ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

ঢাকাকে হারিয়ে খুলনার দ্বিতীয় জয়

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে সোমবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিকুর রহিমের দল বেক্সিমকো ঢাকাকে ৩৭ রানে হারিয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল জেমকন খুলনা। চার ম্যাচ খেলে খুলনার এটি দ্বিতীয় জয়। অন্যদিকে, তিন ম্যাচ খেলে তিনটিতেই হারল ঢাকা।

এদিন মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে খুলনার দেয়া ১৪৭ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৯.২ ওভারে ১০৯ রান করে অলআউট হয়ে যায় ঢাকা। দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ব্যাটসম্যান অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ৩৫ বলে ৩৭ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করেন ইয়াসির আলী। এছাড়া কেউ দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।

খুলনার স্পিনার সাকিব আল হাসান ৪ ওভারে ৮ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। ২ ওভারে মেডেন করেন তিনি। এছাড়া শুভাগত হোম ৩টি, শহীদুল ইসলাম ৩টি ও হাসান মাহমুদ ২টি করে উইকেট শিকার করেন।

ঢাকা ব্যাটিংয়ে দলীয় ১৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। পরে মুশফিক-ইয়াসির জুটিতে এগোতে থাকে তারা। দুজনে মিলে ৫৭ রানের জুটি গড়েন। ১২তম ওভারে ইয়াসিরকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন হাসান। ১৪তম ওভারে শুভাগতকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে শামীমের হাতে ধরা পড়েন মুশফিক। পরের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কেউ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪৬ রান সংগ্রহ করে খুলনা। দলটির অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন ইমরুল কায়েস। ৫ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন শুভাগত হোম। ১১ বলে ১৯ করেন আরিফুল হক।

ঢাকার পেসার রুবেল হোসেন ২৮ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। স্পিনার নাসুম আহমেদ ১০ রান দিয়ে একটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া শফিকুল ইসলাম ২টি ও নাঈম হাসান ১টি করে উইকেট নেন।

এদিনও শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে খুলনা। দলীয় ১৩ রানে নাসুমের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ওপেনার বিজয় (৫)। দলীয় ১৯ রানে সাকিব (১১) বোল্ড হন রুবেলের বলে। আর দলের রান যখন ৩০ তখন শফিকুলের বলে স্ট্যাম্প উড়ে যায় জহুরুলের (৪)।

৩০ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক রিয়াদ ও ইমরুল। দুজনে মিলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন। ১৪তম ওভারে নাঈম হাসানের বলে এলবিডব্লিউ হন ইমরুল। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি।

পরে আরিফুল হক নেমে দলকে কিছুটা এগিয়ে দেন। মাহমুদউল্লাহ উইকেটে টিকে থাকলেও ঝোড়ো ইনিংস খেলতে পারেননি। শেষ ওভারে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

ফল: ৩৭ রানে জয়ী জেমকন খুলনা।

জেমকন খুলনা: ১৪৬/৮ (২০ ওভার)

(এনামুল ৫, সাকিব ১১, জহুরুল ৪, ইমরুল ২৯, মাহমুদউল্লাহ ৪৫, আরিফুল ১৯, শামীম ১, শুভাগত ১৫*, শহীদুল ১; রুবেল ৩/২৮, শফিকুল ২/৩৪, নাসুম ১/১০, নাঈম হাসান ১/১৬, মুক্তার ০/৩৯, রবি ০/৭)।

বেক্সিমকো ঢাকা: ১০৯ (১৯.২ ওভার)

(তানজিদ ৪, নাঈম শেখ ১, রবি ৪, মুশফিক ৩৭, ইয়াসির ২১, আকবর ৪, মুক্তার ৪, নাঈম হাসান ৩, নাসুম ৭, রুবেল ৪*, শফিকুল ৫; শুভাগত ৩/১৩, আল-আমিন হোসেন ০/২৫, সাকিব ১/৮, শহীদুল ৩/৩০, হাসান মাহমুদ ২/২২)।

ম্যাচ সেরা: শুভাগত হোম (জেমকন খুলনা)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক

