ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মানিকগঞ্জে একজনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিয়ের প্রলোভনে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মানিকগঞ্জে সাদ্দাম মিয়া নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ বিকালে মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইন এ রায় প্রদান করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুইজনকে খালাস দেয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত সাদ্দাম মিয়ার বাড়ি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার গোবর নার্সি গ্রামে।

মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের স্পেশাল পিপি এ কে এম নুরুল হুদা রুবেল বলেন, ২০১২ সালের ৮ নভেম্বর আসামি সাদ্দাম মিয়া বিয়ের প্রলোভনে কলেজ ছাত্রী তুহিন সুলতানা মিমকে তাঁর বাড়িতে ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর তার গায়ের স্বর্ণালংকারসহ ঘরে থাকা নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এই স্বর্ণালংকার অপর আসামী সম্ভু সরকার এবং তপু পালের কাছে বিক্রি করা হয়। এঘটনায় মিমের বাবা ছানোয়ার হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরের বছর এই মামলার অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। মামলায় ১৮ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহন শেষে আদালত রায় প্রদান করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মানিকগঞ্জে একজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৭:৩০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিয়ের প্রলোভনে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মানিকগঞ্জে সাদ্দাম মিয়া নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ বিকালে মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইন এ রায় প্রদান করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুইজনকে খালাস দেয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত সাদ্দাম মিয়ার বাড়ি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার গোবর নার্সি গ্রামে।

মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের স্পেশাল পিপি এ কে এম নুরুল হুদা রুবেল বলেন, ২০১২ সালের ৮ নভেম্বর আসামি সাদ্দাম মিয়া বিয়ের প্রলোভনে কলেজ ছাত্রী তুহিন সুলতানা মিমকে তাঁর বাড়িতে ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর তার গায়ের স্বর্ণালংকারসহ ঘরে থাকা নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এই স্বর্ণালংকার অপর আসামী সম্ভু সরকার এবং তপু পালের কাছে বিক্রি করা হয়। এঘটনায় মিমের বাবা ছানোয়ার হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরের বছর এই মামলার অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। মামলায় ১৮ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহন শেষে আদালত রায় প্রদান করেন।