ঢাকা ০৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাজা কমলো সুচির, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের দেওয়া হলো যাবজ্জীবন কৃষিতে জ্বালানি নির্ভরতা কমবে: কৃষিমন্ত্রী হজযাত্রীদের সেবা না করতে পারলে আমাদের পদত্যাগ করা উচিত: ধর্মমন্ত্রী সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, যুদ্ধের চিরস্থায়ী অবসান চায় ইরান’ রাশেদ প্রধানের বাসার সামনে বিক্ষোভ, পিএস জনি নন্দীকে সরিয়ে নিল পুলিশ অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত চাঁদার টাকা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা রাজধানীতে তিন মাসের শিশুকে হত্যার অভিযোগে সৎ বাবা গ্রেফতার কুষ্টিয়ায় ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত দুই, আহত ৩ ইসরাইল-লেবাননের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব

চিরনিদ্রায় শায়িত স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপপরিচালক ডা. খায়রুল আলম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপপরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. খায়রুল আলম আর নেই।

বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন)।

তার অকাল মৃত্যুতে শহরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বাদ আছর কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদ প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে তাকে শোলাকিয়া বাগে জান্নাত কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হলে ডা. মো. খায়রুল আলমকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

স্বাস্থ্যসেবায় বিপুল খ্যাতি অর্জন করা ডা. মো. খায়রুল আলম কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার নিজ বাসা কিশোরগঞ্জ শহরের উকিলপাড়ায়। সেখানেই সপরিবারে অবস্থান করতেন তিনি।

শৈশবে পিতাকে হারান ডা. মো. খায়রুল আলম।তিনি তাড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের (সাবেক তাড়াইল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়) সাবেক শিক্ষার্থী এবং ওই স্কুলের সাবেক জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মরহুম সোহরাব উদ্দিন ভূঁইয়ার ছোট ভাই।

ডা. খায়রুল আলম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন।

বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি কিশোরগঞ্জ ২৫০ জেনারেল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার (ইএমও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে একই জেলার করিমগঞ্জ, পাকুন্দিয়া এবং ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে চুয়াডাঙ্গা জেলার সিভিল সার্জন এবং মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ছিলেন ডা. খায়রুল আলম।

সর্বশেষ তাকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপপরিচালক (প্রশাসন) পদে পদায়ন করা হয়। মৃত্যুকাল পর্যন্ত ওই পদেই কর্মরত ছিলেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

সাজা কমলো সুচির, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের দেওয়া হলো যাবজ্জীবন

চিরনিদ্রায় শায়িত স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপপরিচালক ডা. খায়রুল আলম

আপডেট সময় ০৭:০১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপপরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. খায়রুল আলম আর নেই।

বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন)।

তার অকাল মৃত্যুতে শহরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বাদ আছর কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদ প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে তাকে শোলাকিয়া বাগে জান্নাত কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হলে ডা. মো. খায়রুল আলমকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

স্বাস্থ্যসেবায় বিপুল খ্যাতি অর্জন করা ডা. মো. খায়রুল আলম কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার নিজ বাসা কিশোরগঞ্জ শহরের উকিলপাড়ায়। সেখানেই সপরিবারে অবস্থান করতেন তিনি।

শৈশবে পিতাকে হারান ডা. মো. খায়রুল আলম।তিনি তাড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের (সাবেক তাড়াইল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়) সাবেক শিক্ষার্থী এবং ওই স্কুলের সাবেক জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মরহুম সোহরাব উদ্দিন ভূঁইয়ার ছোট ভাই।

ডা. খায়রুল আলম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন।

বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি কিশোরগঞ্জ ২৫০ জেনারেল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার (ইএমও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে একই জেলার করিমগঞ্জ, পাকুন্দিয়া এবং ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে চুয়াডাঙ্গা জেলার সিভিল সার্জন এবং মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ছিলেন ডা. খায়রুল আলম।

সর্বশেষ তাকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপপরিচালক (প্রশাসন) পদে পদায়ন করা হয়। মৃত্যুকাল পর্যন্ত ওই পদেই কর্মরত ছিলেন তিনি।