ঢাকাকে হারিয়ে খুলনার দ্বিতীয় জয়

আপডেট সময় ১০:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে সোমবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিকুর রহিমের দল বেক্সিমকো ঢাকাকে ৩৭ রানে হারিয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল জেমকন খুলনা। চার ম্যাচ খেলে খুলনার এটি দ্বিতীয় জয়। অন্যদিকে, তিন ম্যাচ খেলে তিনটিতেই হারল ঢাকা।

এদিন মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে খুলনার দেয়া ১৪৭ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৯.২ ওভারে ১০৯ রান করে অলআউট হয়ে যায় ঢাকা। দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ব্যাটসম্যান অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ৩৫ বলে ৩৭ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করেন ইয়াসির আলী। এছাড়া কেউ দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।

খুলনার স্পিনার সাকিব আল হাসান ৪ ওভারে ৮ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। ২ ওভারে মেডেন করেন তিনি। এছাড়া শুভাগত হোম ৩টি, শহীদুল ইসলাম ৩টি ও হাসান মাহমুদ ২টি করে উইকেট শিকার করেন।

ঢাকা ব্যাটিংয়ে দলীয় ১৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। পরে মুশফিক-ইয়াসির জুটিতে এগোতে থাকে তারা। দুজনে মিলে ৫৭ রানের জুটি গড়েন। ১২তম ওভারে ইয়াসিরকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন হাসান। ১৪তম ওভারে শুভাগতকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে শামীমের হাতে ধরা পড়েন মুশফিক। পরের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কেউ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪৬ রান সংগ্রহ করে খুলনা। দলটির অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন ইমরুল কায়েস। ৫ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন শুভাগত হোম। ১১ বলে ১৯ করেন আরিফুল হক।

ঢাকার পেসার রুবেল হোসেন ২৮ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। স্পিনার নাসুম আহমেদ ১০ রান দিয়ে একটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া শফিকুল ইসলাম ২টি ও নাঈম হাসান ১টি করে উইকেট নেন।

এদিনও শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে খুলনা। দলীয় ১৩ রানে নাসুমের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ওপেনার বিজয় (৫)। দলীয় ১৯ রানে সাকিব (১১) বোল্ড হন রুবেলের বলে। আর দলের রান যখন ৩০ তখন শফিকুলের বলে স্ট্যাম্প উড়ে যায় জহুরুলের (৪)।

৩০ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক রিয়াদ ও ইমরুল। দুজনে মিলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন। ১৪তম ওভারে নাঈম হাসানের বলে এলবিডব্লিউ হন ইমরুল। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি।

পরে আরিফুল হক নেমে দলকে কিছুটা এগিয়ে দেন। মাহমুদউল্লাহ উইকেটে টিকে থাকলেও ঝোড়ো ইনিংস খেলতে পারেননি। শেষ ওভারে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

ফল: ৩৭ রানে জয়ী জেমকন খুলনা।

জেমকন খুলনা: ১৪৬/৮ (২০ ওভার)

(এনামুল ৫, সাকিব ১১, জহুরুল ৪, ইমরুল ২৯, মাহমুদউল্লাহ ৪৫, আরিফুল ১৯, শামীম ১, শুভাগত ১৫*, শহীদুল ১; রুবেল ৩/২৮, শফিকুল ২/৩৪, নাসুম ১/১০, নাঈম হাসান ১/১৬, মুক্তার ০/৩৯, রবি ০/৭)।

বেক্সিমকো ঢাকা: ১০৯ (১৯.২ ওভার)

(তানজিদ ৪, নাঈম শেখ ১, রবি ৪, মুশফিক ৩৭, ইয়াসির ২১, আকবর ৪, মুক্তার ৪, নাঈম হাসান ৩, নাসুম ৭, রুবেল ৪*, শফিকুল ৫; শুভাগত ৩/১৩, আল-আমিন হোসেন ০/২৫, সাকিব ১/৮, শহীদুল ৩/৩০, হাসান মাহমুদ ২/২২)।

ম্যাচ সেরা: শুভাগত হোম (জেমকন খুলনা)।