ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো যশোরে জামায়াত এমপির বাড়ি ঘেরাও তুরস্ককে ‘এফ-৩৫’ দেওয়া নিয়ে নেতানিয়াহুর আপত্তি উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প ইমরান খানের কারাবাস নিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞের:অমানবিক আচরণ’ বন্ধের আহ্বান বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দুদকের মামলায় সাবেক ডেপুটি গভর্নরের ৩ বছরের কারাদণ্ড রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি হাসনাত-সারজিস গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বেইমানি করার কারণে ছাত্র উপদেষ্টা হতে পারেনি: রাশেদ বাসার সামনে গল্প করছিল এইচএসসি পরীক্ষার্থী, হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলি

কে হচ্ছেন হেফাজতের মহাসচিব

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের পরবর্তী মহাসচিব কে হচ্ছেন তা নিয়ে সরগরম কওমি মতাদর্শীরা। প্রাথমিকভাবে পাঁচজন আলোচনায় থাকলেও চমক হিসেবে মহাসচিব পদে আসতে পারেন আল্লামা আহমদ শফী অনুসারী নেতাদের কেউ। হেফাজতে ইসলামের নতুন মহাসচিব নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খেলেও সব প্রশ্নের সমাধান হচ্ছে আগামী সপ্তাহে। ওই সপ্তাহে হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতারা বসে নির্ধারণ করবেন নতুন মহাসচিব।

হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমানী বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে হেফাজতে ইসলামের নতুন মহাসচিব নির্বাচনের জন্য বসবেন হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতারা। ওই বৈঠকে নতুন মহাসচিব নির্বাচনের পাশাপাশি হেফাজতে ইসলামের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

জানা যায়, হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসেন কাসেমীর মৃত্যুর পর নতুন মহাসচিব নির্বাচন নিয়ে ফের সংকট সৃষ্টি হয়েছে আলোচিত এ সংগঠনে। আল্লামা কাসেমীর মৃত্যুর দিন থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের অনুসারীরা। তারা মাওলানা মামুনুলের পক্ষে পোস্ট করে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। যদিও ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য নিয়ে বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন মামুনুল হক। এর জের ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মামুনুল হকসহ কওমি মতাদর্শীদের ওয়াজ মাহফিল প্রতিহতও করেছেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে হেফাজতে ইসলামের বর্তমান নেতৃত্বের একটি অংশ মামুনুল হকের মতো আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেওয়া কাউকে মূল নেতৃত্বে আনতে চান না। তাই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এমন কাউকে নেতৃত্বে আনতে চাইছেন হেফাজতে ইসলামের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। এ ক্ষেত্রে মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী, মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, বেফাক মহাসচিব ও নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক, হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব এবং মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী।

মাওলানা কাসেমী-পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনে আগামী সপ্তাহের যে কোনো দিন হাটহাজারীতে বৈঠকে বসছেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা। ওই বৈঠকে নতুন মহাসচিব নির্বাচন ও হেফাজতে ইসলামের কমিটি সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে হেফাজতে ইসলামের একাধিক সূত্র জানায়, হেফাজতে ইসলামের সর্বশেষ কমিটিতে আল্লামা আহমদ শফীর অনুসারী হিসেবে বাদ পড়া নেতাদের ফের নেতৃত্বে আনা হচ্ছে। তাই হেফাজতে ইসলামের বর্তমান কমিটিকে ২০১ সদস্যবিশিষ্ট করা হচ্ছে। কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হচ্ছে আল্লামা আহমদ শফী অনুসারী কয়েকজন নেতাকে। এমনকি আল্লামা আহমদ শফীর অনুসারী নেতাদের মধ্য থেকে নতুন মহাসচিব করার ভাবনা ভাবছেন হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতাদের কেউ কেউ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু

কে হচ্ছেন হেফাজতের মহাসচিব

আপডেট সময় ০১:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের পরবর্তী মহাসচিব কে হচ্ছেন তা নিয়ে সরগরম কওমি মতাদর্শীরা। প্রাথমিকভাবে পাঁচজন আলোচনায় থাকলেও চমক হিসেবে মহাসচিব পদে আসতে পারেন আল্লামা আহমদ শফী অনুসারী নেতাদের কেউ। হেফাজতে ইসলামের নতুন মহাসচিব নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খেলেও সব প্রশ্নের সমাধান হচ্ছে আগামী সপ্তাহে। ওই সপ্তাহে হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতারা বসে নির্ধারণ করবেন নতুন মহাসচিব।

হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমানী বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে হেফাজতে ইসলামের নতুন মহাসচিব নির্বাচনের জন্য বসবেন হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতারা। ওই বৈঠকে নতুন মহাসচিব নির্বাচনের পাশাপাশি হেফাজতে ইসলামের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

জানা যায়, হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসেন কাসেমীর মৃত্যুর পর নতুন মহাসচিব নির্বাচন নিয়ে ফের সংকট সৃষ্টি হয়েছে আলোচিত এ সংগঠনে। আল্লামা কাসেমীর মৃত্যুর দিন থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের অনুসারীরা। তারা মাওলানা মামুনুলের পক্ষে পোস্ট করে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। যদিও ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য নিয়ে বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন মামুনুল হক। এর জের ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মামুনুল হকসহ কওমি মতাদর্শীদের ওয়াজ মাহফিল প্রতিহতও করেছেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে হেফাজতে ইসলামের বর্তমান নেতৃত্বের একটি অংশ মামুনুল হকের মতো আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেওয়া কাউকে মূল নেতৃত্বে আনতে চান না। তাই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এমন কাউকে নেতৃত্বে আনতে চাইছেন হেফাজতে ইসলামের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। এ ক্ষেত্রে মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী, মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, বেফাক মহাসচিব ও নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক, হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব এবং মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী।

মাওলানা কাসেমী-পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনে আগামী সপ্তাহের যে কোনো দিন হাটহাজারীতে বৈঠকে বসছেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা। ওই বৈঠকে নতুন মহাসচিব নির্বাচন ও হেফাজতে ইসলামের কমিটি সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে হেফাজতে ইসলামের একাধিক সূত্র জানায়, হেফাজতে ইসলামের সর্বশেষ কমিটিতে আল্লামা আহমদ শফীর অনুসারী হিসেবে বাদ পড়া নেতাদের ফের নেতৃত্বে আনা হচ্ছে। তাই হেফাজতে ইসলামের বর্তমান কমিটিকে ২০১ সদস্যবিশিষ্ট করা হচ্ছে। কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হচ্ছে আল্লামা আহমদ শফী অনুসারী কয়েকজন নেতাকে। এমনকি আল্লামা আহমদ শফীর অনুসারী নেতাদের মধ্য থেকে নতুন মহাসচিব করার ভাবনা ভাবছেন হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতাদের কেউ কেউ।