অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
গত জুলাই-আগস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এমন অভিজ্ঞতা হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। এমনকি হয়নি গত ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারতের বিপক্ষেও। অনন্য এই অভিজ্ঞতা অস্ট্রেলিয়ার হলো বাংলাদেশের বিপক্ষেই। গত ৪০ বছরের মধ্যেই এমন অভিজ্ঞতা অস্ট্রেলিয়ার এই প্রথম।
সাধারণত টেস্টের আগের দিন একাদশ জানিয়ে দেয় অস্ট্রেলিয়া। চট্টগ্রামে হয়েছে এর ব্যতিক্রম। গতকাল অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ একাদশ নিয়ে কিছুই বলতে পারেননি। একাদশ নিয়ে কিছু বলতে না পারলেও অস্ট্রেলিয়া যে তিন স্পিনার নিয়ে মাঠে নামছে, সেটা অনুমান করা যাচ্ছিল।
১৯৭৮ সালের পর প্রথমবারের মতো এক পেসার নিয়ে খেলতে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া। ৪০ বছর আগে ক্যারি প্যাকার সিরিজের প্রভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একমাত্র পেস বোলার হিসেবে জেফ থমসনকে খেলাতে বাধ্য হয়েছিল অস্ট্রেলীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।
চট্টগ্রামে প্রেক্ষাপটটা ভিন্ন। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ বাঁচাতে একজন পেসার কমিয়ে বাড়তি স্পিনার নিয়ে খেলছে অস্ট্রেলিয়া। সাম্প্রতিক অতীতে শ্রীলঙ্কা-ভারতে স্পিন-সহায়ক উইকেটেই খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। শ্রীলঙ্কায় ধবলধোলাইয়ের পর ভারতে অবশ্য সিরিজ হেরেছে লড়াই করেই। কিন্তু শ্রীলঙ্কা-ভারতে যা হয়নি, বাংলাদেশে এসে তা-ই করল অস্ট্রেলিয়া।
আরও একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা আজ ঘটেছে। ১৯৩৮ সালের পর এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বোলিং শুরু করেছেন একজন স্পিনার। ৭৯ বছর আগে ট্রেন্টব্রিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের প্রথম ইনিংসেই নতুন বলে বোলিং করেছিলেন বিল ও’রিলি, ক্রিকেটে যিনি পরিচিত ‘টাইগার’ রিলি নামে। টাইগারের পর একই উদাহরণ হলেন লায়ন!
নাথান লায়ন অবশ্য ভালোই থাবা বসিয়েছেন বাংলাদেশের ইনিংসে। ৩ উইকেটে ৭০ রান তুলে লাঞ্চে যায় বাংলাদেশ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























