ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি হাত–মুখ বেঁধে জামায়াত নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ পশ্চিমা দেশগুলোর সন্দেহের মাঝেই চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ মহড়া মোংলায় চাঁদা না পেয়ে গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার ৩ ১৮ বছরের নির্যাতনের পর অস্থিরতা স্বাভাবিক, তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে: দুদু পুলিশের ৩৩ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে’:শিল্পমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে পেটে গুলি লেগেছিল মন্নাস আলীর, ৫৫ বছর পর অস্ত্রোপচারে অপসারণ মেয়েকে তুলে নিয়ে বিয়ের পর ২০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ, হুমকি-অপমানে বাবার ‘আত্মহত্যা’

গ্রেফতার এড়াতে লুঙ্গি পরে ঘুরছিলেন ছাত্রলীগ নেতা মাসুম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে নববধূ গণধর্ষণ মামলার ৫ নম্বর আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান মাসুম গ্রেফতার হয়েছেন।

রাতের বেলা লুঙ্গি পরে পালাতে গিয়ে গোয়েন্দা জালে ধরা পড়েন তিনি।

জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, গ্রেফতার এড়াতে মাসুম লুঙ্গি পরে খালি পায়ে জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুরে ঘোরাফেরা করছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যে খবর পেয়ে সোমবার রাত ১২টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

কানাইঘাট থানার ওসি শামসুদ্দোহা বলেন, মাসুমকে মঙ্গলবার মহানগরের শাহপরান থানায় হস্তান্তর করার পর আদালতে হাজির করা হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, পলাতক আসামি মাহফুজ ও তারেককে ধরতে তৎপর ছিল পুলিশের একাধিক দল। এর সঙ্গে গোয়েন্দা তৎপরতাও ছিল। জৈন্তাপুর এলাকায় এলাকায় আছেন—এমন তথ্যে গোয়েন্দা তথ্যে খবর পেয়ে হরিপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় মাহফুজ পরনে লুঙ্গি ছিল। তিনি গ্রেফতার এড়াতে এই বেশ ধরেছিলেন। তবে তার গন্তব্য কোথায় ছিল—এ বিষয়ে কিছু বলেননি ওসি।

মাহফুজুর রহমান এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের স্মাতক (সম্মান) শ্রেণির চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। ছাত্রাবাসে গণধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত ছয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর মধ্যে তিনিই একমাত্র নিয়মিত শিক্ষার্থী। তার নামে ছাত্রাবাসে সিটও বরাদ্দ ছিল।

তবে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠায় সিটটি কলেজ কর্তৃপক্ষ বাতিল করেছে। মাহফুজের বাড়ি সিলেটের সীমান্ত উপজেলা কানাইঘাটের দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের লামা-দলইকান্দি গ্রামে।

প্রসঙ্গত গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন ওই নববধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।

এ পর্যন্ত মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচজন আসামি গ্রেফতার হয়েছেন। বাকি আছেন শুধু তারেকুল ইসলাম তারেক। সন্দেহভাজন দুজনসহ মামলায় মোট ৭ জন গ্রেফতার হয়েছেন

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি

গ্রেফতার এড়াতে লুঙ্গি পরে ঘুরছিলেন ছাত্রলীগ নেতা মাসুম

আপডেট সময় ১২:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে নববধূ গণধর্ষণ মামলার ৫ নম্বর আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান মাসুম গ্রেফতার হয়েছেন।

রাতের বেলা লুঙ্গি পরে পালাতে গিয়ে গোয়েন্দা জালে ধরা পড়েন তিনি।

জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, গ্রেফতার এড়াতে মাসুম লুঙ্গি পরে খালি পায়ে জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুরে ঘোরাফেরা করছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যে খবর পেয়ে সোমবার রাত ১২টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

কানাইঘাট থানার ওসি শামসুদ্দোহা বলেন, মাসুমকে মঙ্গলবার মহানগরের শাহপরান থানায় হস্তান্তর করার পর আদালতে হাজির করা হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, পলাতক আসামি মাহফুজ ও তারেককে ধরতে তৎপর ছিল পুলিশের একাধিক দল। এর সঙ্গে গোয়েন্দা তৎপরতাও ছিল। জৈন্তাপুর এলাকায় এলাকায় আছেন—এমন তথ্যে গোয়েন্দা তথ্যে খবর পেয়ে হরিপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় মাহফুজ পরনে লুঙ্গি ছিল। তিনি গ্রেফতার এড়াতে এই বেশ ধরেছিলেন। তবে তার গন্তব্য কোথায় ছিল—এ বিষয়ে কিছু বলেননি ওসি।

মাহফুজুর রহমান এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের স্মাতক (সম্মান) শ্রেণির চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। ছাত্রাবাসে গণধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত ছয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর মধ্যে তিনিই একমাত্র নিয়মিত শিক্ষার্থী। তার নামে ছাত্রাবাসে সিটও বরাদ্দ ছিল।

তবে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠায় সিটটি কলেজ কর্তৃপক্ষ বাতিল করেছে। মাহফুজের বাড়ি সিলেটের সীমান্ত উপজেলা কানাইঘাটের দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের লামা-দলইকান্দি গ্রামে।

প্রসঙ্গত গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন ওই নববধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।

এ পর্যন্ত মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচজন আসামি গ্রেফতার হয়েছেন। বাকি আছেন শুধু তারেকুল ইসলাম তারেক। সন্দেহভাজন দুজনসহ মামলায় মোট ৭ জন গ্রেফতার হয়েছেন