ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

শুধু বাংলাদেশ নয়, এক আফ্রিকান দেশের সরকারি ভাষাও বাংলা!

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশ, সারা বিশ্বে একমাত্র দেশ যার মাতৃভাষার সাথে সাথে রাষ্ট্রীয় ভাষাটাও বাংলা। সারাদেশের যে অঞ্চলেই যাওয়া হোক না কেন প্রতিটি মানুষ বাংলা বোঝেন, জানেন এবং কথা বলেন। এ নিয়ে গর্বের অন্ত নেই বাঙালিদের। ভাষার নামেই দেশের নাম। বিশ্বের আর কোনো দেশে রাষ্ট্রভাষা কিংবা সরকারি ভাষা বাংলা নেই, এমনটাই ধারণা ছিল প্রত্যেকের। কিন্তু তা ভুল! আফ্রিকার একটি প্রায় নাম না-জানা দেশের অন্যতম সরকারি ভাষাও বাংলা!

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলবর্তী একটি দেশ সিয়েরা লিওন। এই দেশটি পরিচিত টাইটানিয়াম এবং বক্সাইট উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে। তাছাড়াও সোনা এবং হিরে উৎপাদনেও এগিয়ে সিয়েরা লিওন। আটলান্টিক মহাসাগরের পাশের এই দেশের অন্যতম সরকারি ভাষা বাংলা। কিন্তু তা বলে এটাও নয় যে, সে দেশের সব মানুষ বাংলায় কথা বলেন।

১৯৬১ সালে স্বাধীন হয় সিয়েরা লিওন। স্বাধীনতার ৩০ বছরের মাথায়, ১৯৯১ সালে, প্রবল দুর্নীতি এবং দেশের সম্পদ লুটপাটের প্রতিবাদে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় দেশটিতে। ২০০২ সাল পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলে।

গৃহযুদ্ধ থামাতেই হস্তক্ষেপ করে জাতিসংঘ এবং এই পর্যায়েই জাতিসংঘ প্রতিনিধি হিসেবে সিয়েরা লিওনে আসেন প্রায় ৫৩০০ জন বাংলাদেশি সেনা।

পিসকর্পের অবদানেই শেষ পর্যন্ত শান্তি ফিরে আসে সিয়েরা লিওনে এবং এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই সেদেশের রাষ্ট্রপতি আলহাজ আহমেদ তেজান কাবাহ্ ২০০২ সালে ‘বাংলা’ ভাষাকে সিয়েরা লিওনের ‘সম্মানিক সরকারি ভাষা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। সিয়েরা লিওন বাংলাদেশের পর একমাত্র রাষ্ট্র, যেখানে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সংবিধান সংশোধন কমিটিতে সর্বোচ্চ অর্জন প্রত্যাশা আসিফ নজরুলের

শুধু বাংলাদেশ নয়, এক আফ্রিকান দেশের সরকারি ভাষাও বাংলা!

আপডেট সময় ০২:৪৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশ, সারা বিশ্বে একমাত্র দেশ যার মাতৃভাষার সাথে সাথে রাষ্ট্রীয় ভাষাটাও বাংলা। সারাদেশের যে অঞ্চলেই যাওয়া হোক না কেন প্রতিটি মানুষ বাংলা বোঝেন, জানেন এবং কথা বলেন। এ নিয়ে গর্বের অন্ত নেই বাঙালিদের। ভাষার নামেই দেশের নাম। বিশ্বের আর কোনো দেশে রাষ্ট্রভাষা কিংবা সরকারি ভাষা বাংলা নেই, এমনটাই ধারণা ছিল প্রত্যেকের। কিন্তু তা ভুল! আফ্রিকার একটি প্রায় নাম না-জানা দেশের অন্যতম সরকারি ভাষাও বাংলা!

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলবর্তী একটি দেশ সিয়েরা লিওন। এই দেশটি পরিচিত টাইটানিয়াম এবং বক্সাইট উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে। তাছাড়াও সোনা এবং হিরে উৎপাদনেও এগিয়ে সিয়েরা লিওন। আটলান্টিক মহাসাগরের পাশের এই দেশের অন্যতম সরকারি ভাষা বাংলা। কিন্তু তা বলে এটাও নয় যে, সে দেশের সব মানুষ বাংলায় কথা বলেন।

১৯৬১ সালে স্বাধীন হয় সিয়েরা লিওন। স্বাধীনতার ৩০ বছরের মাথায়, ১৯৯১ সালে, প্রবল দুর্নীতি এবং দেশের সম্পদ লুটপাটের প্রতিবাদে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় দেশটিতে। ২০০২ সাল পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলে।

গৃহযুদ্ধ থামাতেই হস্তক্ষেপ করে জাতিসংঘ এবং এই পর্যায়েই জাতিসংঘ প্রতিনিধি হিসেবে সিয়েরা লিওনে আসেন প্রায় ৫৩০০ জন বাংলাদেশি সেনা।

পিসকর্পের অবদানেই শেষ পর্যন্ত শান্তি ফিরে আসে সিয়েরা লিওনে এবং এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই সেদেশের রাষ্ট্রপতি আলহাজ আহমেদ তেজান কাবাহ্ ২০০২ সালে ‘বাংলা’ ভাষাকে সিয়েরা লিওনের ‘সম্মানিক সরকারি ভাষা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। সিয়েরা লিওন বাংলাদেশের পর একমাত্র রাষ্ট্র, যেখানে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।