ঢাকা ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলায় উপজেলা চেয়ারম্যান-ওসি কারাগারে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় ছাত্রলীগ নেতা ওয়াহিদুজ্জামান শিপলুকে হত্যার মামলায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল এবং তাহিরপুর থানার তৎকালীন ওসিসহ ৭ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। রোববার এই হত্যা মামলার যুক্তিতর্কের ১৭তম কার্যদিবসে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রণয় কুমার দাস আসামিদের কারাগারে পাঠোনোর আদেশ দেন।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, বিএনপি নেতা জুনাব আলী, তাহিরপুর থানার তৎকালীন ওসি শরিফ উদ্দিন, তৎকালীন এসআই রফিক, যুবদল নেতা শাহীন মিয়া ও শাহাজাহান মিয়া। ২০০২ সালের ২০ মার্চ রাতে তাহিরপুর উপজেলার ভাটি তাহিরপুর গ্রামে (মামার বাড়ীতে) তাহিরপুর জয়নাল আবেদীন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান শিপলু গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলেন।

রোববার মামলার শুনানিতে বাদীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আপ্তাব উদ্দিন ও জহুর আলী। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী ও ফারুক আহমদ। পিপি অ্যাভোকেট খায়রুল কবির রুমেন জানান, আগামী ৩১ আগস্ট এই মামলার রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে। রায় হওয়া পর্যন্ত আসামিরা কারাগারে থাকবেন বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জের বাসিন্দা মো. বদরুজ্জামানের ছেলে ওয়াহিদুজ্জামান শিপলু তাহিরপুর উপজেলার তৎকালীন কৃষক লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলামের ভাগ্নে ২০০২ সালে মামা শফিকুল ইসলামের বাড়িতে থেকেই উপজেলার জয়নাল আবেদীন কলেজে পড়াশুনা করতেন।

২০ মার্চ রাত ৩ টায় তৎকালীন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি, বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামার কামরুল, তৎকালীন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে সভাপতি মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, বিএনপি নেতা জুনাব আলী, তৎকালীন তাহিরপুর থানার ওসি শরিফ উদ্দিন, এসআই রফিক, তৎকালীন স্থানীয় ছাত্রদল নেতা শাহীন মিয়া ও শাজাহান মিয়া ভাটি তাহিরপুরের শফিকুল ইসলামের বাড়িতে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শফিকুল ইসলাম বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। পুলিশ ও ছাত্রদল নেতারা ওয়াহিদুজ্জামান শিপলুকে আটক করেন। এসময় ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় শিপলু।

এ ঘটনার ২ দিন পর ২৩ মার্চ শিপলু’র মা আমিরুনন্নেছা বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলা আমলে নেয়। ২০০৩ সালে মামলাটি জেলা জজ আদালতে স্থানান্তর হয়। জেলা ও দায়রা জজ ২০০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলায় উপজেলা চেয়ারম্যান-ওসি কারাগারে

আপডেট সময় ০১:৪১:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় ছাত্রলীগ নেতা ওয়াহিদুজ্জামান শিপলুকে হত্যার মামলায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল এবং তাহিরপুর থানার তৎকালীন ওসিসহ ৭ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। রোববার এই হত্যা মামলার যুক্তিতর্কের ১৭তম কার্যদিবসে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রণয় কুমার দাস আসামিদের কারাগারে পাঠোনোর আদেশ দেন।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, বিএনপি নেতা জুনাব আলী, তাহিরপুর থানার তৎকালীন ওসি শরিফ উদ্দিন, তৎকালীন এসআই রফিক, যুবদল নেতা শাহীন মিয়া ও শাহাজাহান মিয়া। ২০০২ সালের ২০ মার্চ রাতে তাহিরপুর উপজেলার ভাটি তাহিরপুর গ্রামে (মামার বাড়ীতে) তাহিরপুর জয়নাল আবেদীন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান শিপলু গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলেন।

রোববার মামলার শুনানিতে বাদীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আপ্তাব উদ্দিন ও জহুর আলী। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী ও ফারুক আহমদ। পিপি অ্যাভোকেট খায়রুল কবির রুমেন জানান, আগামী ৩১ আগস্ট এই মামলার রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে। রায় হওয়া পর্যন্ত আসামিরা কারাগারে থাকবেন বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জের বাসিন্দা মো. বদরুজ্জামানের ছেলে ওয়াহিদুজ্জামান শিপলু তাহিরপুর উপজেলার তৎকালীন কৃষক লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলামের ভাগ্নে ২০০২ সালে মামা শফিকুল ইসলামের বাড়িতে থেকেই উপজেলার জয়নাল আবেদীন কলেজে পড়াশুনা করতেন।

২০ মার্চ রাত ৩ টায় তৎকালীন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি, বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামার কামরুল, তৎকালীন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে সভাপতি মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, বিএনপি নেতা জুনাব আলী, তৎকালীন তাহিরপুর থানার ওসি শরিফ উদ্দিন, এসআই রফিক, তৎকালীন স্থানীয় ছাত্রদল নেতা শাহীন মিয়া ও শাজাহান মিয়া ভাটি তাহিরপুরের শফিকুল ইসলামের বাড়িতে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শফিকুল ইসলাম বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। পুলিশ ও ছাত্রদল নেতারা ওয়াহিদুজ্জামান শিপলুকে আটক করেন। এসময় ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় শিপলু।

এ ঘটনার ২ দিন পর ২৩ মার্চ শিপলু’র মা আমিরুনন্নেছা বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলা আমলে নেয়। ২০০৩ সালে মামলাটি জেলা জজ আদালতে স্থানান্তর হয়। জেলা ও দায়রা জজ ২০০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠায়।