ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রূপার মরদেহ উত্তোলন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর খুন হওয়া জাকিয়া সুলতানা রূপার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুর রহিম সুজনের উপস্থিতিতে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়।

সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন হওয়ার চারদিন পর নিহত রূপার পরিবারের পক্ষ থেকে মধুপুর থানা পুলিশের কাছে মরদেহ উত্তোলনের আবেদন করা হয়। পরে থানা পুলিশ আদালতে মরদেহ উত্তোলনের আবেদন করে। বৃহস্পতিবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন মরদেহটি উত্তোলনের আদেশ দেন।

বিকেলে রূপার মরদেহ উত্তোলনের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের পক্ষে নিহতের বড় ভাই হাফিজুর রহমান প্রামাণিক মরদেহটি বুঝে নেন। রূপার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার আছানবাড়ী গ্রামে। তাকে ওই গ্রামেই দাফন করা হবে।

শারীরিকভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করে অপরাধীরা নিরাপদ ভেবে অজ্ঞাত ওই তরুণীর মরদেহ বনের সড়কে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় শনিবার একটি হত্যা মামলা দায়ের করে মধুপুর থানা পুলিশ। মরদেহের পরিচয় না মেলায় ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার বেওয়ারিশ মরদেহ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করে পুলিশ। এরপর থেকে অপরাধীদের শনাক্ত করার জোর চেষ্টা চালায় তারা। পরে তরুণীর বড় ভাই গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে সোমবার রাতে মধুপুর থানায় উপস্থিত হয়ে মরদেহের ছবি দেখে পরিচয় শনাক্ত করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপার মরদেহ উত্তোলন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

আপডেট সময় ০৫:৪৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর খুন হওয়া জাকিয়া সুলতানা রূপার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুর রহিম সুজনের উপস্থিতিতে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়।

সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন হওয়ার চারদিন পর নিহত রূপার পরিবারের পক্ষ থেকে মধুপুর থানা পুলিশের কাছে মরদেহ উত্তোলনের আবেদন করা হয়। পরে থানা পুলিশ আদালতে মরদেহ উত্তোলনের আবেদন করে। বৃহস্পতিবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন মরদেহটি উত্তোলনের আদেশ দেন।

বিকেলে রূপার মরদেহ উত্তোলনের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের পক্ষে নিহতের বড় ভাই হাফিজুর রহমান প্রামাণিক মরদেহটি বুঝে নেন। রূপার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার আছানবাড়ী গ্রামে। তাকে ওই গ্রামেই দাফন করা হবে।

শারীরিকভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করে অপরাধীরা নিরাপদ ভেবে অজ্ঞাত ওই তরুণীর মরদেহ বনের সড়কে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় শনিবার একটি হত্যা মামলা দায়ের করে মধুপুর থানা পুলিশ। মরদেহের পরিচয় না মেলায় ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার বেওয়ারিশ মরদেহ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করে পুলিশ। এরপর থেকে অপরাধীদের শনাক্ত করার জোর চেষ্টা চালায় তারা। পরে তরুণীর বড় ভাই গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে সোমবার রাতে মধুপুর থানায় উপস্থিত হয়ে মরদেহের ছবি দেখে পরিচয় শনাক্ত করেন।