ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

খাটের নিচ থেকে ভাইবোনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ভাইবোনকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামে প্রবাসী কামাল মিয়ার বাড়ির খাটের নিচ থেকে তাদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত দুজনের নাম শিপা আক্তার (১৪) ও কামরুল। শিপা বাঞ্ছারামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর কামরুল সলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, দোতলা বিশিষ্ট বাড়িতে প্রবাস ফেরত কামাল মিয়া, তার স্ত্রী, দুই ছেলেমেয়ে ছাড়া কেউ থাকত না। কামাল গত ১০ ফেব্রুয়ারি দেশে আসেন। বেশ কিছু দিন ধরে কামালের শ্যালক বাদল মিয়া এই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। বাদলের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার খাদেরপুর গ্রামে। একটি মারামারির মামলায় আসামি হওয়ায় বোনের বাড়িতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন বাদল।

নিহতদের বাবা কামাল মিয়ার আত্মীয় মো. আসিফ জানান, বাদল মিয়া তার বোনদের কাছ থেকে বিদেশ যাওয়ার জন্য ১৪-১৫ লাখ টাকা ধার নেয়। এরপর কিছুদিন বিদেশ থাকে। বিদেশে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করবে, এমন আশ্বাস দিয়েই টাকা ধার নেয়। সম্প্রতি লকডাউনের কারণে বিদেশ থেকে চলে আসেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সোমবার কামাল মিয়াকে ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল বাদলের। এদিন রাতেই কামাল মিয়ার দুই শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটলো। এদিন বাদলও বাড়িতেই অবস্থান করছিল।

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহউদ্দিন জানান, ঘটনার পর থেকে মামা বাদল মিয়া পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করা গেলেই হত্যার প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে। পুলিশের তিনটি টিম সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এর রহস্য উদঘাটন করা হবে। দুপুরে নিহতদের ময়নাতদন্ত জেলা সদর হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল, মুক্তিতে নেই বাধা

খাটের নিচ থেকে ভাইবোনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৯:১৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ভাইবোনকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামে প্রবাসী কামাল মিয়ার বাড়ির খাটের নিচ থেকে তাদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত দুজনের নাম শিপা আক্তার (১৪) ও কামরুল। শিপা বাঞ্ছারামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর কামরুল সলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, দোতলা বিশিষ্ট বাড়িতে প্রবাস ফেরত কামাল মিয়া, তার স্ত্রী, দুই ছেলেমেয়ে ছাড়া কেউ থাকত না। কামাল গত ১০ ফেব্রুয়ারি দেশে আসেন। বেশ কিছু দিন ধরে কামালের শ্যালক বাদল মিয়া এই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। বাদলের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার খাদেরপুর গ্রামে। একটি মারামারির মামলায় আসামি হওয়ায় বোনের বাড়িতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন বাদল।

নিহতদের বাবা কামাল মিয়ার আত্মীয় মো. আসিফ জানান, বাদল মিয়া তার বোনদের কাছ থেকে বিদেশ যাওয়ার জন্য ১৪-১৫ লাখ টাকা ধার নেয়। এরপর কিছুদিন বিদেশ থাকে। বিদেশে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করবে, এমন আশ্বাস দিয়েই টাকা ধার নেয়। সম্প্রতি লকডাউনের কারণে বিদেশ থেকে চলে আসেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সোমবার কামাল মিয়াকে ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল বাদলের। এদিন রাতেই কামাল মিয়ার দুই শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটলো। এদিন বাদলও বাড়িতেই অবস্থান করছিল।

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহউদ্দিন জানান, ঘটনার পর থেকে মামা বাদল মিয়া পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করা গেলেই হত্যার প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে। পুলিশের তিনটি টিম সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এর রহস্য উদঘাটন করা হবে। দুপুরে নিহতদের ময়নাতদন্ত জেলা সদর হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।