ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

ম্যাডাম, খুব খারাপ দিন আসবে; বিএনপির প্রাক্তন নেতাদের পূর্বাভাস

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে খারাপ সময়ে। যাকে বলা হয় খারাপ দিন। এখন বিএনপির খারাপ দিন চলছে এবং এই অন্ধকার সময় কবে পেরোবে তা বিএনপির কোন নেতাকর্মী কেউই বলতে পারেন না। তবে বিএনপির যে খারাপ দিন আসবে এই পূর্বাভাস বিভিন্ন সময়ে বিএনপির বিভিন্ন নেতা দিয়েছিলেন। সেই পূর্বাভাসগুলো এখন ফলে গেছে। বিএনপির যে সমস্ত প্রাক্তন নেতারা বিএনপি সম্পর্কে এই ধরণের পূর্বাভাসগুলো দিয়েছিলেন তাদের কয়েকজনকে নিয়েই এই প্রতিবেদন।

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা

বিএনপির খারাপ দিনের পূর্বাভাস প্রথম দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। ১৯৯১-৯৬ সাল, সেসময়ে বিএনপি অভাবনীয়ভাবে জামাতের সমর্থনে ক্ষমতায় আসে। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তখন হয়েছিলেন তথ্যমন্ত্রী এবং বিএনপির অন্যতম নীতিনির্ধারক। এই সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ফর্মুলা উপস্থাপন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিরোধী দলগুলো আন্দোলন শুরু করে। সে সময়ে বিএনপির প্রধান এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন যে, পাগল আর ছাগল ছাড়া কেউই নিরপেক্ষ নয় এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন তিনি। কিন্তু এই সময়ে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা এক কাণ্ড করে বসেন। তিনি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এক ফর্মুলা জাতির সামনে হাজির করেন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে। এর জের হিসেবে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে প্রথমে তলব করেন বেগম খালেদা জিয়া। সেই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া কেন এমন বিব্রতকর পরিস্থিতি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তৈরি করলেন সে সম্পর্কে কৈফিয়ত জানতে চান। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি এখন মেনে নেন, নাহলে সামনে আমাদের খুব খারাপ দিন আসবে। আমাদেরকে টেনেহিঁচড়ে নামাবে। দল হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব থাকবে না। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার এই বক্তব্যের বিপরীতে বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, খামোশ। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মন্ত্রীত্ব কেড়ে নিয়েছিলেন। যদিও ২০০১ সালে আবারও ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা মন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার সেই ‘বিএনপি সঙ্কটে পড়বে’ ভবিষ্যদ্বাণী এখন অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেছে।

সাদেক হোসেন খোকা

বিএনপির আরেক প্রভাবশালী নেতা সাদেক হোসেন খোকা। তিনি বিএনপির সর্বনাশের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর। ২০০৪ সালে সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন খুবই প্রভাবশালী নেতা। তারেক জিয়ার ছায়াতলে না থেকেও যারা খালেদা জিয়ার কারণে দলে প্রভাবশালী ছিলেন তাদের মধ্যে খোকা ছিলেন অন্যতম। সাদেক হোসেন খোকা সেই সময়ে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার পর খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করেছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন যে, ‘ম্যাডাম, এটা যদি আমাদের দলের কেউ করে থাকে বা আপনি যদি এটা জেনে থাকেন তাহলে এটা খুবই খারাপ কাজ হয়েছে এবং সামনে খুবই খারাপ দিন আসবে। আপনিও ন্যায়বিচার পাবেন না, এরকম একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে এবং তখন আপনি যে ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না সেজন্য জনগণও আপনার পাশে দাঁড়াবে না।’ সাদেক হোসেন খোকার এই বক্তব্যে খালেদা জিয়া সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তাকেও ধমক দিয়েছিলেন।

