ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

কুখ্যাত খেমার রুজ নেতা কমরেড দুচের মৃত্যু

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

কম্বোডিয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খেমার রুজের কুখ্যাত জ্যেষ্ঠ নেতা কমরেড দুচ মারা গেছেন।

স্থানীয় সময় বুধবার সকালে ৭৭ বছর বয়সে রাজধানী নম পেনের একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।খবর বিবিসি ও দ্যা গার্ডিয়ানের।

দুচ নামে পরিচিত কাইং গুয়েক ইয়েভ কম্বোডিয়ার মাওবাদী খেমার রুজ সরকারের আমলে কুখ্যাত টুওল স্লেং কারাগারের প্রধান ছিলেন।

১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত তাদের শাসনামলে এই কারাগারটিতে হাজার হাজার বন্দিকে নির্যাতন ও হত্যা করা হয়। ওই সময় দেশজুড়ে প্রায় ২০ লাখ লোককে হত্যা করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

জাতিসংঘ সমর্থিত একটি ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ে দুচ যাবজ্জীবন কারাভোগের শাস্তি পেয়েছিলেন।

তিনি খেমার রুজের প্রথম জ্যেষ্ঠ নেতা যিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হন। ২০১০ সালে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ২০১২ সালে তার সাজার রায় আসে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

কুখ্যাত খেমার রুজ নেতা কমরেড দুচের মৃত্যু

আপডেট সময় ০২:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

কম্বোডিয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খেমার রুজের কুখ্যাত জ্যেষ্ঠ নেতা কমরেড দুচ মারা গেছেন।

স্থানীয় সময় বুধবার সকালে ৭৭ বছর বয়সে রাজধানী নম পেনের একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।খবর বিবিসি ও দ্যা গার্ডিয়ানের।

দুচ নামে পরিচিত কাইং গুয়েক ইয়েভ কম্বোডিয়ার মাওবাদী খেমার রুজ সরকারের আমলে কুখ্যাত টুওল স্লেং কারাগারের প্রধান ছিলেন।

১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত তাদের শাসনামলে এই কারাগারটিতে হাজার হাজার বন্দিকে নির্যাতন ও হত্যা করা হয়। ওই সময় দেশজুড়ে প্রায় ২০ লাখ লোককে হত্যা করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

জাতিসংঘ সমর্থিত একটি ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ে দুচ যাবজ্জীবন কারাভোগের শাস্তি পেয়েছিলেন।

তিনি খেমার রুজের প্রথম জ্যেষ্ঠ নেতা যিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হন। ২০১০ সালে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ২০১২ সালে তার সাজার রায় আসে।