিডেন্ট মুন জা জন্মহার বাড়াতে ও সব পরিবারকে সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে গত মাসে নতুন কিছু নীতি চালু করেছেন। খবর বিবিসির।

নীতিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী বছর থেকে গর্ভবস্থায় থাকা প্রতিটি শিশুকে প্রসবের আগের যাবতীয় খরচ হিসেবে ২০ লাখ কোরিয়ান নগদ অর্থ (উন) অর্থাৎ এক হাজার ৮৫০ ডলার বোনাস দেয়া হবে (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার সমান)। এছাড়া শিশু জন্মের পর এক মাস হওয়ার আগ পর্যন্ত তিন লাখ উন মাসে দেয়া হবে।

এতে আরও বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ায় দম্পতিদের সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে ২০২৫ সাল থেকে প্রতি মাসে ওই অর্থের পরিমাণ বেড়ে হবে পাঁচ লাখ উন। উল্লেখ্য, গত বছর দেশটিতে দুই লাখ ৭৫ হাজার ৮০০ শিশুর জন্ম হয়। যা ২০১৯ সালের জন্মহারের তুলনায় ১০ শতাংশ কম। কিন্তু মারা গেছে প্রায় তিন লাখ সাত হাজার ৬৪ জন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ কোরিয়ায় গর্ভবতী হলেই দেয়া হবে দেড় লক্ষাধিক টাকা

আপডেট সময় ০৯:০৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দক্ষিণ কোরিয়া জন্মের চেয়ে মৃত্যু হার বেশি, যা নিয়ে শঙ্কিত দেশটি। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জাতীয় নীতিতে পরিবর্তন আনছে। প্রেসিডেন্ট মুন জা জন্মহার বাড়াতে ও সব পরিবারকে সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে গত মাসে নতুন কিছু নীতি চালু করেছেন। খবর বিবিসির।

নীতিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী বছর থেকে গর্ভবস্থায় থাকা প্রতিটি শিশুকে প্রসবের আগের যাবতীয় খরচ হিসেবে ২০ লাখ কোরিয়ান নগদ অর্থ (উন) অর্থাৎ এক হাজার ৮৫০ ডলার বোনাস দেয়া হবে (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার সমান)। এছাড়া শিশু জন্মের পর এক মাস হওয়ার আগ পর্যন্ত তিন লাখ উন মাসে দেয়া হবে।

এতে আরও বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ায় দম্পতিদের সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে ২০২৫ সাল থেকে প্রতি মাসে ওই অর্থের পরিমাণ বেড়ে হবে পাঁচ লাখ উন। উল্লেখ্য, গত বছর দেশটিতে দুই লাখ ৭৫ হাজার ৮০০ শিশুর জন্ম হয়। যা ২০১৯ সালের জন্মহারের তুলনায় ১০ শতাংশ কম। কিন্তু মারা গেছে প্রায় তিন লাখ সাত হাজার ৬৪ জন।