ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

দুই পেসার থাকবেন কাল

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ঢাকা টেস্টের স্পিনবান্ধব উইকেটে নিজেদের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং করেছে ৭৪.৫ ওভার। এর মধ্যে বাংলাদেশের দুই পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ও শফিউল ইসলামের সম্মিলিত অবদান মোট ১৪ ওভার। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে মোস্তাফিজ এক ওভার বোলিং করলেও শফিউল ছিলেন দর্শক হয়ে!

স্পিনারদের হাড়ভাঙা খাটুনিতে ভর করে ঢাকা টেস্টে ২০ রানে জিতেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার ২০ উইকেটের মধ্যে ১৯টিই সাকিব-মিরাজ-তাইজুলের শিকার। ঢাকায় জয়ের পর চট্টগ্রাম টেস্টেও ‘উইনিং স্কোয়াড’ ধরে রেখেছেন বাংলাদেশ কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। যত দূর জানা গেছে, মিরপুরের মতো জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উইকেটও হবে স্পিনবান্ধব। এখন প্রশ্ন হলো, ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও কি দুই পেসার মাঠে নেমে দৃশ্যত দর্শক হয়ে থাকবেন, না একজন পেসার কমিয়ে দলে বাড়তি একজন ব্যাটসম্যান নেওয়া হবে?
বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, একাদশ অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা থাকলে, সেটা হয়তো নাসির হোসেনের জায়গায় মুমিনুল হক। প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে নাসির ২৩ রান করলেও পরিস্থিতির দাবি মিটিয়ে ব্যাটিং করতে পারেননি। দ্বিতীয় ইনিংসে সাজঘরে ফিরেছেন কোনো রান না করেই। অন্যদিকে, মুমিনুলকে দলে অন্তর্ভুক্তির দাবি উঠেছে ঢাকা টেস্টের আগ থেকে। মুমিনুলের টেস্ট পরিসংখ্যানও তাঁর পক্ষে। কিন্তু এরপরও দুই পেসার নিয়ে সেই প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

মোস্তাফিজ এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পেসার হলেও ঢাকা টেস্টের পরিসংখ্যান শফিউলের পক্ষে। তবে সেটা ভিন্ন ভূমিকায়। বাংলাদেশের দুই ইনিংস মিলিয়ে তাঁর ২২ রান কিন্তু ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী ‘অমূল্য’। তবে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে মোস্তাফিজের তুলনায় রান বেশি দিয়েছেন শফিউল। কিন্তু খেলা হবে স্পিনবান্ধব উইকেটে, যেখানে বাংলাদেশি পেসারদের ভূমিকা প্রায় থাকবে না বললেই চলে। সে ক্ষেত্রে যদি এক পেসার খেলানোর সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে পাল্লাটা কিন্তু শফিউলের দিকেই বেশি ঝুলে থাকবে। কেননা, লো স্কোরিং টেস্টে শেষের দিকে ব্যাট হাতে ১৫-২০ রান অনেক ক্ষেত্রেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
ব্যাটসম্যানদের ক্ষেত্রেও একটা ‘সমস্যা’ রয়েছে। সেটা অবশ্যই ব্যাটিং পজিশন নিয়ে। ধরে নেওয়া যাক, চট্টগ্রাম টেস্টে নাসিরের বদলে দলে ঢুকলেন মুমিনুল। সে ক্ষেত্রে মুমিনুল ব্যাটিং করবেন কোন পজিশনে, নিশ্চয়ই নাসিরের পজিশনে নয়! টেস্ট গড়ে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যানটির জন্য ৩ কিংবা ৪ নম্বর পজিশনই বেশি মানানসই। তাহলে সাব্বির রহমানকে নেমে আসতে হবে ৬ কিংবা ৭ নম্বর পজিশনে। এ ক্ষেত্রে সংকট কিংবা সুবিধা যা-ই বলুন না কেন, ৩ কিংবা ৭—যেকোনো পজিশনেই সাব্বিরের ব্যাটিং স্টাইল কিন্তু একই রকম!
জয়ী দল অপরিবর্তিত রাখার ইঙ্গিত থাকায় চট্টগ্রামেও হয়তো ওপেনিংয়ে তামিমের সঙ্গী হবেন সৌম্য। মুমিনুল স্কোয়াডে সুযোগ পেলে ইমরুল কায়েসের সঙ্গে হয়তো ভাগ করে নেবেন ৩ ও ৪ নম্বর ব্যাটিং পজিশন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই পেসার থাকবেন কাল

আপডেট সময় ০১:২০:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ঢাকা টেস্টের স্পিনবান্ধব উইকেটে নিজেদের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং করেছে ৭৪.৫ ওভার। এর মধ্যে বাংলাদেশের দুই পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ও শফিউল ইসলামের সম্মিলিত অবদান মোট ১৪ ওভার। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে মোস্তাফিজ এক ওভার বোলিং করলেও শফিউল ছিলেন দর্শক হয়ে!

