ঢাকা ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

সৌদি আরবের রাজপথে মাকারিনা নাচ, কিশোর গ্রেপ্তার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবের রাজপথে মাকারিনা নেচে টুইটারে ভাইরাল হয়ে ওঠা ১৪ বছরের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।জেদ্দার রাস্তায় ‘প্রকাশ্যে অশোভন আচরণ’ করায় তাকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, খবর বিবিসির।

ওই কিশোরের জাতীয়তা বা তার বিরুদ্ধে সরকারি কৌঁসুলি কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছেন কি না তা পরিষ্কার নয় বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চলতি মাসের প্রথমদিকে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি কনসার্ট চলাকালে ‘ড্যাবিং’ করার জন্য এক গানের শিল্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ওই কিশোরের নাচের ৪৫ সেকেন্ডের ক্লিপটি ২০ অগাস্ট, ২০১৭-তে টুইটারে আহমেদ আল ওমরান নামের এক সৌদি সাংবাদিক আপলোড করেন। এতে দেখা যায় ১৯৯০-র দশকে জনপ্রিয় হওয়া একটি ল্যাতিন গানের তালে তালে একটি রাস্তায় পথচারী পারাপারের অংশে দাঁড়িয়ে নাচছে কিশোরটি আর রাস্তায় দুটি গাড়ি থেমে আছে।

পরে আরো কয়েকটি গাড়ি সেখানে এসে হাজির হয়; দেখে মনে হয়েছে, কিশোরটির কারণে গাড়িগুলো দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে। ২০১৬ সালের জুলাইতে এ ভিডিও ক্লিপটি প্রথম ইন্টারনেটে পোস্ট করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জেদ্দার ব্যস্ত রাজপথে ঘটনাটি ঘটেছিল।

নিজের টুইটার পোস্টে ওমরান লিখেছেন, “তাহলিয়া স্ট্রিটের মাঝখানে নাচছে জেদ্দার বালক, যে নায়ককে আমাদের প্রয়োজন।” এই ক্লিপটির বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুই ধরনের ভাষ্য পাওয়া গেছে; কেউ কেউ কিশোরটিকে সমর্থন করে মন্তব্য করেছেন, এদের কেউ কেউ তাকে ‘নায়ক’ বলেছেন, আর অন্যরা কিশোরটির আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন।

রক্ষণশীল সৌদি আরবে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে কোনো সুর্নিদিষ্ট আইন না থাকায় শিশুদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি দেশটির কর্মকর্তা ও বিচারকদের ওপর নির্ভর করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

সৌদি আরবের রাজপথে মাকারিনা নাচ, কিশোর গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবের রাজপথে মাকারিনা নেচে টুইটারে ভাইরাল হয়ে ওঠা ১৪ বছরের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।জেদ্দার রাস্তায় ‘প্রকাশ্যে অশোভন আচরণ’ করায় তাকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, খবর বিবিসির।

ওই কিশোরের জাতীয়তা বা তার বিরুদ্ধে সরকারি কৌঁসুলি কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছেন কি না তা পরিষ্কার নয় বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চলতি মাসের প্রথমদিকে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি কনসার্ট চলাকালে ‘ড্যাবিং’ করার জন্য এক গানের শিল্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ওই কিশোরের নাচের ৪৫ সেকেন্ডের ক্লিপটি ২০ অগাস্ট, ২০১৭-তে টুইটারে আহমেদ আল ওমরান নামের এক সৌদি সাংবাদিক আপলোড করেন। এতে দেখা যায় ১৯৯০-র দশকে জনপ্রিয় হওয়া একটি ল্যাতিন গানের তালে তালে একটি রাস্তায় পথচারী পারাপারের অংশে দাঁড়িয়ে নাচছে কিশোরটি আর রাস্তায় দুটি গাড়ি থেমে আছে।

পরে আরো কয়েকটি গাড়ি সেখানে এসে হাজির হয়; দেখে মনে হয়েছে, কিশোরটির কারণে গাড়িগুলো দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে। ২০১৬ সালের জুলাইতে এ ভিডিও ক্লিপটি প্রথম ইন্টারনেটে পোস্ট করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জেদ্দার ব্যস্ত রাজপথে ঘটনাটি ঘটেছিল।

নিজের টুইটার পোস্টে ওমরান লিখেছেন, “তাহলিয়া স্ট্রিটের মাঝখানে নাচছে জেদ্দার বালক, যে নায়ককে আমাদের প্রয়োজন।” এই ক্লিপটির বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুই ধরনের ভাষ্য পাওয়া গেছে; কেউ কেউ কিশোরটিকে সমর্থন করে মন্তব্য করেছেন, এদের কেউ কেউ তাকে ‘নায়ক’ বলেছেন, আর অন্যরা কিশোরটির আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন।

রক্ষণশীল সৌদি আরবে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে কোনো সুর্নিদিষ্ট আইন না থাকায় শিশুদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি দেশটির কর্মকর্তা ও বিচারকদের ওপর নির্ভর করে।