ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষ তার ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত: তারেক রহমান এ নির্বাচন তাদের লড়াইয়ের ফসল যারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে:নাহিদ ভিন্ন ধারার রাজনীতি করা সম্ভব, প্রমাণ করতে চাই: তাসনিম জারা এবারের নির্বাচন নিয়মরক্ষার নয়, এটি জনগণের প্রত্যাশা রক্ষার দায়িত্ব : ইসি সানাউল্লাহ গুম ‘মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ’: বিচারপতি মঈনুল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে: সালাহউদ্দিন ভুটানকে ১২ গোলে উড়িয়ে সাফে দারুণ শুরু বাংলাদেশের ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২৭ তিন মাসের মাথায় ফের ‘শাটডাউনে’ মার্কিন সরকার মাঠে থাকুন, মানুষের পাশে দাঁড়ান: নেতাকর্মীদের তারেক রহমান

৫ বছরের ছেলেকে হত্যা করেছেন তার্কিশ ফুটবলার

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মাত্র ৫ বছর বয়সী ছেলেকে হত্যা করেছেন তার্কিশ ফুটবলার শেভার তোক্তাস। বিষয়টি তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন।

এর আগে গত ২৩ এপ্রিল বুরাস ইলদিরিম স্পোর ফুটবলার করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে তার ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তোক্তাস মেডিকেল স্টাফদের বলেন, তার ছেলের নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। তবে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হলেও, ছেলের মৃ্ত্যু ঘটে।

কিন্তু ছেলে মৃত্যুর কয়েকদিন পরেই তোক্তাস পুলিশের কাছে যান ও স্বীকার করেন তিনিই তার ছেলেকে হত্যা করেছেন। যার একমাত্র কারণ তিনি এই ছেলেকে পছন্দ করেন না।

তোক্তাস পুলিশের কাছে বলেন, ‘আমি ঘুমে থাকা আমার ছেলের মুখের ওপর বালিশ চাপা দেই এবং ১৫ মিনিট ধরে আমি চেপে ধরে রাখি। তার জন্মের পর থেকে আমি তাকে কখনো চাইনি। তবে আমি জানি না কেন আমি তাকে চাইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাকে হত্যা করার একটাই কারণ, আমি তাকে চাইনি। আমার কোনো মানসিক সমস্যাও নেই।’

তোক্তাসকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ও তার ওপর হত্যার অভিযোগে আনা হয়েছে। আর এর বিচারে যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে তার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানুষ তার ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত: তারেক রহমান

৫ বছরের ছেলেকে হত্যা করেছেন তার্কিশ ফুটবলার

আপডেট সময় ০৯:০০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মাত্র ৫ বছর বয়সী ছেলেকে হত্যা করেছেন তার্কিশ ফুটবলার শেভার তোক্তাস। বিষয়টি তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন।

এর আগে গত ২৩ এপ্রিল বুরাস ইলদিরিম স্পোর ফুটবলার করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে তার ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তোক্তাস মেডিকেল স্টাফদের বলেন, তার ছেলের নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। তবে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হলেও, ছেলের মৃ্ত্যু ঘটে।

কিন্তু ছেলে মৃত্যুর কয়েকদিন পরেই তোক্তাস পুলিশের কাছে যান ও স্বীকার করেন তিনিই তার ছেলেকে হত্যা করেছেন। যার একমাত্র কারণ তিনি এই ছেলেকে পছন্দ করেন না।

তোক্তাস পুলিশের কাছে বলেন, ‘আমি ঘুমে থাকা আমার ছেলের মুখের ওপর বালিশ চাপা দেই এবং ১৫ মিনিট ধরে আমি চেপে ধরে রাখি। তার জন্মের পর থেকে আমি তাকে কখনো চাইনি। তবে আমি জানি না কেন আমি তাকে চাইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাকে হত্যা করার একটাই কারণ, আমি তাকে চাইনি। আমার কোনো মানসিক সমস্যাও নেই।’

তোক্তাসকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ও তার ওপর হত্যার অভিযোগে আনা হয়েছে। আর এর বিচারে যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে তার।