অাকাশ নিউজ ডেস্ক:
আল্লাহ তাআলা প্রিয়নবী (সা:) কে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ পাঠিয়েছেন। তাকে কেন্দ্র করেই সমগ্র পৃথিবীর সৃষ্টি। আল্লাহ তাআলার মহা অনুগ্রহ যে, তিনি মানুষকে প্রিয়নবীর প্রতি দরূদ পাঠের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন। এ দরূদ পাঠেই মানুষের ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি পায়। অধিক দরূদ পাঠকারীর সঙ্গে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিদার নসিব হয়ে যায়।
দরূদ শরিফের মধ্যে সর্বোত্তম দরূদ হলো ‘দরূদে ইব্রাহিম’। যেটি মুসলিম উম্মাহ নামাজের তাশাহহুদে পড়ে। কিন্তু প্রিয়নবির জিয়ারতে ধন্য হতে অনেক ছোট্ট একটি দরূদও রয়েছে। যা পড়েই প্রিয়নবী (সা:) জিয়ারত বা দিদার লাভের চেষ্টা সাধনায় আত্মনিয়োগ করা যায়।
উচ্চারণ: ‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।’
দরূদ পাঠের ফজিলত-
১. যে ব্যক্তি হাশরের ময়দানে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে থাকতে চান, সে যেন বেশি বেশি দরূদ পাঠ করেন।
২. যে ব্যক্তি মহব্বতের সঙ্গে বেশি বেশি দরূদ পাঠ করবে, আল্লহ তাআলা দরূদের বরকতে ওই ব্যক্তিকে স্বপ্নযোগে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জিয়ারত নসিব করে দেন।
৩. যে ব্যক্তি প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মহব্বতে বেশি বেশি দরূদ পাঠ করবে, তাঁর জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুপারিশ আবশ্যক হয়ে যায়।
৪. বেশি বেশি দরূদ পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা বান্দার সব চাওয়া-পাওয়া কবুল করেন।
আল্লাহ আছেন ধৈর্য্যশীলদের সাথে
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























