ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সৌদি আরবের রাজপথে মাকারিনা নাচ, কিশোর গ্রেপ্তার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবের রাজপথে মাকারিনা নেচে টুইটারে ভাইরাল হয়ে ওঠা ১৪ বছরের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।জেদ্দার রাস্তায় ‘প্রকাশ্যে অশোভন আচরণ’ করায় তাকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, খবর বিবিসির।

ওই কিশোরের জাতীয়তা বা তার বিরুদ্ধে সরকারি কৌঁসুলি কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছেন কি না তা পরিষ্কার নয় বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চলতি মাসের প্রথমদিকে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি কনসার্ট চলাকালে ‘ড্যাবিং’ করার জন্য এক গানের শিল্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ওই কিশোরের নাচের ৪৫ সেকেন্ডের ক্লিপটি ২০ অগাস্ট, ২০১৭-তে টুইটারে আহমেদ আল ওমরান নামের এক সৌদি সাংবাদিক আপলোড করেন। এতে দেখা যায় ১৯৯০-র দশকে জনপ্রিয় হওয়া একটি ল্যাতিন গানের তালে তালে একটি রাস্তায় পথচারী পারাপারের অংশে দাঁড়িয়ে নাচছে কিশোরটি আর রাস্তায় দুটি গাড়ি থেমে আছে।

পরে আরো কয়েকটি গাড়ি সেখানে এসে হাজির হয়; দেখে মনে হয়েছে, কিশোরটির কারণে গাড়িগুলো দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে। ২০১৬ সালের জুলাইতে এ ভিডিও ক্লিপটি প্রথম ইন্টারনেটে পোস্ট করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জেদ্দার ব্যস্ত রাজপথে ঘটনাটি ঘটেছিল।

নিজের টুইটার পোস্টে ওমরান লিখেছেন, “তাহলিয়া স্ট্রিটের মাঝখানে নাচছে জেদ্দার বালক, যে নায়ককে আমাদের প্রয়োজন।” এই ক্লিপটির বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুই ধরনের ভাষ্য পাওয়া গেছে; কেউ কেউ কিশোরটিকে সমর্থন করে মন্তব্য করেছেন, এদের কেউ কেউ তাকে ‘নায়ক’ বলেছেন, আর অন্যরা কিশোরটির আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন।

রক্ষণশীল সৌদি আরবে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে কোনো সুর্নিদিষ্ট আইন না থাকায় শিশুদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি দেশটির কর্মকর্তা ও বিচারকদের ওপর নির্ভর করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সৌদি আরবের রাজপথে মাকারিনা নাচ, কিশোর গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবের রাজপথে মাকারিনা নেচে টুইটারে ভাইরাল হয়ে ওঠা ১৪ বছরের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।জেদ্দার রাস্তায় ‘প্রকাশ্যে অশোভন আচরণ’ করায় তাকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, খবর বিবিসির।

ওই কিশোরের জাতীয়তা বা তার বিরুদ্ধে সরকারি কৌঁসুলি কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছেন কি না তা পরিষ্কার নয় বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চলতি মাসের প্রথমদিকে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি কনসার্ট চলাকালে ‘ড্যাবিং’ করার জন্য এক গানের শিল্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ওই কিশোরের নাচের ৪৫ সেকেন্ডের ক্লিপটি ২০ অগাস্ট, ২০১৭-তে টুইটারে আহমেদ আল ওমরান নামের এক সৌদি সাংবাদিক আপলোড করেন। এতে দেখা যায় ১৯৯০-র দশকে জনপ্রিয় হওয়া একটি ল্যাতিন গানের তালে তালে একটি রাস্তায় পথচারী পারাপারের অংশে দাঁড়িয়ে নাচছে কিশোরটি আর রাস্তায় দুটি গাড়ি থেমে আছে।

পরে আরো কয়েকটি গাড়ি সেখানে এসে হাজির হয়; দেখে মনে হয়েছে, কিশোরটির কারণে গাড়িগুলো দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে। ২০১৬ সালের জুলাইতে এ ভিডিও ক্লিপটি প্রথম ইন্টারনেটে পোস্ট করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জেদ্দার ব্যস্ত রাজপথে ঘটনাটি ঘটেছিল।

নিজের টুইটার পোস্টে ওমরান লিখেছেন, “তাহলিয়া স্ট্রিটের মাঝখানে নাচছে জেদ্দার বালক, যে নায়ককে আমাদের প্রয়োজন।” এই ক্লিপটির বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুই ধরনের ভাষ্য পাওয়া গেছে; কেউ কেউ কিশোরটিকে সমর্থন করে মন্তব্য করেছেন, এদের কেউ কেউ তাকে ‘নায়ক’ বলেছেন, আর অন্যরা কিশোরটির আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন।

রক্ষণশীল সৌদি আরবে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে কোনো সুর্নিদিষ্ট আইন না থাকায় শিশুদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি দেশটির কর্মকর্তা ও বিচারকদের ওপর নির্ভর করে।