ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

খাটের নিচ থেকে ভাইবোনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ভাইবোনকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামে প্রবাসী কামাল মিয়ার বাড়ির খাটের নিচ থেকে তাদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত দুজনের নাম শিপা আক্তার (১৪) ও কামরুল। শিপা বাঞ্ছারামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর কামরুল সলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, দোতলা বিশিষ্ট বাড়িতে প্রবাস ফেরত কামাল মিয়া, তার স্ত্রী, দুই ছেলেমেয়ে ছাড়া কেউ থাকত না। কামাল গত ১০ ফেব্রুয়ারি দেশে আসেন। বেশ কিছু দিন ধরে কামালের শ্যালক বাদল মিয়া এই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। বাদলের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার খাদেরপুর গ্রামে। একটি মারামারির মামলায় আসামি হওয়ায় বোনের বাড়িতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন বাদল।

নিহতদের বাবা কামাল মিয়ার আত্মীয় মো. আসিফ জানান, বাদল মিয়া তার বোনদের কাছ থেকে বিদেশ যাওয়ার জন্য ১৪-১৫ লাখ টাকা ধার নেয়। এরপর কিছুদিন বিদেশ থাকে। বিদেশে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করবে, এমন আশ্বাস দিয়েই টাকা ধার নেয়। সম্প্রতি লকডাউনের কারণে বিদেশ থেকে চলে আসেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সোমবার কামাল মিয়াকে ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল বাদলের। এদিন রাতেই কামাল মিয়ার দুই শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটলো। এদিন বাদলও বাড়িতেই অবস্থান করছিল।

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহউদ্দিন জানান, ঘটনার পর থেকে মামা বাদল মিয়া পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করা গেলেই হত্যার প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে। পুলিশের তিনটি টিম সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এর রহস্য উদঘাটন করা হবে। দুপুরে নিহতদের ময়নাতদন্ত জেলা সদর হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

খাটের নিচ থেকে ভাইবোনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৯:১৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ভাইবোনকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামে প্রবাসী কামাল মিয়ার বাড়ির খাটের নিচ থেকে তাদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত দুজনের নাম শিপা আক্তার (১৪) ও কামরুল। শিপা বাঞ্ছারামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর কামরুল সলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, দোতলা বিশিষ্ট বাড়িতে প্রবাস ফেরত কামাল মিয়া, তার স্ত্রী, দুই ছেলেমেয়ে ছাড়া কেউ থাকত না। কামাল গত ১০ ফেব্রুয়ারি দেশে আসেন। বেশ কিছু দিন ধরে কামালের শ্যালক বাদল মিয়া এই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। বাদলের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার খাদেরপুর গ্রামে। একটি মারামারির মামলায় আসামি হওয়ায় বোনের বাড়িতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন বাদল।

নিহতদের বাবা কামাল মিয়ার আত্মীয় মো. আসিফ জানান, বাদল মিয়া তার বোনদের কাছ থেকে বিদেশ যাওয়ার জন্য ১৪-১৫ লাখ টাকা ধার নেয়। এরপর কিছুদিন বিদেশ থাকে। বিদেশে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করবে, এমন আশ্বাস দিয়েই টাকা ধার নেয়। সম্প্রতি লকডাউনের কারণে বিদেশ থেকে চলে আসেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সোমবার কামাল মিয়াকে ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল বাদলের। এদিন রাতেই কামাল মিয়ার দুই শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটলো। এদিন বাদলও বাড়িতেই অবস্থান করছিল।

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহউদ্দিন জানান, ঘটনার পর থেকে মামা বাদল মিয়া পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করা গেলেই হত্যার প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে। পুলিশের তিনটি টিম সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এর রহস্য উদঘাটন করা হবে। দুপুরে নিহতদের ময়নাতদন্ত জেলা সদর হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।