ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ প্রতিটি ক্লাশরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, শ্রেণিকক্ষেই স্কুলছাত্রের বিষপান খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম জুলাইয়ের ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা দেশে ফিরলে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে: রুমিন ফারহানা ‘বিশ্বমানের প্রাথমিক শিক্ষা গড়তে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার’ প্রধানমন্ত্রীর সৌদি সফরে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন গতির সঞ্চার হবে : হুমায়ুন কবির প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

‘আত্মসমর্পণ করবেন’ ওসি প্রদীপ, নেয়া হচ্ছে কক্সবাজার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানার প্রত্যাহারকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাস ‘আত্মসমর্পণ করবেন’। তাকে পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজারে নেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের দামপাড়া বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে এসেছিলেন প্রদীপ কুমার দাস। তাকে এখন পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজারে নেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান জানান, ওসি প্রদীপ কুমার দাস যেহেতু মামলার আসামি, তিনি কক্সবাজারে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। তাকে পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজারে নেয়া হচ্ছে।

এর আগে টেকনাফ উপজেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারহার আদালতে ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করে মামলা করেন তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারহার আদালতে মামলাটি করা হয়।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানার ওসিকে এজাহারের ধারা অনুযায়ী হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি মামলাটি রেকর্ড করে সাত দিনের মধ্যে আদালতকে অবগত করার আদেশও দেয়া হয়।

এ বিষয় বাদীপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবির বাবুল ও মোহাম্মদ মোস্তফা জানান, মামলা রেকর্ডের পর কক্সবাজারের র্যা ব-১৫ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার আজিম আহমেদকে তদন্ত করার নির্দেশও দেন আদালত। মামলার এজাহারে প্রধান আসামি করা হয়েছে টেকনাফ বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীকে।

২নং আসামি করা হয়েছে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে।

এ ছাড়া অন্য ৭ আসামি হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা।

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদের মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি হয়। পরে ওই তদন্ত কমিটি উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে পুনরায় গঠিত হয়। তদন্ত কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজানুর রহমানকে।

পাশাপাশি কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপপুলিশ মহাপরিদর্শকের মনোনীত অতিরিক্ত ডিআইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মোহাম্মদ জাকির হোসেন, রামু-১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজারের এরিয়া কমান্ডারের মনোনীত লে. কর্নেল এসএম সাজ্জাদ ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিএম) মো. শাহাজান আলী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ

‘আত্মসমর্পণ করবেন’ ওসি প্রদীপ, নেয়া হচ্ছে কক্সবাজার

আপডেট সময় ০৪:৩০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানার প্রত্যাহারকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাস ‘আত্মসমর্পণ করবেন’। তাকে পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজারে নেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের দামপাড়া বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে এসেছিলেন প্রদীপ কুমার দাস। তাকে এখন পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজারে নেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান জানান, ওসি প্রদীপ কুমার দাস যেহেতু মামলার আসামি, তিনি কক্সবাজারে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। তাকে পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজারে নেয়া হচ্ছে।

এর আগে টেকনাফ উপজেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারহার আদালতে ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করে মামলা করেন তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারহার আদালতে মামলাটি করা হয়।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানার ওসিকে এজাহারের ধারা অনুযায়ী হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি মামলাটি রেকর্ড করে সাত দিনের মধ্যে আদালতকে অবগত করার আদেশও দেয়া হয়।

এ বিষয় বাদীপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবির বাবুল ও মোহাম্মদ মোস্তফা জানান, মামলা রেকর্ডের পর কক্সবাজারের র্যা ব-১৫ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার আজিম আহমেদকে তদন্ত করার নির্দেশও দেন আদালত। মামলার এজাহারে প্রধান আসামি করা হয়েছে টেকনাফ বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীকে।

২নং আসামি করা হয়েছে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে।

এ ছাড়া অন্য ৭ আসামি হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা।

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদের মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি হয়। পরে ওই তদন্ত কমিটি উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে পুনরায় গঠিত হয়। তদন্ত কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজানুর রহমানকে।

পাশাপাশি কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপপুলিশ মহাপরিদর্শকের মনোনীত অতিরিক্ত ডিআইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মোহাম্মদ জাকির হোসেন, রামু-১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজারের এরিয়া কমান্ডারের মনোনীত লে. কর্নেল এসএম সাজ্জাদ ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিএম) মো. শাহাজান আলী।