স্পিনারদের হাড়ভাঙা খাটুনিতে ভর করে ঢাকা টেস্টে ২০ রানে জিতেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার ২০ উইকেটের মধ্যে ১৯টিই সাকিব-মিরাজ-তাইজুলের শিকার। ঢাকায় জয়ের পর চট্টগ্রাম টেস্টেও ‘উইনিং স্কোয়াড’ ধরে রেখেছেন বাংলাদেশ কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। যত দূর জানা গেছে, মিরপুরের মতো জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উইকেটও হবে স্পিনবান্ধব। এখন প্রশ্ন হলো, ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও কি দুই পেসার মাঠে নেমে দৃশ্যত দর্শক হয়ে থাকবেন, না একজন পেসার কমিয়ে দলে বাড়তি একজন ব্যাটসম্যান নেওয়া হবে?
বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, একাদশ অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা থাকলে, সেটা হয়তো নাসির হোসেনের জায়গায় মুমিনুল হক। প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে নাসির ২৩ রান করলেও পরিস্থিতির দাবি মিটিয়ে ব্যাটিং করতে পারেননি। দ্বিতীয় ইনিংসে সাজঘরে ফিরেছেন কোনো রান না করেই। অন্যদিকে, মুমিনুলকে দলে অন্তর্ভুক্তির দাবি উঠেছে ঢাকা টেস্টের আগ থেকে। মুমিনুলের টেস্ট পরিসংখ্যানও তাঁর পক্ষে। কিন্তু এরপরও দুই পেসার নিয়ে সেই প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

মোস্তাফিজ এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পেসার হলেও ঢাকা টেস্টের পরিসংখ্যান শফিউলের পক্ষে। তবে সেটা ভিন্ন ভূমিকায়। বাংলাদেশের দুই ইনিংস মিলিয়ে তাঁর ২২ রান কিন্তু ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী ‘অমূল্য’। তবে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে মোস্তাফিজের তুলনায় রান বেশি দিয়েছেন শফিউল। কিন্তু খেলা হবে স্পিনবান্ধব উইকেটে, যেখানে বাংলাদেশি পেসারদের ভূমিকা প্রায় থাকবে না বললেই চলে। সে ক্ষেত্রে যদি এক পেসার খেলানোর সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে পাল্লাটা কিন্তু শফিউলের দিকেই বেশি ঝুলে থাকবে। কেননা, লো স্কোরিং টেস্টে শেষের দিকে ব্যাট হাতে ১৫-২০ রান অনেক ক্ষেত্রেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
ব্যাটসম্যানদের ক্ষেত্রেও একটা ‘সমস্যা’ রয়েছে। সেটা অবশ্যই ব্যাটিং পজিশন নিয়ে। ধরে নেওয়া যাক, চট্টগ্রাম টেস্টে নাসিরের বদলে দলে ঢুকলেন মুমিনুল। সে ক্ষেত্রে মুমিনুল ব্যাটিং করবেন কোন পজিশনে, নিশ্চয়ই নাসিরের পজিশনে নয়! টেস্ট গড়ে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যানটির জন্য ৩ কিংবা ৪ নম্বর পজিশনই বেশি মানানসই। তাহলে সাব্বির রহমানকে নেমে আসতে হবে ৬ কিংবা ৭ নম্বর পজিশনে। এ ক্ষেত্রে সংকট কিংবা সুবিধা যা-ই বলুন না কেন, ৩ কিংবা ৭—যেকোনো পজিশনেই সাব্বিরের ব্যাটিং স্টাইল কিন্তু একই রকম!
জয়ী দল অপরিবর্তিত রাখার ইঙ্গিত থাকায় চট্টগ্রামেও হয়তো ওপেনিংয়ে তামিমের সঙ্গী হবেন সৌম্য। মুমিনুল স্কোয়াডে সুযোগ পেলে ইমরুল কায়েসের সঙ্গে হয়তো ভাগ করে নেবেন ৩ ও ৪ নম্বর ব্যাটিং পজিশন।