ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

নির্বাচনে জো বাইডেনই হচ্ছেন ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনই ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হচ্ছেন।

আগস্টে উইসকনসিনে ডেমোক্র্যাটদের জাতীয় কনভেনশনে আনুষ্ঠানিকভাবে বাইডেনের নাম ঘোষিত হবে। খবর আলজাজিরা ও রয়টার্সের।

গতকালই ৩৯৭৯ প্রতিনিধির মধ্যে ১৯৯১ জনের সমর্থন পেয়ে যান এ নেতা। ফলে ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হচ্ছেন সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

বার্নি স্যান্ডার্স হঠাৎ করে নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোয় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে বাইডেনের নামই প্রায় চূড়ান্ত।

স্যান্ডার্স আগেই জানিয়ে ছিলেন, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তার প্রচার দল কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাইডেনের প্রচার দলকে সহায়তা করবে।

বছরের শুরুতে অনেক ডেমোক্র্যাট নেতাই প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার দৌড়ে নাম লিখিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে বরাবরই এগিয়েছিলেন বাইডেন।

ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক বাইডেন জনপ্রিয়তার দিক থেকেও বর্তমান প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে অনেকটাই এগিয়ে।

অবশ্য ট্রাম্পের দাবি, এসব সমীক্ষায় তিনি বিশ্বাসী নন। নভেম্বরে আসল লড়াইয়ে তিনিই জিতবেন বলে আশাবাদী ট্রাম্প। বাইডেনকে তিনি ‘স্লিপি জো’ বলে ডেকে থাকেন।

বাইডেন প্রেসিডেন্ট হলে করের বোঝা বাড়বে বলেও আমেরিকার মানুষকে সতর্ক করেছেন ট্রাম্প। বাইডেনের সীমান্ত নীতিকেও বরাবর আক্রমণ করে এসেছেন তিনি।

তবে বাইডেনও ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়ে বলেছেন– দেশে এখন নেতৃত্বের বড্ড অভাব। এমন এক জননেতা আমাদের প্রয়োজন, যিনি গোটা দেশকে সঙ্ঘবদ্ধ করবেন, যিনি দেশে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।

ডেলাওয়ার স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শুক্রবার বক্তৃতা দিতে গিয়েও ট্রাম্পের আর্থিক নীতির সমলোচনা করেছেন বাইডেন।

তার অভিযোগ, লাখ লাখ মার্কিন নাগরিকের চাকরি খোয়ানোর কোনো দায়ই প্রেসিডেন্ট নিচ্ছেন না। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ফের চাকরিতে যোগদান করলেও প্রেসিডেন্টের কোনো কৃতিত্ব থাকবে না।

আগেও বাইডেন বলেছিলেন, এমন এক প্রেসিডেন্ট আমাদের দরকার, যিনি নাগরিকদের কথা ভাববেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

নির্বাচনে জো বাইডেনই হচ্ছেন ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী

আপডেট সময় ১২:৪২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনই ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হচ্ছেন।

আগস্টে উইসকনসিনে ডেমোক্র্যাটদের জাতীয় কনভেনশনে আনুষ্ঠানিকভাবে বাইডেনের নাম ঘোষিত হবে। খবর আলজাজিরা ও রয়টার্সের।

গতকালই ৩৯৭৯ প্রতিনিধির মধ্যে ১৯৯১ জনের সমর্থন পেয়ে যান এ নেতা। ফলে ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হচ্ছেন সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

বার্নি স্যান্ডার্স হঠাৎ করে নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোয় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে বাইডেনের নামই প্রায় চূড়ান্ত।

স্যান্ডার্স আগেই জানিয়ে ছিলেন, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তার প্রচার দল কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাইডেনের প্রচার দলকে সহায়তা করবে।

বছরের শুরুতে অনেক ডেমোক্র্যাট নেতাই প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার দৌড়ে নাম লিখিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে বরাবরই এগিয়েছিলেন বাইডেন।

ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক বাইডেন জনপ্রিয়তার দিক থেকেও বর্তমান প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে অনেকটাই এগিয়ে।

অবশ্য ট্রাম্পের দাবি, এসব সমীক্ষায় তিনি বিশ্বাসী নন। নভেম্বরে আসল লড়াইয়ে তিনিই জিতবেন বলে আশাবাদী ট্রাম্প। বাইডেনকে তিনি ‘স্লিপি জো’ বলে ডেকে থাকেন।

বাইডেন প্রেসিডেন্ট হলে করের বোঝা বাড়বে বলেও আমেরিকার মানুষকে সতর্ক করেছেন ট্রাম্প। বাইডেনের সীমান্ত নীতিকেও বরাবর আক্রমণ করে এসেছেন তিনি।

তবে বাইডেনও ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়ে বলেছেন– দেশে এখন নেতৃত্বের বড্ড অভাব। এমন এক জননেতা আমাদের প্রয়োজন, যিনি গোটা দেশকে সঙ্ঘবদ্ধ করবেন, যিনি দেশে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।

ডেলাওয়ার স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শুক্রবার বক্তৃতা দিতে গিয়েও ট্রাম্পের আর্থিক নীতির সমলোচনা করেছেন বাইডেন।

তার অভিযোগ, লাখ লাখ মার্কিন নাগরিকের চাকরি খোয়ানোর কোনো দায়ই প্রেসিডেন্ট নিচ্ছেন না। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ফের চাকরিতে যোগদান করলেও প্রেসিডেন্টের কোনো কৃতিত্ব থাকবে না।

আগেও বাইডেন বলেছিলেন, এমন এক প্রেসিডেন্ট আমাদের দরকার, যিনি নাগরিকদের কথা ভাববেন।