অাকাশ বিনোদন ডেস্ক:
এখন তো আমার ঈদ ভাগ হয়ে গেছে। বাবার মা ও শ্বশুর শাশুড়ি সবাইকে নিয়ে ঈদ পালন করি। বেশ ক’বছর ধরেই নিজের আয়ের টাকা দিয়ে কোরবানি দেই। দারুণ প্রশান্তি লাগে।
এবার ঈচ্ছে ছিল কোরবানির টাকা বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের সাহায্যে পাঠিয়ে দেই। পরে ভেবেছি তাদের সাহায্য করলেও কোরবানি দিতে হবে, দেব।
ঈদের দিন বাহারি আইটেমের রান্না নিয়ে ব্যস্ত থাকব। বিকালের দিকে বের হব। বন্ধুদের সঙ্গেই বের হব। মন যেদিকে চায় ঘুরব। আবার আত্মীয়দের বাড়িতেও বেড়াতে যাব। সিনেমাও দেখতে পারি। এখন তো আর সাধারণ মানুষের মতো ঘুরতে পারি না। তাই মাঝে মাঝে খারাপ লাগে। অনেকটা লুকিয়ে ঘুরতে হয়।
আমার কাছে শৈশবের ঈদই আসল ঈদ। এখন হল দায়িত্ব পালন। তবে এখনও আনন্দ আছে। সেটা শৈশবের ঈদের মতো নয়। এখন কাজের ব্যস্ততা বাড়ছে। চাইলেও তাই আগের মতো ফ্রি হয়ে ঘুরতে ফিরতে পারি না।
এই যেমন ঈদের আগে রাত জেগে সবাই কত আনন্দ করে মেহেদি দিতাম, এখন তো সেটা হয় না। এখন বাবা মায়ের আগের মতো শাসন না থাকলেও নিজেই নিজের শাসনকর্তা বনে গেছি।
আগে শপিংয়ের জন্য অপেক্ষা করতাম। কখন বাবা জামা কিনে দেবে। এখন আমি কিনে দেব বলে অনেকেই অপেক্ষায় থাকে। এটিও এক ধরনের আনন্দ।
আসলে সময় চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের আনন্দ নেয়ার মাধ্যমও বদলায়। বদলে যাওয়া সময়ের সঙ্গে আগের সময়ের তুলনা করা বোকামি। এখন যেভাবে যে স্থানে আছি সে স্থান থেকেই সুখে থাকতে হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























