ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমেরিকায় ঈদুল আজহা উদযাপিত, বাংলাদেশিদের সঙ্গে নামাজ আদায় করলেন জোহরান মামদানি নাহিদ-আসিফ-মাহফুজ নতুন বন্দোবস্ত তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছে: ফরহাদ মজহার ১ জুন থেকে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ শুরু হবে: আইনমন্ত্রী ম্যাচ ফিক্সিংকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে পরিণত করতে চায় বিসিবি আড়াইহাজারে মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার: বিদেশ থেকে আনা হলো মূল পরিকল্পনাকারীকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা খসড়া: হরমুজে ফিরছে বাণিজ্যিক জাহাজ, সরছে মার্কিন অবরোধ আগে স্বাবলম্বী ছিলাম, মন্ত্রী হওয়ার পরে অর্থকষ্টে আছি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে ভিডিও বার্তা প্রধানমন্ত্রীর ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি সাতক্ষীরা সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি

মিথ্যা মামলাই এ সরকারের প্রধান অস্ত্র: ফখরুল

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

মিথ্যা মামলাই বর্তমান সরকারের প্রধান অস্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, দেশে কোন সরকার নেই। চলছে একব্যক্তির শাসন, দুঃশাসন। সরকারের প্রধান অস্ত্র হচ্ছে মিথ্যা মামলা। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, আসুন ঐক্যবদ্ধ হই। ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়ানোর মাধ্যমে এ সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

দুপুরে নয়াপল্টনের ভাসানী ভবনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বড় বড় কথা বলে প্রত্যেক দিন। গণতন্ত্রের একমাত্র ধারক ও বাহক হয়ে বসে আছে। কালকে পার্লামেন্টে বহু লেকচার দিয়েছেন। বিচারবিভাগকে তুলোধুনা করে দিয়েছেন। সংবিধানের কথা নিয়ে আসে। এই সংবিধান ধ্বংস করেছে কে? সরকারের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাওয়ায় ষোড়শ সংশোধনী বিধান বাতিলে বিচার বিভাগের সমালোচনা করছে ক্ষমতাসীনরা। আওয়ামী লীগ চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে ৭২ এর সংবিধানে বিচারপতি অভিশংসনের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের হাতে দিয়েছিল। এ বিষয়ে আলোচনা লজ্জার।

মির্জা আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না বলেই বিএনপি সহায়ক সরকার চায়। এই দাবি অতীতে আওয়ামী লীগের ছিল। দেশের রাজনীতিতে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জনগণ যাকে ইচ্ছে তাকে ভোট দিতে পারতো। কিন্তু আওয়ামী লীগ অনির্বাচিতভাবে ক্ষমতায় এসেই সে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করেছে। সরকারকে বলব দাম্ভিকতা ও অহংকার ছেড়ে মানুষের কথা চিন্তা-ভাবনা করে আলোচনার ব্যবস্থা করুন। কারণ সবাই এখন সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিরাজনীতিকরণের মাধ্যমে দেশকে গণতন্ত্র ও রাজনীতির বাইরে নিয়ে যেতে এই সরকার উঠে-পড়ে লেগেছে। এদের চরিত্র দ্বিমুখী। মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে আর কাজ করে আরেক। তর্ক-বির্তক-যুক্তি বিশ্বাস করে না, তাদের বিশ্বাস পেশীশক্তিতে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমান সর্ম্পকে কটু কথা বলে। কিন্তু জিয়াউর রহমানই আওয়ামী লীগকে এ দেশে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ তার সময়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন করেছিল। অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকায় ঈদুল আজহা উদযাপিত, বাংলাদেশিদের সঙ্গে নামাজ আদায় করলেন জোহরান মামদানি

মিথ্যা মামলাই এ সরকারের প্রধান অস্ত্র: ফখরুল

আপডেট সময় ০৭:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

মিথ্যা মামলাই বর্তমান সরকারের প্রধান অস্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, দেশে কোন সরকার নেই। চলছে একব্যক্তির শাসন, দুঃশাসন। সরকারের প্রধান অস্ত্র হচ্ছে মিথ্যা মামলা। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, আসুন ঐক্যবদ্ধ হই। ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়ানোর মাধ্যমে এ সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

দুপুরে নয়াপল্টনের ভাসানী ভবনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বড় বড় কথা বলে প্রত্যেক দিন। গণতন্ত্রের একমাত্র ধারক ও বাহক হয়ে বসে আছে। কালকে পার্লামেন্টে বহু লেকচার দিয়েছেন। বিচারবিভাগকে তুলোধুনা করে দিয়েছেন। সংবিধানের কথা নিয়ে আসে। এই সংবিধান ধ্বংস করেছে কে? সরকারের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাওয়ায় ষোড়শ সংশোধনী বিধান বাতিলে বিচার বিভাগের সমালোচনা করছে ক্ষমতাসীনরা। আওয়ামী লীগ চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে ৭২ এর সংবিধানে বিচারপতি অভিশংসনের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের হাতে দিয়েছিল। এ বিষয়ে আলোচনা লজ্জার।

মির্জা আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না বলেই বিএনপি সহায়ক সরকার চায়। এই দাবি অতীতে আওয়ামী লীগের ছিল। দেশের রাজনীতিতে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জনগণ যাকে ইচ্ছে তাকে ভোট দিতে পারতো। কিন্তু আওয়ামী লীগ অনির্বাচিতভাবে ক্ষমতায় এসেই সে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করেছে। সরকারকে বলব দাম্ভিকতা ও অহংকার ছেড়ে মানুষের কথা চিন্তা-ভাবনা করে আলোচনার ব্যবস্থা করুন। কারণ সবাই এখন সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিরাজনীতিকরণের মাধ্যমে দেশকে গণতন্ত্র ও রাজনীতির বাইরে নিয়ে যেতে এই সরকার উঠে-পড়ে লেগেছে। এদের চরিত্র দ্বিমুখী। মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে আর কাজ করে আরেক। তর্ক-বির্তক-যুক্তি বিশ্বাস করে না, তাদের বিশ্বাস পেশীশক্তিতে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমান সর্ম্পকে কটু কথা বলে। কিন্তু জিয়াউর রহমানই আওয়ামী লীগকে এ দেশে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ তার সময়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন করেছিল। অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।