ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শুনলাম একটা দল নাকি ৪০ লাখ বোরকা বানাইসে: মির্জা আব্বাস মানুষ তার ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত: তারেক রহমান এ নির্বাচন তাদের লড়াইয়ের ফসল যারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে:নাহিদ ভিন্ন ধারার রাজনীতি করা সম্ভব, প্রমাণ করতে চাই: তাসনিম জারা এবারের নির্বাচন নিয়মরক্ষার নয়, এটি জনগণের প্রত্যাশা রক্ষার দায়িত্ব : ইসি সানাউল্লাহ গুম ‘মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ’: বিচারপতি মঈনুল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে: সালাহউদ্দিন ভুটানকে ১২ গোলে উড়িয়ে সাফে দারুণ শুরু বাংলাদেশের ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২৭ তিন মাসের মাথায় ফের ‘শাটডাউনে’ মার্কিন সরকার

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: আমেরিকাকে যে শর্ত দিল সুদান

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে আমেরিকাকে আল্টিমেটাম এবং একইসঙ্গে শর্ত দিয়েছে সুদান।

সুদানের অন্তর্বর্তী সরকার- সার্বভৌমত্ব কাউন্সিলের চেয়ারম্যান লে. জেনারেল আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহান বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’র সঙ্গে এক টেলিফোনালাপে এ চূড়ান্ত সময়সীমা বেধে দিয়েছেন।

তিনি পম্পেওকে বলেছেন, চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষ নাগাদ যদি মার্কিন কংগ্রেস সুদানকে কথিত সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে আইন পাস না করে তাহলে খার্তুম তেল আবিবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া স্থগিত রাখবে।

মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এ খবর জানিয়ে বলেছে, টেলিফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কংগ্রেসে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হবে। খবরে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর শেষ হওয়ার আগেই ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান হোয়াইট হাউজে আয়োজন করতে চায়।

কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসে সুদানের কাঙ্ক্ষিত আইন অনুমোদন নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। রবার্ট মেনেন্ডজ ও চাক শুমেরের মতো ডেমোক্র্যাট সিনেটররা ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চান। কিন্তু ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলায় আল-কায়েদাকে সহযোগিতা করার কারণে তারা সুদানকে সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার বিরোধী। এ অবস্থায় মার্কিন কংগ্রেসে রাতারাতি সুদানকে এ ধরনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার আইন পাস করা কঠিন।

এদিকে সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে এ সংক্রান্ত আইন পাস করিয়ে নেয়ার সময়ও দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় সুদানের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এ ধরনের আইনি সুরক্ষা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধবিরতির মধ্যে গাজায় হামলা চালিয়ে ছয় শিশুসহ ১৯ জনকে হত্যা

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: আমেরিকাকে যে শর্ত দিল সুদান

আপডেট সময় ১২:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে আমেরিকাকে আল্টিমেটাম এবং একইসঙ্গে শর্ত দিয়েছে সুদান।

সুদানের অন্তর্বর্তী সরকার- সার্বভৌমত্ব কাউন্সিলের চেয়ারম্যান লে. জেনারেল আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহান বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’র সঙ্গে এক টেলিফোনালাপে এ চূড়ান্ত সময়সীমা বেধে দিয়েছেন।

তিনি পম্পেওকে বলেছেন, চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষ নাগাদ যদি মার্কিন কংগ্রেস সুদানকে কথিত সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে আইন পাস না করে তাহলে খার্তুম তেল আবিবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া স্থগিত রাখবে।

মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এ খবর জানিয়ে বলেছে, টেলিফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কংগ্রেসে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হবে। খবরে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর শেষ হওয়ার আগেই ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান হোয়াইট হাউজে আয়োজন করতে চায়।

কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসে সুদানের কাঙ্ক্ষিত আইন অনুমোদন নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। রবার্ট মেনেন্ডজ ও চাক শুমেরের মতো ডেমোক্র্যাট সিনেটররা ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চান। কিন্তু ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলায় আল-কায়েদাকে সহযোগিতা করার কারণে তারা সুদানকে সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার বিরোধী। এ অবস্থায় মার্কিন কংগ্রেসে রাতারাতি সুদানকে এ ধরনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার আইন পাস করা কঠিন।

এদিকে সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে এ সংক্রান্ত আইন পাস করিয়ে নেয়ার সময়ও দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় সুদানের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এ ধরনের আইনি সুরক্ষা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।