ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কে সাংবাদিক তা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে সশস্ত্র হামলায় ৫ নিরাপত্তা সদস্যের প্রাণহানি কুমিল্লায় শিশু ঝুমুর ধর্ষণ ও হত্যা: আসামির মৃত্যুদণ্ড চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ২২, তিনজনের অবস্থা গুরুতর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান চাইলে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে ধনী দেশ হতে পারতো: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে আগ্রহী : বাণিজ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা ২৭ জুলাই থেকে শুরু দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ঠোঁট ও তালুকাটা শিশুদের পুনর্বাসনে জাতীয় কর্মসূচি পালন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

‘মাঝে মাঝে এমন সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি’

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে টেস্টে হারাল টাইগাররা।

শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে সবশেষ তিন টেস্টে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার দিনের শেষ সেশনে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের অলআউট করে জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা।

১০৪ রানের বিশাল জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। তবে জয়ের পাশাপাশি প্রশংসা পাচ্ছে দিনের প্রথম সেশনেই ইনিংস ঘোষণা করার মতো সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।

প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ৩৮৬ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ২৭ রানের লিড নিয়ে আজ পঞ্চম দিনের মধ্যাহ্ন ভোজের আগে ৯ উইকেটে ২৪০ রানে ইনিংস ঘোষণার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

২৬৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৬৩ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ১০৪ রানের জয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা।তিনি একাই শিকার করেন ৫ উইকেট।

খেলা শেষ সংবাদ সম্মেলনে এই সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘ব্যাটিংয়ে আমরা সকাল থেকেই পরিষ্কার ছিলাম যে আমরা কী করতে চাই। সত্যি বলতে আমাদের ইচ্ছা ছিল আরও ১৫-২০টি রান করার। তবে মাঝে মাঝে আমার মনে হয় যে এইরকম সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়াটাও জরুরি। টেস্ট টিম হিসেবে আমরা আস্তে আস্তে বড় হচ্ছি, ওপরের দিকে যাচ্ছি। তাই আমরা কিছুটা ঝুঁকি নিয়েছি।’

দলের শক্তির ওপর ভরসা রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জানিয়ে শান্ত আরও বলেন, ‘প্রথমত আমরা এখনো অস্ট্রেলিয়া, ইন্ডিয়া বা ইংল্যান্ডের মতো দল হইনি। তবে আমার মনে হয় আমাদের এখন পাঁচজন ভালো বোলার আছে বলেই এই সাহসগুলো নিতে পারছি।’

শান্ত যোগ করেন, টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে পরিণত হয়ে ওঠার পথে এমন মানসিকতা বজায় রাখা ভবিষ্যতে দলকে আরও আত্মবিশ্বাসী করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কে সাংবাদিক তা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

‘মাঝে মাঝে এমন সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি’

আপডেট সময় ০৯:৩৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে টেস্টে হারাল টাইগাররা।

শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে সবশেষ তিন টেস্টে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার দিনের শেষ সেশনে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের অলআউট করে জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা।

১০৪ রানের বিশাল জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। তবে জয়ের পাশাপাশি প্রশংসা পাচ্ছে দিনের প্রথম সেশনেই ইনিংস ঘোষণা করার মতো সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।

প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ৩৮৬ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ২৭ রানের লিড নিয়ে আজ পঞ্চম দিনের মধ্যাহ্ন ভোজের আগে ৯ উইকেটে ২৪০ রানে ইনিংস ঘোষণার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

২৬৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৬৩ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ১০৪ রানের জয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা।তিনি একাই শিকার করেন ৫ উইকেট।

খেলা শেষ সংবাদ সম্মেলনে এই সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘ব্যাটিংয়ে আমরা সকাল থেকেই পরিষ্কার ছিলাম যে আমরা কী করতে চাই। সত্যি বলতে আমাদের ইচ্ছা ছিল আরও ১৫-২০টি রান করার। তবে মাঝে মাঝে আমার মনে হয় যে এইরকম সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়াটাও জরুরি। টেস্ট টিম হিসেবে আমরা আস্তে আস্তে বড় হচ্ছি, ওপরের দিকে যাচ্ছি। তাই আমরা কিছুটা ঝুঁকি নিয়েছি।’

দলের শক্তির ওপর ভরসা রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জানিয়ে শান্ত আরও বলেন, ‘প্রথমত আমরা এখনো অস্ট্রেলিয়া, ইন্ডিয়া বা ইংল্যান্ডের মতো দল হইনি। তবে আমার মনে হয় আমাদের এখন পাঁচজন ভালো বোলার আছে বলেই এই সাহসগুলো নিতে পারছি।’

শান্ত যোগ করেন, টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে পরিণত হয়ে ওঠার পথে এমন মানসিকতা বজায় রাখা ভবিষ্যতে দলকে আরও আত্মবিশ্বাসী করবে।