ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফজলুর রহমান, ওদের সবার আতঙ্কের নাম: রাশেদ পাচার হওয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি দেশে ফিরিয়ে এনেছে সিআইডি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ভাইরাল হয়ে রাজনীতি হয় না : সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউমার্কেটে গুলিতে নিহত যুবক শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন: পুলিশ চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গেল ছেলে, ঝাঁপ দিয়ে বাঁচালেন বাবা অবরোধের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল রাশিয়ান নৌযান বিচার শেষ না হলে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সুযোগ নেই: আন্দালিভ রহমান পার্থ অতীতের ইতিহাস দিয়ে বর্তমান জামায়াতকে বিশ্লেষণ করবেন না: শাহজাহান চৌধুরী হরমুজ খুলে দেওয়ার দাবি কাতারের, ‘ফ্রোজেন কনফ্লিক্ট’ নিয়ে সতর্কতা মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

জামালপুরে ত্রাণের স্লিপ নিয়ে সংঘর্ষ, সাংবাদিকদের ওপর হামলা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জামালপুরে ত্রাণের স্লিপের তালিকা তৈরি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সময়টিভি ও ইন্ডিপেনন্ডেন্ট টিভির ক্যামেরাপারসনসহ উভয়পক্ষের ২০ জন আহত। এ সময় তাদের ক্যামেরা ভাংচুর করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনটি ফাঁকা গুলি করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জামালপুর শহরের শাহপুর এলাকায় শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ত্রাণের স্লিপকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন সেতুর মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। বিরোধের জের ধরে শনিবার সন্ধ্যায় দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের ১৮ জন আহত হয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তিনটি ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে।

সংঘর্ষের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সময় টিভির ক্যামেরাপারসন আবুল কালাম আজাদ ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির ক্যামেরাপারসন আল-আমিনকে মারধর করে তাদের ক্যামেরা ভাংচুর করা হয়। হেলাল কাউন্সিলরের ছেলে অন্তরের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়। গুরুতর আহত আবুল কালাম আজাদকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং আল আমিন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্মস্থলে ফিরে আসেন।

আহত মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ত্রণের স্লিপে হেলাল কমিশনার অনেক দিন যাবত নিজের আত্মীয় স্বজনদের নাম দিয়ে দুর্ণীতি করে আসছেন। এছাড়া ত্রাণের তালিকায় গরীব দুঃখীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য টাকাও নিয়েছেন তিনি। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে হেলাল কমিশনার ও তার দলবল তাকে মারধর করে। এ সময় দুজন ক্যামেরাপারসনকেও মারধর করা হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।

কাউন্সিলর হেলাল বলেন, কেন এ ঘটনা ঘটলো তা তিনি জানেন না। আর ঘটনার সময় কয়েকশ লোক থাকায় কে বা কারা ক্যামেরা পারসনদের মারধর করেছে তাও জানেন না তিনি।

এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সালেমুজ্জামান বলেন, ক্যামেরা পারসনদের মারধর ও ক্যামেরা ভাংচুরের ঘটনাসহ পৃথকভাবে তিনটি মামলার প্রস্ততি চলছে। মামলার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফজলুর রহমান, ওদের সবার আতঙ্কের নাম: রাশেদ

জামালপুরে ত্রাণের স্লিপ নিয়ে সংঘর্ষ, সাংবাদিকদের ওপর হামলা

আপডেট সময় ১১:০১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জামালপুরে ত্রাণের স্লিপের তালিকা তৈরি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সময়টিভি ও ইন্ডিপেনন্ডেন্ট টিভির ক্যামেরাপারসনসহ উভয়পক্ষের ২০ জন আহত। এ সময় তাদের ক্যামেরা ভাংচুর করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনটি ফাঁকা গুলি করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জামালপুর শহরের শাহপুর এলাকায় শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ত্রাণের স্লিপকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন সেতুর মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। বিরোধের জের ধরে শনিবার সন্ধ্যায় দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের ১৮ জন আহত হয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তিনটি ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে।

সংঘর্ষের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সময় টিভির ক্যামেরাপারসন আবুল কালাম আজাদ ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির ক্যামেরাপারসন আল-আমিনকে মারধর করে তাদের ক্যামেরা ভাংচুর করা হয়। হেলাল কাউন্সিলরের ছেলে অন্তরের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়। গুরুতর আহত আবুল কালাম আজাদকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং আল আমিন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্মস্থলে ফিরে আসেন।

আহত মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ত্রণের স্লিপে হেলাল কমিশনার অনেক দিন যাবত নিজের আত্মীয় স্বজনদের নাম দিয়ে দুর্ণীতি করে আসছেন। এছাড়া ত্রাণের তালিকায় গরীব দুঃখীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য টাকাও নিয়েছেন তিনি। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে হেলাল কমিশনার ও তার দলবল তাকে মারধর করে। এ সময় দুজন ক্যামেরাপারসনকেও মারধর করা হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।

কাউন্সিলর হেলাল বলেন, কেন এ ঘটনা ঘটলো তা তিনি জানেন না। আর ঘটনার সময় কয়েকশ লোক থাকায় কে বা কারা ক্যামেরা পারসনদের মারধর করেছে তাও জানেন না তিনি।

এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সালেমুজ্জামান বলেন, ক্যামেরা পারসনদের মারধর ও ক্যামেরা ভাংচুরের ঘটনাসহ পৃথকভাবে তিনটি মামলার প্রস্ততি চলছে। মামলার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।