ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চীনে বাড়ছে উপসর্গহীন করোনা রোগী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে মহামারিতে রূপ নিয়েছে করোনা ভাইরাস রোগ বা কোভিড-১৯। রোগটি চীন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসলেও বাড়ছে উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা। সোমবার (০৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

রোববার (০৫ এপ্রিল) চীনের মূল ভূখণ্ডে নতুন করে ৩৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (এনএইচসি) জানায়, রোববার ৭৮ জন উপসর্গহীন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। আগের দিন এ সংখ্যা ছিল ৪৭। এ ধরনের রোগী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও তাদের শরীরে কোনো উপসর্গ দেখা যায় না এবং নিজের অজান্তেই তারা অন্যদের সংক্রমিত করেন।

বিদেশ থেকে আসা আক্রান্ত ব্যক্তি এবং উপসর্গহীন রোগীদের মোকাবিলা করাই এখন চীনের মাথা ব্যথার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এক সংবাদ সম্মেলনে এনএইচসির মুখপাত্র মি ফেং বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আক্রান্ত রোগী আসার ঝুঁকি বাড়ছে। তবে নতুন করে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব যেন না হয় এজন্য সতর্ক থাকতে হবে চীনকে।

এদিকে উপসর্গহীন যেসব রোগী শনাক্ত হয়েছেন, তাদের প্রায় অর্ধেকই হুবেই প্রদেশের। চীনের মূল ভূখণ্ডে এমন ৭০৫ জন রোগী পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

কেবল গত সপ্তাহ থেকে উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা প্রকাশ করতে শুরু করেছে চীন। জানুয়ারির মাসের শেষদিকে লকডাউন করা উহান শহর থেকে যারা বাইরে যেতে চান, আগামী ৮ এপ্রিল থেকে তারা সে সুযোগ পাবেন। এমন সময় উপসর্গহীন রোগী বাড়ায় নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

চীনে এখন পর্যন্ত ৮১ হাজার ৭০৮ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছেন ৩ হাজার ৩১৮ জন।

বিশ্বজুড়ে রোগটি ছড়িয়ে পড়ায় বিদেশি নাগরিকদের জন্য সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে চীন। তবে বিদেশ থেকে আসা রোগীরা বেশিরভাগই চীনা নাগরিক। ১ এপ্রিল থেকে বিদেশ থেকে আসা সবার করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করতে শুরু করেছে চীন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চীনে বাড়ছে উপসর্গহীন করোনা রোগী

আপডেট সময় ০৮:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে মহামারিতে রূপ নিয়েছে করোনা ভাইরাস রোগ বা কোভিড-১৯। রোগটি চীন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসলেও বাড়ছে উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা। সোমবার (০৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

রোববার (০৫ এপ্রিল) চীনের মূল ভূখণ্ডে নতুন করে ৩৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (এনএইচসি) জানায়, রোববার ৭৮ জন উপসর্গহীন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। আগের দিন এ সংখ্যা ছিল ৪৭। এ ধরনের রোগী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও তাদের শরীরে কোনো উপসর্গ দেখা যায় না এবং নিজের অজান্তেই তারা অন্যদের সংক্রমিত করেন।

বিদেশ থেকে আসা আক্রান্ত ব্যক্তি এবং উপসর্গহীন রোগীদের মোকাবিলা করাই এখন চীনের মাথা ব্যথার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এক সংবাদ সম্মেলনে এনএইচসির মুখপাত্র মি ফেং বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আক্রান্ত রোগী আসার ঝুঁকি বাড়ছে। তবে নতুন করে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব যেন না হয় এজন্য সতর্ক থাকতে হবে চীনকে।

এদিকে উপসর্গহীন যেসব রোগী শনাক্ত হয়েছেন, তাদের প্রায় অর্ধেকই হুবেই প্রদেশের। চীনের মূল ভূখণ্ডে এমন ৭০৫ জন রোগী পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

কেবল গত সপ্তাহ থেকে উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা প্রকাশ করতে শুরু করেছে চীন। জানুয়ারির মাসের শেষদিকে লকডাউন করা উহান শহর থেকে যারা বাইরে যেতে চান, আগামী ৮ এপ্রিল থেকে তারা সে সুযোগ পাবেন। এমন সময় উপসর্গহীন রোগী বাড়ায় নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

চীনে এখন পর্যন্ত ৮১ হাজার ৭০৮ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছেন ৩ হাজার ৩১৮ জন।

বিশ্বজুড়ে রোগটি ছড়িয়ে পড়ায় বিদেশি নাগরিকদের জন্য সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে চীন। তবে বিদেশ থেকে আসা রোগীরা বেশিরভাগই চীনা নাগরিক। ১ এপ্রিল থেকে বিদেশ থেকে আসা সবার করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করতে শুরু করেছে চীন।