ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

রাজধানীমুখী মানুষ ঠেকাতে পুলিশকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ

এভাবেই দল বেঁধে ঢাকামুখী হচ্ছে সাধারণ মানুষ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাজধানীমুখী মানুষের ঢল থামাতে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আর যেন কাউকে রাজধানীতে ঢুকতে না দেওয়া হয় সে জন্য আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পোশাক শ্রমিকদের বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট বক্তব্য দিতে বিজিএমইএকে বলা হয়েছে।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যে বিশেষ করে দুদিন ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ কর্মস্থল ঢাকার অভিমুখে ছুটতে শুরু করেছেন। আজ সকাল থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ও মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ঘাটে পোশাকশ্রমিকসহ মানুষের প্রচুর ভিড় পরিলক্ষিত হয়। এতে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যে সামাজিক দূরত্বের কথা বলা হচ্ছে, তা মানা সম্ভব হয়নি।’

প্রসঙ্গত, সরকার গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। পরে এ ছুটির মেয়াদ ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। করোনাভাইরাসে ছড়িয়ে পড়া রোধে অন্তত দুই সপ্তাহ সবাইকে বাড়িতে রাখতে ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সরকারের এই পদক্ষেপ। এ সময়ে বিনা প্রয়োজনে বাড়ির বাইরেও যাতে মানুষ বের না হয়, এ জন্য মাঠে নামানো হয়েছে সেনা। চলছে প্রশাসন ও পুলিশের সমন্বিত সচেতনতা কার্যক্রম ও অভিযান। কিন্তু ছুটি পেয়ে দলে দলে মানুষ গ্রামের অভিমুখে ছুটে যায়। এর মধ্যে অনেক পোশাক শ্রমিকও রয়েছেন। এখন যারা রাজধানীতে ফিরছেন তার বড় একটা অংশ এই শ্রমিকেরা। দূরপাল্লার পরিবহনসহ অন্যান্য যানবাহন বন্ধ থাকায় এসব মানুষকে দীর্ঘ পথ হেঁটে বা হালকা যানে চড়ে পাড়ি দিতে দেখা গেছে। কারখানা খোলার সিদ্ধান্তের কথা শুনে পোশাক শ্রমিকেরা ক্ষোভও জানাচ্ছেন।

এমন পরিস্থিতিতে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধ রাখতে রাখার ঘোষণা দিয়েছে বিজিএমইএ। তৈরি পোশাক কারখানাগুলো ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখতে মালিকদের প্রতি এই আহ্বান জানান বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক। গতকাল শনিবার রাতে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক অডিও বার্তায় গার্মেন্টস মালিকদের প্রতি এই আহ্বান জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

রাজধানীমুখী মানুষ ঠেকাতে পুলিশকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ

আপডেট সময় ১১:৪৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাজধানীমুখী মানুষের ঢল থামাতে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আর যেন কাউকে রাজধানীতে ঢুকতে না দেওয়া হয় সে জন্য আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পোশাক শ্রমিকদের বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট বক্তব্য দিতে বিজিএমইএকে বলা হয়েছে।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যে বিশেষ করে দুদিন ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ কর্মস্থল ঢাকার অভিমুখে ছুটতে শুরু করেছেন। আজ সকাল থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ও মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ঘাটে পোশাকশ্রমিকসহ মানুষের প্রচুর ভিড় পরিলক্ষিত হয়। এতে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যে সামাজিক দূরত্বের কথা বলা হচ্ছে, তা মানা সম্ভব হয়নি।’

প্রসঙ্গত, সরকার গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। পরে এ ছুটির মেয়াদ ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। করোনাভাইরাসে ছড়িয়ে পড়া রোধে অন্তত দুই সপ্তাহ সবাইকে বাড়িতে রাখতে ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সরকারের এই পদক্ষেপ। এ সময়ে বিনা প্রয়োজনে বাড়ির বাইরেও যাতে মানুষ বের না হয়, এ জন্য মাঠে নামানো হয়েছে সেনা। চলছে প্রশাসন ও পুলিশের সমন্বিত সচেতনতা কার্যক্রম ও অভিযান। কিন্তু ছুটি পেয়ে দলে দলে মানুষ গ্রামের অভিমুখে ছুটে যায়। এর মধ্যে অনেক পোশাক শ্রমিকও রয়েছেন। এখন যারা রাজধানীতে ফিরছেন তার বড় একটা অংশ এই শ্রমিকেরা। দূরপাল্লার পরিবহনসহ অন্যান্য যানবাহন বন্ধ থাকায় এসব মানুষকে দীর্ঘ পথ হেঁটে বা হালকা যানে চড়ে পাড়ি দিতে দেখা গেছে। কারখানা খোলার সিদ্ধান্তের কথা শুনে পোশাক শ্রমিকেরা ক্ষোভও জানাচ্ছেন।

এমন পরিস্থিতিতে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধ রাখতে রাখার ঘোষণা দিয়েছে বিজিএমইএ। তৈরি পোশাক কারখানাগুলো ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখতে মালিকদের প্রতি এই আহ্বান জানান বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক। গতকাল শনিবার রাতে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক অডিও বার্তায় গার্মেন্টস মালিকদের প্রতি এই আহ্বান জানান তিনি।