ঢাকা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিচারপতি সিনহার অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ৩ ব্যাংক কর্মকর্তার সাক্ষ্য

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) থেকে চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার বিরুদ্ধে চলা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন সোনালী ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা।

ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংক সুপ্রিমকোর্ট শাখার প্রিন্সপাল অফিসার সাদিকুল ইসলাম, সাখাওয়াত হোসেন ও সিনিয়র অফিসার আওলাদ হোসেনের সাক্ষ্য নেন।

তারা তিনজনই জব্দ তালিকার সাক্ষী।

সাক্ষ্য নিয়ে বিচারক আগামী ৪ অক্টোবর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ রেখেছেন।

এদিন আসামিপক্ষ সাক্ষীদের জেরা করেনি বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম।

মামলার ১৮ সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত সাতজনের সাক্ষ্য নেয়া হলো।

২০১৯ সালের ১০ জুলাই মামলাটি দায়ের হয়। এর তদন্ত করে একই বছরের ৯ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দেন দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদ। এর পর গত ৫ জানুয়ারি অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মামলার আসামিদের মধ্যে ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী) কারাগারে, সাবেক এমডি একেএম শামীম, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান ও একই এলাকার বাসিন্দা নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা জামিনে আছেন।

কানাডায় থাকা বিচারপতি এসকে সিনহা ছাড়াও ব্যাংকটির ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায় পলাতক রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

বিচারপতি সিনহার অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ৩ ব্যাংক কর্মকর্তার সাক্ষ্য

আপডেট সময় ০৪:২৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) থেকে চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার বিরুদ্ধে চলা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন সোনালী ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা।

ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংক সুপ্রিমকোর্ট শাখার প্রিন্সপাল অফিসার সাদিকুল ইসলাম, সাখাওয়াত হোসেন ও সিনিয়র অফিসার আওলাদ হোসেনের সাক্ষ্য নেন।

তারা তিনজনই জব্দ তালিকার সাক্ষী।

সাক্ষ্য নিয়ে বিচারক আগামী ৪ অক্টোবর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ রেখেছেন।

এদিন আসামিপক্ষ সাক্ষীদের জেরা করেনি বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম।

মামলার ১৮ সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত সাতজনের সাক্ষ্য নেয়া হলো।

২০১৯ সালের ১০ জুলাই মামলাটি দায়ের হয়। এর তদন্ত করে একই বছরের ৯ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দেন দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদ। এর পর গত ৫ জানুয়ারি অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মামলার আসামিদের মধ্যে ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী) কারাগারে, সাবেক এমডি একেএম শামীম, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান ও একই এলাকার বাসিন্দা নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা জামিনে আছেন।

কানাডায় থাকা বিচারপতি এসকে সিনহা ছাড়াও ব্যাংকটির ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায় পলাতক রয়েছেন।