আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীর দাবি ১৯৭১ সালে আছমা বিবির প্রকৃত বয়স ছিল প্রায় তিন বছর। আর জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী ওই সময় তার বয়স আট বছর তিন মাস। অথচ মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজেকে ২০ বছরের যুবতী দাবি করে বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার আবেদন করেছিলেন আছমা বিবি।
বিষয়টি নিয়ে গত ৮ সেপ্টেম্বর‘একাত্তরে তিন বছরের আসমা এখন হতে চান বীরাঙ্গনা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর জয়পুরহাট সদর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আছমা বিবিকে দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করেছে জয়পুরহাট জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ।
জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী রেবেকা সুলতানা ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজা মন্ডল রীনা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আওয়ামী লীগের পদে থেকে আছমা বিবি জন্ম সনদ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও ইউপি চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জাল করে বিভিন্ন সনদ তৈরিসহ অন্যান্য কাগজপত্র জালিয়াতি করে বীরাঙ্গনা হতে সরকারের কাছে আবেদন করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় আছমা বিবি ছিলেন আট বছরের শিশু। কিন্তু স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর পর তিনি ওই সময় ২১ বছর বয়সী তরুণী ছিলেন বলে দাবি করেন। এ ব্যাপারে একাধিক সনদ ও প্রত্যয়ন জাল করে বয়স বাড়িয়ে তিনি বীরাঙ্গনার জন্য আবেদনও করেন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে। গেজেটভুক্তির সুপারিশও করে উপজেলার সরকারি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি।
কিন্তু সংবাদে বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রচার হলে ফাঁস হয়ে যায় আছমার ‘বীরাঙ্গনা কেলেঙ্কারি’। বিষয়টির সত্যতা পাওয়ায় তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















