ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

ডা. রকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি জমিরের জবানবন্দি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনদের হামলায় আহত হওয়ার একদিন পর মারা যাওয়া ডা. রকিব খান হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রধান আসামি জমির শেখ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুস সামাদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। অপর দুই আসামি আবু আলী ও গোলাম মোস্তফাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর তাদের থানা হাজতে নেওয়া হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আদালত আসামি রহিমের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিনি এখন থানায় রিমান্ডে রয়েছেন।

খুলনার রাইসা ক্লিনিকের পরিচালক ডা. রকিব খান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) বি এম মনিরুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, ডা. রকিব খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি জমির শুক্রবার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। অপর দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জবানবন্দি শেষে জমিরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এসআই মনিরুজ্জামান জানান, গত বৃহস্পতিবার মামলার আসামি খাদিজা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। এ ঘটনার সময় তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন বলেও স্বীকার করেন।

নগরের মোহাম্মদ নগরের পল্লবী সড়কের বাসিন্দা আবুল আলীর স্ত্রী শিউলী বেগমকে ১৪ জুন সিজারের জন্য রাইসা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ওইদিন বিকেল ৫টায় অপারেশন হয়। বাচ্চা ও মা প্রথমে সুস্থ ছিলেন। পরে রোগীর রক্তক্ষরণ হলে গত ১৫ জুন সকালে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানের চিকিৎসকরাও রোগীর রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে না পেরে ঢাকায় রেফার্ড করেন। ঢাকায় নেওয়ার পথে ১৫ জুন রাতে শিউলী বেগম মারা যান।

এ ঘটনায় নিহত রোগীর স্বজনরা গত ১৫ জুন রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে ডা. রকিবকে লাথি, ঘুষি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তার মাথার পেছনে জখম হয়। তাকে প্রথমে গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে শেখ আবু নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে গত ১৬ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

গত ১৭ জুন নিহতের ছোট ভাই খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। হত্যার ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডা. রকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি জমিরের জবানবন্দি

আপডেট সময় ০৭:২১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনদের হামলায় আহত হওয়ার একদিন পর মারা যাওয়া ডা. রকিব খান হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রধান আসামি জমির শেখ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুস সামাদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। অপর দুই আসামি আবু আলী ও গোলাম মোস্তফাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর তাদের থানা হাজতে নেওয়া হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আদালত আসামি রহিমের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিনি এখন থানায় রিমান্ডে রয়েছেন।

খুলনার রাইসা ক্লিনিকের পরিচালক ডা. রকিব খান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) বি এম মনিরুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, ডা. রকিব খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি জমির শুক্রবার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। অপর দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জবানবন্দি শেষে জমিরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এসআই মনিরুজ্জামান জানান, গত বৃহস্পতিবার মামলার আসামি খাদিজা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। এ ঘটনার সময় তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন বলেও স্বীকার করেন।

নগরের মোহাম্মদ নগরের পল্লবী সড়কের বাসিন্দা আবুল আলীর স্ত্রী শিউলী বেগমকে ১৪ জুন সিজারের জন্য রাইসা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ওইদিন বিকেল ৫টায় অপারেশন হয়। বাচ্চা ও মা প্রথমে সুস্থ ছিলেন। পরে রোগীর রক্তক্ষরণ হলে গত ১৫ জুন সকালে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানের চিকিৎসকরাও রোগীর রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে না পেরে ঢাকায় রেফার্ড করেন। ঢাকায় নেওয়ার পথে ১৫ জুন রাতে শিউলী বেগম মারা যান।

এ ঘটনায় নিহত রোগীর স্বজনরা গত ১৫ জুন রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে ডা. রকিবকে লাথি, ঘুষি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তার মাথার পেছনে জখম হয়। তাকে প্রথমে গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে শেখ আবু নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে গত ১৬ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

গত ১৭ জুন নিহতের ছোট ভাই খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। হত্যার ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।