ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন আইন কর্মকর্তাদের সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের চট্টগ্রামে ডেভিড ইমনসহ ৫ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের উদ্যোগ ৩.৪ বিলিয়ন ডলারের সেতু নির্মাণের প্রস্তাব জাপানি প্রতিষ্ঠানের রাজধানীর কাঁঠালবাগানে পারিবারিক দ্বন্দ্বে স্ত্রী-শাশুড়িকে হত্যা পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে ইরানের ভবিষ্যৎ: পেজেশকিয়ান সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, হজের বিমান ভাড়া আরও কমবে: পর্যটনমন্ত্রী

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: আমেরিকাকে যে শর্ত দিল সুদান

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে আমেরিকাকে আল্টিমেটাম এবং একইসঙ্গে শর্ত দিয়েছে সুদান।

সুদানের অন্তর্বর্তী সরকার- সার্বভৌমত্ব কাউন্সিলের চেয়ারম্যান লে. জেনারেল আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহান বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’র সঙ্গে এক টেলিফোনালাপে এ চূড়ান্ত সময়সীমা বেধে দিয়েছেন।

তিনি পম্পেওকে বলেছেন, চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষ নাগাদ যদি মার্কিন কংগ্রেস সুদানকে কথিত সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে আইন পাস না করে তাহলে খার্তুম তেল আবিবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া স্থগিত রাখবে।

মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এ খবর জানিয়ে বলেছে, টেলিফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কংগ্রেসে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হবে। খবরে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর শেষ হওয়ার আগেই ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান হোয়াইট হাউজে আয়োজন করতে চায়।

কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসে সুদানের কাঙ্ক্ষিত আইন অনুমোদন নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। রবার্ট মেনেন্ডজ ও চাক শুমেরের মতো ডেমোক্র্যাট সিনেটররা ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চান। কিন্তু ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলায় আল-কায়েদাকে সহযোগিতা করার কারণে তারা সুদানকে সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার বিরোধী। এ অবস্থায় মার্কিন কংগ্রেসে রাতারাতি সুদানকে এ ধরনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার আইন পাস করা কঠিন।

এদিকে সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে এ সংক্রান্ত আইন পাস করিয়ে নেয়ার সময়ও দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় সুদানের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এ ধরনের আইনি সুরক্ষা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন আইন কর্মকর্তাদের সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: আমেরিকাকে যে শর্ত দিল সুদান

আপডেট সময় ১২:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে আমেরিকাকে আল্টিমেটাম এবং একইসঙ্গে শর্ত দিয়েছে সুদান।

সুদানের অন্তর্বর্তী সরকার- সার্বভৌমত্ব কাউন্সিলের চেয়ারম্যান লে. জেনারেল আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহান বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’র সঙ্গে এক টেলিফোনালাপে এ চূড়ান্ত সময়সীমা বেধে দিয়েছেন।

তিনি পম্পেওকে বলেছেন, চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষ নাগাদ যদি মার্কিন কংগ্রেস সুদানকে কথিত সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে আইন পাস না করে তাহলে খার্তুম তেল আবিবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া স্থগিত রাখবে।

মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এ খবর জানিয়ে বলেছে, টেলিফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কংগ্রেসে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হবে। খবরে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর শেষ হওয়ার আগেই ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান হোয়াইট হাউজে আয়োজন করতে চায়।

কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসে সুদানের কাঙ্ক্ষিত আইন অনুমোদন নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। রবার্ট মেনেন্ডজ ও চাক শুমেরের মতো ডেমোক্র্যাট সিনেটররা ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চান। কিন্তু ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলায় আল-কায়েদাকে সহযোগিতা করার কারণে তারা সুদানকে সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার বিরোধী। এ অবস্থায় মার্কিন কংগ্রেসে রাতারাতি সুদানকে এ ধরনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার আইন পাস করা কঠিন।

এদিকে সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে এ সংক্রান্ত আইন পাস করিয়ে নেয়ার সময়ও দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় সুদানের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এ ধরনের আইনি সুরক্ষা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।