ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘মৌলিক জ্ঞান না থাকলে কোচিংয়ে আসা উচিত নয়’:তামিম ইকবাল আপসকামিতা নয়, স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস বিএনপির: জাহিদ হোসেন পটিয়া থানার ২শ গজ সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো দুর্নীতি গুম খুন হয়নি হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত যুব জামায়াত নেতার কাণ্ড; বিধবা নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাতের অভিযোগ:দল থেকে সদস্যপদ স্থগিত মানবতার মুক্তিতে ইসলামের আদর্শের বিজয়ের বিকল্প নেই: চরমোনাই পীর সব প্রকল্পের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য:জহির উদ্দিন স্বপন হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, কী বার্তা দিচ্ছে

করোনায় অভিবাসী মৃত্যুতে এগিয়ে বাংলাদেশিরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

২০২০ সালের জুলাই পর্যন্ত বিশ্বের ১৮৬টি দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মধ্যে ৭০ হাজার জন মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৩৮০ জন অভিবাসী।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ২ হাজার ৩৩০ জনের বেশি বাংলাদেশী কর্মী করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ‘বাংলাদেশ থেকে শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি ২০২০’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বলা হয়েছে, এর মধ্যে সৌদি আরবেই মৃত্যু হয়েছে ৯৮৯ অভিবাসীর। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও বাংলাদেশী কর্মীদের মৃত্যুর হার বেশি। গত জুলাই পর্যন্ত দেশটিতে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩২৮ জনের। তাদের মাঝে ১২২ জনই বাংলাদেশি নাগরিক। এছাড়া কুয়েতে কভিড-১৯-এর কারণে মৃতের সংখ্যা ৩৮২। তাদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা ৬০ বলে সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)।

আরও জানানো হয়, যেকোনো মহামারী পরিস্থিতিতে অভিবাসীরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকেন। ১৯৩০-এর বিশ্বমন্দা, ১৯৭৩-এর জ্বালানি তেল সংকট, ১৯৯৭ ও ১৯৯৯ সালের এশীয় অর্থনৈতিক সংকট বা ২০০৯-১০ সালের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সময় অভিবাসীরাই সবচেয়ে বেশি কষ্টকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। ২০২০ সালের কভিড-১৯ সংকটেও সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে ছিলেন অভিবাসী শ্রমিকরা। অভিবাসনের গন্তব্য দেশগুলো অন্যান্য দেশ থেকে আগতদের তুলনায় বাংলাদেশিদের মৃত্যুও অনেক বেশি।

সিঙ্গাপুরেও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার দিক থেকে প্রথম সারিতে বাংলাদেশি অভিবাসী। গত ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৫২ হাজার, যা দেশটিতে বসবাসরত মোট অভিবাসী শ্রমিকের ৪৭ শতাংশ। এর মধ্যে বাংলাদেশি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ২৩ হাজার। সে হিসেবে সিঙ্গাপুরে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত অভিবাসী শ্রমিকের ৪০ শতাংশই বাংলাদেশি অভিবাসী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

করোনায় অভিবাসী মৃত্যুতে এগিয়ে বাংলাদেশিরা

আপডেট সময় ০৫:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

২০২০ সালের জুলাই পর্যন্ত বিশ্বের ১৮৬টি দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মধ্যে ৭০ হাজার জন মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৩৮০ জন অভিবাসী।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ২ হাজার ৩৩০ জনের বেশি বাংলাদেশী কর্মী করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ‘বাংলাদেশ থেকে শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি ২০২০’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বলা হয়েছে, এর মধ্যে সৌদি আরবেই মৃত্যু হয়েছে ৯৮৯ অভিবাসীর। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও বাংলাদেশী কর্মীদের মৃত্যুর হার বেশি। গত জুলাই পর্যন্ত দেশটিতে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩২৮ জনের। তাদের মাঝে ১২২ জনই বাংলাদেশি নাগরিক। এছাড়া কুয়েতে কভিড-১৯-এর কারণে মৃতের সংখ্যা ৩৮২। তাদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা ৬০ বলে সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)।

আরও জানানো হয়, যেকোনো মহামারী পরিস্থিতিতে অভিবাসীরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকেন। ১৯৩০-এর বিশ্বমন্দা, ১৯৭৩-এর জ্বালানি তেল সংকট, ১৯৯৭ ও ১৯৯৯ সালের এশীয় অর্থনৈতিক সংকট বা ২০০৯-১০ সালের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সময় অভিবাসীরাই সবচেয়ে বেশি কষ্টকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। ২০২০ সালের কভিড-১৯ সংকটেও সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে ছিলেন অভিবাসী শ্রমিকরা। অভিবাসনের গন্তব্য দেশগুলো অন্যান্য দেশ থেকে আগতদের তুলনায় বাংলাদেশিদের মৃত্যুও অনেক বেশি।

সিঙ্গাপুরেও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার দিক থেকে প্রথম সারিতে বাংলাদেশি অভিবাসী। গত ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৫২ হাজার, যা দেশটিতে বসবাসরত মোট অভিবাসী শ্রমিকের ৪৭ শতাংশ। এর মধ্যে বাংলাদেশি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ২৩ হাজার। সে হিসেবে সিঙ্গাপুরে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত অভিবাসী শ্রমিকের ৪০ শতাংশই বাংলাদেশি অভিবাসী।