ঢাকা ১১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

শিক্ষামূলক টিউটরিং প্ল্যাটফর্ম দীক্ষার যাত্রা শুরু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দেশের প্রথম অনলাইন ভার্চ্যুয়াল শিক্ষামূলক টিউটরিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলো ‘দীক্ষা’। এ প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রমের ফলে এখন আর শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে আলাদা করে পড়াশোনা করতে কোথাও যেতে হবে না বরং যে যার বাসা থেকেই নিজেদের সুবিধামতো সময়ে করতে পারবেন ক্লাস।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। করোনাকালীন অনলাইনে একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ‘দীক্ষা’র শুভ সূচনা করেন নারী উদ্যোক্তা ও দীক্ষার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিনা খানম।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, করোনাকালীন আমরা সবাই এখন অনলাইন ক্লাসের সঙ্গে পরিচিত। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম এখন অনেক জনপ্রিয়। দীক্ষা সেরকমই একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। এ প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রমের ফলে এখন আর শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে আলাদা করে টিউশন নিতে কোথাও যেতে হবে না বরং যে যার বাসা থেকেই নিজেদের সুবিধামতো সময়ে ক্লাস করতে পারবেন।

দীক্ষার চিফ টেকনিক্যাল অফিসার রায়হান আল ইসলাম জানান, বিশ্বের বিভিন্ন অ্যাডুকেশনাল ইনস্টিটিউটে যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় সেগুলো থেকে ভালো ফিচারগুলো যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে ‘দীক্ষা’য়। এছাড়া প্রতিনিয়ত চেষ্টা চলছে একে আরও উন্নত করার জন্য। আর ক্লাস ছাড়াও ট্রেনিং, ইনডিভিজুয়াল কোর্স পরিচালনায় দীক্ষা ক্লাসরুমকে কাজে লাগানো সম্ভব।

বর্তমানে দীক্ষার সঙ্গে যুক্ত আছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষক। যারা সব সময় চেষ্টা করে যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে শিক্ষা বিষয়ক সাপোর্ট দেওয়ার জন্য।

এছাড়া এখানকার অনেক শিক্ষক অনলাইনে দেশের বাইরেও পড়াচ্ছেন, যার মাধ্যমে দেশে আসছে বৈদেশিক মুদ্রা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীক্ষার মতো একটি দেশি সফটওয়্যার যদি শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বত্র ব্যবহার করা যায় তাহলে দেশ যেমন উপকৃত হবে, তেমনি অর্থনৈতিকভাবেও স্বাবলম্বী হবে আমাদের দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দীক্ষার সব তথ্য পাওয়া যাবে তার (http://www.dikkha.com) ওয়েবসাইট থেকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষামূলক টিউটরিং প্ল্যাটফর্ম দীক্ষার যাত্রা শুরু

আপডেট সময় ০৬:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

দেশের প্রথম অনলাইন ভার্চ্যুয়াল শিক্ষামূলক টিউটরিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলো ‘দীক্ষা’। এ প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রমের ফলে এখন আর শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে আলাদা করে পড়াশোনা করতে কোথাও যেতে হবে না বরং যে যার বাসা থেকেই নিজেদের সুবিধামতো সময়ে করতে পারবেন ক্লাস।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। করোনাকালীন অনলাইনে একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ‘দীক্ষা’র শুভ সূচনা করেন নারী উদ্যোক্তা ও দীক্ষার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিনা খানম।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, করোনাকালীন আমরা সবাই এখন অনলাইন ক্লাসের সঙ্গে পরিচিত। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম এখন অনেক জনপ্রিয়। দীক্ষা সেরকমই একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। এ প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রমের ফলে এখন আর শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে আলাদা করে টিউশন নিতে কোথাও যেতে হবে না বরং যে যার বাসা থেকেই নিজেদের সুবিধামতো সময়ে ক্লাস করতে পারবেন।

দীক্ষার চিফ টেকনিক্যাল অফিসার রায়হান আল ইসলাম জানান, বিশ্বের বিভিন্ন অ্যাডুকেশনাল ইনস্টিটিউটে যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় সেগুলো থেকে ভালো ফিচারগুলো যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে ‘দীক্ষা’য়। এছাড়া প্রতিনিয়ত চেষ্টা চলছে একে আরও উন্নত করার জন্য। আর ক্লাস ছাড়াও ট্রেনিং, ইনডিভিজুয়াল কোর্স পরিচালনায় দীক্ষা ক্লাসরুমকে কাজে লাগানো সম্ভব।

বর্তমানে দীক্ষার সঙ্গে যুক্ত আছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষক। যারা সব সময় চেষ্টা করে যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে শিক্ষা বিষয়ক সাপোর্ট দেওয়ার জন্য।

এছাড়া এখানকার অনেক শিক্ষক অনলাইনে দেশের বাইরেও পড়াচ্ছেন, যার মাধ্যমে দেশে আসছে বৈদেশিক মুদ্রা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীক্ষার মতো একটি দেশি সফটওয়্যার যদি শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বত্র ব্যবহার করা যায় তাহলে দেশ যেমন উপকৃত হবে, তেমনি অর্থনৈতিকভাবেও স্বাবলম্বী হবে আমাদের দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দীক্ষার সব তথ্য পাওয়া যাবে তার (http://www.dikkha.com) ওয়েবসাইট থেকে।