ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঢাকার ভূমিকার প্রতি ইইউর একাত্মতা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। রাখাইন পরিস্থিতির ওপর গতকাল ইইউর হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) ফেডিরিকা মোঘারিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, সঙ্কট থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া উদ্বাস্তুদের স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সাথে ইইউ একাত্মতা প্রকাশ করছে। তিনি বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সব পক্ষের উত্তেজনা প্রশমন খুবই জরুরি, যাতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

সহিংসতার শিকার মানুষেরা যাতে সহায়তা পেতে পারেন, সে জন্য ত্রাণকর্মীদের অবাধ প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। রাখাইন রাজ্যের সঙ্কট নিরসনে আনান কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে মিয়ানমার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এ জন্য ইইউ সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুতর অভিহিত করে হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ বলেন, আজ আমি ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদির সাথে কথা বলেছি, যিনি সবেমাত্র মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফর করে এসেছেন। মিয়ানমার ও আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের সাথে আমরা ইয়াঙ্গুনে অবস্থিত ইইউ ডেলিগেশনসহ অন্যান্য মিশনের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছি। রাখাইন পরিস্থিতির দিকে আমাদের পূর্ণ মনোযোগে রয়েছে।

তিনি বলেন, টেকসই শান্তি, স্থিতিশীলতা, অগ্রগতি ও জনগণের কল্যাণের জন্য একটি পথ খুঁজে বের করতে মিয়ানমার ও সকল অংশীদারদের সমর্থন দিতে ইইউ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত ২৫ আগস্ট উত্তর রাখাইনে মিয়ানমার নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর হামলা এবং পরবর্তী সহিংসতার নিন্দা জানায় ইইউ। আইনের শাসন সমুন্নত রেখে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করি।

রাখাইনে নিরাপত্তা অভিযানের সাথে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন ও বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষার দায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেন ফেডিরিকা মোঘারিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঢাকার ভূমিকার প্রতি ইইউর একাত্মতা

আপডেট সময় ০৪:২৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। রাখাইন পরিস্থিতির ওপর গতকাল ইইউর হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) ফেডিরিকা মোঘারিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, সঙ্কট থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া উদ্বাস্তুদের স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সাথে ইইউ একাত্মতা প্রকাশ করছে। তিনি বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সব পক্ষের উত্তেজনা প্রশমন খুবই জরুরি, যাতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

সহিংসতার শিকার মানুষেরা যাতে সহায়তা পেতে পারেন, সে জন্য ত্রাণকর্মীদের অবাধ প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। রাখাইন রাজ্যের সঙ্কট নিরসনে আনান কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে মিয়ানমার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এ জন্য ইইউ সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুতর অভিহিত করে হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ বলেন, আজ আমি ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদির সাথে কথা বলেছি, যিনি সবেমাত্র মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফর করে এসেছেন। মিয়ানমার ও আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের সাথে আমরা ইয়াঙ্গুনে অবস্থিত ইইউ ডেলিগেশনসহ অন্যান্য মিশনের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছি। রাখাইন পরিস্থিতির দিকে আমাদের পূর্ণ মনোযোগে রয়েছে।

তিনি বলেন, টেকসই শান্তি, স্থিতিশীলতা, অগ্রগতি ও জনগণের কল্যাণের জন্য একটি পথ খুঁজে বের করতে মিয়ানমার ও সকল অংশীদারদের সমর্থন দিতে ইইউ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত ২৫ আগস্ট উত্তর রাখাইনে মিয়ানমার নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর হামলা এবং পরবর্তী সহিংসতার নিন্দা জানায় ইইউ। আইনের শাসন সমুন্নত রেখে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করি।

রাখাইনে নিরাপত্তা অভিযানের সাথে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন ও বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষার দায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেন ফেডিরিকা মোঘারিনি।