তরিকুল ইসলাম

২০০৪ সালের ২১ গ্রেনেড হামলার পর সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে আরেকজন যিনি প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি হলেন তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেছিলেন যে, এটির সঙ্গে বিএনপির যদি কোন সম্পর্ক থাকে সেটা হবে আমাদের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় আত্মহত্যা। এ রকম কর্মকাণ্ড করে কখনো গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে টিকে থাকা যায় না। এই ঘটনায় যদি বিএনপি জড়িত থাকে তাহলে বিএনপি তার নিজের কবর নিজেই রচনা করল। খালেদা জিয়া অবশ্য এই প্রশ্নের উত্তর দেননি।

অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী

২০০১ এর নির্বাচনের পর অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার তিনি রাষ্ট্রপতির একটি স্বাতন্ত্র্য ইমেজ তৈরি করতে চেয়েছিলেন। নিরপেক্ষতার জন্য তিনি জিয়ার কবর জিয়ারত করতে যান নাই। এটি ছিল তার মহা অন্যায়। এরপর তার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। একপর্যায়ে তাকে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অভিসংশন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই রকম পরিস্থিতিতে অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী নিজেই পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পর তিনি বিএনপির অসহিষ্ণুতা এবং ক্ষমতার স্বেচ্ছাচারিতায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সামনে বিএনপির এমন সময় আসবে যখন বিএনপির জন্য হয়তো দুঃখ প্রকাশ করারও লোক থাকবে না।

ড. কামাল সিদ্দিকী

ড. কামাল সিদ্দিকি ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার মুখ্য সচিব এবং তারেক জিয়ার দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে তিনি অনেক সোচ্চার ছিলেন। যখন তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ আসলো। সে সময় ড. কামাল সিদ্দিকি খালেদা জিয়াকে সতর্ক করেছিলেন যে, তারেক যদি এভাবে বেপরোয়াভাবে দুর্নীতি করতে থাকে তাহলে বিএনপির সামনে খুব খারাপ দিন আসবে। বিএনপির পরিণতি এমন হবে যে বিএনপির জন্য কর্মী পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়বে।

এদের প্রত্যেকের ভবিষ্যদ্বাণী আজ সত্যি হয়েছে। ৪২ বছরে বিএনপি যেন এক সর্বহারা ভিখিরির মতো এতিম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

ম্যাডাম, খুব খারাপ দিন আসবে; বিএনপির প্রাক্তন নেতাদের পূর্বাভাস

আপডেট সময় ০৬:০৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে খারাপ সময়ে। যাকে বলা হয় খারাপ দিন। এখন বিএনপির খারাপ দিন চলছে এবং এই অন্ধকার সময় কবে পেরোবে তা বিএনপির কোন নেতাকর্মী কেউই বলতে পারেন না। তবে বিএনপির যে খারাপ দিন আসবে এই পূর্বাভাস বিভিন্ন সময়ে বিএনপির বিভিন্ন নেতা দিয়েছিলেন। সেই পূর্বাভাসগুলো এখন ফলে গেছে। বিএনপির যে সমস্ত প্রাক্তন নেতারা বিএনপি সম্পর্কে এই ধরণের পূর্বাভাসগুলো দিয়েছিলেন তাদের কয়েকজনকে নিয়েই এই প্রতিবেদন।

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা

বিএনপির খারাপ দিনের পূর্বাভাস প্রথম দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। ১৯৯১-৯৬ সাল, সেসময়ে বিএনপি অভাবনীয়ভাবে জামাতের সমর্থনে ক্ষমতায় আসে। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তখন হয়েছিলেন তথ্যমন্ত্রী এবং বিএনপির অন্যতম নীতিনির্ধারক। এই সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ফর্মুলা উপস্থাপন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিরোধী দলগুলো আন্দোলন শুরু করে। সে সময়ে বিএনপির প্রধান এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন যে, পাগল আর ছাগল ছাড়া কেউই নিরপেক্ষ নয় এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন তিনি। কিন্তু এই সময়ে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা এক কাণ্ড করে বসেন। তিনি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এক ফর্মুলা জাতির সামনে হাজির করেন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে। এর জের হিসেবে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে প্রথমে তলব করেন বেগম খালেদা জিয়া। সেই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া কেন এমন বিব্রতকর পরিস্থিতি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তৈরি করলেন সে সম্পর্কে কৈফিয়ত জানতে চান। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি এখন মেনে নেন, নাহলে সামনে আমাদের খুব খারাপ দিন আসবে। আমাদেরকে টেনেহিঁচড়ে নামাবে। দল হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব থাকবে না। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার এই বক্তব্যের বিপরীতে বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, খামোশ। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মন্ত্রীত্ব কেড়ে নিয়েছিলেন। যদিও ২০০১ সালে আবারও ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা মন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার সেই ‘বিএনপি সঙ্কটে পড়বে’ ভবিষ্যদ্বাণী এখন অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেছে।

