ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করব : মির্জা আব্বাস ইমান এনে কোনো লাভ নেই, এরা মুনাফিকি করে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ভোট চাচ্ছে: মির্জা ফখরুল বাড়িভাড়া কত বাড়ানো যাবে, কতদিন পর–নির্ধারণ করে দিল ঢাকা উত্তর সিটি

ইস্তাম্বুলের মেয়র ও ডেইকের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. আল্লামা সিদ্দীকী বিদায়ী সাক্ষাতে ইস্তাম্বুলের মেয়র ইকরাম ইমামওলু, তুরস্কের আন্তর্জাতিক, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বোর্ড (ডেইক)-এর প্রেসিডেন্ট নেইল ওপাক এবং তুরস্কের ক্ষমতাসীন দল একেপি’র ইস্তাম্বুল প্রধান বায়রাম সেনোজাকের সাথে মিলিত হন।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রদূত সিদ্দীকী তুরস্কে প্রায় ৫ বছর দায়িত্ব পালন শেষে শিগগিরই ডেনমার্ক-এ তার নতুন দায়িত্বে যোগ দেবেন। এসকল অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূতের সাথে ইস্তাম্বুলের কনসাল জেনারেল ড. মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ডেইক-এর প্রেসিডেন্ট এর সাথে সাক্ষাতকালে দু’পক্ষ দু’দেশের বেসরকারি খাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এর হালনাগাদ পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন যে, তারা বাংলাদেশে তুরস্কের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করবার জন্য এগিয়ে আসবেন। উভয়েই বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত বাণিজ্য প্রতিনিধি দল বিনিময়ের উপর জোর দেন। রাষ্ট্রদূত জানান, এ বছর থেকে বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে তুরস্কের বৃহতম বাণিজ্য মেলা “মুসিয়াদ মেলা”-তে অংশগ্রহণ করবে।

ইস্তাম্বুলের মেয়র ইকরাম ইমামওলু সাথে সাক্ষাতকালে ঢাকা-ইস্তাম্বুলের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের উপর উভয়ে গুরুত্বারোপ করেন। উভয় দেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের বীরত্বগাঁথা এবং বঙ্গবন্ধু ও আতাতুর্ক এর অবিসংবাদিত নেতৃত্ব প্রসঙ্গে আলাপকালে ইস্তাম্বুল ও ঢাকায় নির্দিষ্ট সংখ্যক বিদ্যালয়ে দুই মহান নেতার উপর আলোকপাত করে রচনা প্রতিযোগিতা ও সেমিনার অনুষ্ঠানের ব্যাপারে তারা একমত হন। এছাড়া, তারা দুই শহরের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি বিনিময়ের উপরও জোর দেন।

একে পার্টির ইস্তাম্বুল প্রধান বায়রাম সেনোজাক-এর সঙ্গে আলোচনাকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক কর্ম-চাঞ্চল্য এবং তারুণ্য নির্ভর উদীয়মান অর্থনীতির উপর গুরুত্বারোপ করে আলোচনা করেন। তিনি বিপুল সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে তুরস্কের সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের অপার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

এর আগে রাষ্ট্রদূত ইস্তাম্বুলে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকগণের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এসময় তিনি বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অবদান অব্যাহত রাখার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইস্তাম্বুলের মেয়র ও ডেইকের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০৬:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. আল্লামা সিদ্দীকী বিদায়ী সাক্ষাতে ইস্তাম্বুলের মেয়র ইকরাম ইমামওলু, তুরস্কের আন্তর্জাতিক, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বোর্ড (ডেইক)-এর প্রেসিডেন্ট নেইল ওপাক এবং তুরস্কের ক্ষমতাসীন দল একেপি’র ইস্তাম্বুল প্রধান বায়রাম সেনোজাকের সাথে মিলিত হন।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রদূত সিদ্দীকী তুরস্কে প্রায় ৫ বছর দায়িত্ব পালন শেষে শিগগিরই ডেনমার্ক-এ তার নতুন দায়িত্বে যোগ দেবেন। এসকল অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূতের সাথে ইস্তাম্বুলের কনসাল জেনারেল ড. মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ডেইক-এর প্রেসিডেন্ট এর সাথে সাক্ষাতকালে দু’পক্ষ দু’দেশের বেসরকারি খাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এর হালনাগাদ পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন যে, তারা বাংলাদেশে তুরস্কের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করবার জন্য এগিয়ে আসবেন। উভয়েই বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত বাণিজ্য প্রতিনিধি দল বিনিময়ের উপর জোর দেন। রাষ্ট্রদূত জানান, এ বছর থেকে বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে তুরস্কের বৃহতম বাণিজ্য মেলা “মুসিয়াদ মেলা”-তে অংশগ্রহণ করবে।

ইস্তাম্বুলের মেয়র ইকরাম ইমামওলু সাথে সাক্ষাতকালে ঢাকা-ইস্তাম্বুলের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের উপর উভয়ে গুরুত্বারোপ করেন। উভয় দেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের বীরত্বগাঁথা এবং বঙ্গবন্ধু ও আতাতুর্ক এর অবিসংবাদিত নেতৃত্ব প্রসঙ্গে আলাপকালে ইস্তাম্বুল ও ঢাকায় নির্দিষ্ট সংখ্যক বিদ্যালয়ে দুই মহান নেতার উপর আলোকপাত করে রচনা প্রতিযোগিতা ও সেমিনার অনুষ্ঠানের ব্যাপারে তারা একমত হন। এছাড়া, তারা দুই শহরের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি বিনিময়ের উপরও জোর দেন।

একে পার্টির ইস্তাম্বুল প্রধান বায়রাম সেনোজাক-এর সঙ্গে আলোচনাকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক কর্ম-চাঞ্চল্য এবং তারুণ্য নির্ভর উদীয়মান অর্থনীতির উপর গুরুত্বারোপ করে আলোচনা করেন। তিনি বিপুল সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে তুরস্কের সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের অপার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

এর আগে রাষ্ট্রদূত ইস্তাম্বুলে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকগণের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এসময় তিনি বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অবদান অব্যাহত রাখার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান।