ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

শুধু বাংলাদেশ নয়, এক আফ্রিকান দেশের সরকারি ভাষাও বাংলা!

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশ, সারা বিশ্বে একমাত্র দেশ যার মাতৃভাষার সাথে সাথে রাষ্ট্রীয় ভাষাটাও বাংলা। সারাদেশের যে অঞ্চলেই যাওয়া হোক না কেন প্রতিটি মানুষ বাংলা বোঝেন, জানেন এবং কথা বলেন। এ নিয়ে গর্বের অন্ত নেই বাঙালিদের। ভাষার নামেই দেশের নাম। বিশ্বের আর কোনো দেশে রাষ্ট্রভাষা কিংবা সরকারি ভাষা বাংলা নেই, এমনটাই ধারণা ছিল প্রত্যেকের। কিন্তু তা ভুল! আফ্রিকার একটি প্রায় নাম না-জানা দেশের অন্যতম সরকারি ভাষাও বাংলা!

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলবর্তী একটি দেশ সিয়েরা লিওন। এই দেশটি পরিচিত টাইটানিয়াম এবং বক্সাইট উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে। তাছাড়াও সোনা এবং হিরে উৎপাদনেও এগিয়ে সিয়েরা লিওন। আটলান্টিক মহাসাগরের পাশের এই দেশের অন্যতম সরকারি ভাষা বাংলা। কিন্তু তা বলে এটাও নয় যে, সে দেশের সব মানুষ বাংলায় কথা বলেন।

১৯৬১ সালে স্বাধীন হয় সিয়েরা লিওন। স্বাধীনতার ৩০ বছরের মাথায়, ১৯৯১ সালে, প্রবল দুর্নীতি এবং দেশের সম্পদ লুটপাটের প্রতিবাদে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় দেশটিতে। ২০০২ সাল পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলে।

গৃহযুদ্ধ থামাতেই হস্তক্ষেপ করে জাতিসংঘ এবং এই পর্যায়েই জাতিসংঘ প্রতিনিধি হিসেবে সিয়েরা লিওনে আসেন প্রায় ৫৩০০ জন বাংলাদেশি সেনা।

পিসকর্পের অবদানেই শেষ পর্যন্ত শান্তি ফিরে আসে সিয়েরা লিওনে এবং এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই সেদেশের রাষ্ট্রপতি আলহাজ আহমেদ তেজান কাবাহ্ ২০০২ সালে ‘বাংলা’ ভাষাকে সিয়েরা লিওনের ‘সম্মানিক সরকারি ভাষা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। সিয়েরা লিওন বাংলাদেশের পর একমাত্র রাষ্ট্র, যেখানে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

শুধু বাংলাদেশ নয়, এক আফ্রিকান দেশের সরকারি ভাষাও বাংলা!

আপডেট সময় ০২:৪৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশ, সারা বিশ্বে একমাত্র দেশ যার মাতৃভাষার সাথে সাথে রাষ্ট্রীয় ভাষাটাও বাংলা। সারাদেশের যে অঞ্চলেই যাওয়া হোক না কেন প্রতিটি মানুষ বাংলা বোঝেন, জানেন এবং কথা বলেন। এ নিয়ে গর্বের অন্ত নেই বাঙালিদের। ভাষার নামেই দেশের নাম। বিশ্বের আর কোনো দেশে রাষ্ট্রভাষা কিংবা সরকারি ভাষা বাংলা নেই, এমনটাই ধারণা ছিল প্রত্যেকের। কিন্তু তা ভুল! আফ্রিকার একটি প্রায় নাম না-জানা দেশের অন্যতম সরকারি ভাষাও বাংলা!

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলবর্তী একটি দেশ সিয়েরা লিওন। এই দেশটি পরিচিত টাইটানিয়াম এবং বক্সাইট উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে। তাছাড়াও সোনা এবং হিরে উৎপাদনেও এগিয়ে সিয়েরা লিওন। আটলান্টিক মহাসাগরের পাশের এই দেশের অন্যতম সরকারি ভাষা বাংলা। কিন্তু তা বলে এটাও নয় যে, সে দেশের সব মানুষ বাংলায় কথা বলেন।

১৯৬১ সালে স্বাধীন হয় সিয়েরা লিওন। স্বাধীনতার ৩০ বছরের মাথায়, ১৯৯১ সালে, প্রবল দুর্নীতি এবং দেশের সম্পদ লুটপাটের প্রতিবাদে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় দেশটিতে। ২০০২ সাল পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলে।

গৃহযুদ্ধ থামাতেই হস্তক্ষেপ করে জাতিসংঘ এবং এই পর্যায়েই জাতিসংঘ প্রতিনিধি হিসেবে সিয়েরা লিওনে আসেন প্রায় ৫৩০০ জন বাংলাদেশি সেনা।

পিসকর্পের অবদানেই শেষ পর্যন্ত শান্তি ফিরে আসে সিয়েরা লিওনে এবং এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই সেদেশের রাষ্ট্রপতি আলহাজ আহমেদ তেজান কাবাহ্ ২০০২ সালে ‘বাংলা’ ভাষাকে সিয়েরা লিওনের ‘সম্মানিক সরকারি ভাষা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। সিয়েরা লিওন বাংলাদেশের পর একমাত্র রাষ্ট্র, যেখানে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।