সাদেক হোসেন খোকা

বিএনপির আরেক প্রভাবশালী নেতা সাদেক হোসেন খোকা। তিনি বিএনপির সর্বনাশের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর। ২০০৪ সালে সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন খুবই প্রভাবশালী নেতা। তারেক জিয়ার ছায়াতলে না থেকেও যারা খালেদা জিয়ার কারণে দলে প্রভাবশালী ছিলেন তাদের মধ্যে খোকা ছিলেন অন্যতম। সাদেক হোসেন খোকা সেই সময়ে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার পর খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করেছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন যে, ‘ম্যাডাম, এটা যদি আমাদের দলের কেউ করে থাকে বা আপনি যদি এটা জেনে থাকেন তাহলে এটা খুবই খারাপ কাজ হয়েছে এবং সামনে খুবই খারাপ দিন আসবে। আপনিও ন্যায়বিচার পাবেন না, এরকম একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে এবং তখন আপনি যে ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না সেজন্য জনগণও আপনার পাশে দাঁড়াবে না।’ সাদেক হোসেন খোকার এই বক্তব্যে খালেদা জিয়া সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তাকেও ধমক দিয়েছিলেন।

তরিকুল ইসলাম

২০০৪ সালের ২১ গ্রেনেড হামলার পর সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে আরেকজন যিনি প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি হলেন তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেছিলেন যে, এটির সঙ্গে বিএনপির যদি কোন সম্পর্ক থাকে সেটা হবে আমাদের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় আত্মহত্যা। এ রকম কর্মকাণ্ড করে কখনো গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে টিকে থাকা যায় না। এই ঘটনায় যদি বিএনপি জড়িত থাকে তাহলে বিএনপি তার নিজের কবর নিজেই রচনা করল। খালেদা জিয়া অবশ্য এই প্রশ্নের উত্তর দেননি।

অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী

২০০১ এর নির্বাচনের পর অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার তিনি রাষ্ট্রপতির একটি স্বাতন্ত্র্য ইমেজ তৈরি করতে চেয়েছিলেন। নিরপেক্ষতার জন্য তিনি জিয়ার কবর জিয়ারত করতে যান নাই। এটি ছিল তার মহা অন্যায়। এরপর তার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। একপর্যায়ে তাকে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অভিসংশন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই রকম পরিস্থিতিতে অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী নিজেই পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পর তিনি বিএনপির অসহিষ্ণুতা এবং ক্ষমতার স্বেচ্ছাচারিতায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সামনে বিএনপির এমন সময় আসবে যখন বিএনপির জন্য হয়তো দুঃখ প্রকাশ করারও লোক থাকবে না।

ড. কামাল সিদ্দিকী

ড. কামাল সিদ্দিকি ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার মুখ্য সচিব এবং তারেক জিয়ার দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে তিনি অনেক সোচ্চার ছিলেন। যখন তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ আসলো। সে সময় ড. কামাল সিদ্দিকি খালেদা জিয়াকে সতর্ক করেছিলেন যে, তারেক যদি এভাবে বেপরোয়াভাবে দুর্নীতি করতে থাকে তাহলে বিএনপির সামনে খুব খারাপ দিন আসবে। বিএনপির পরিণতি এমন হবে যে বিএনপির জন্য কর্মী পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়বে।

এদের প্রত্যেকের ভবিষ্যদ্বাণী আজ সত্যি হয়েছে। ৪২ বছরে বিএনপি যেন এক সর্বহারা ভিখিরির মতো এতিম।