ঢাকা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

পুঁজিবাজার নিয়ে যারা ‘গেম’ খেলতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে সংসদে যোগ দেয়া বিএনপির সংসদ সদস্যদের স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি তাদের কাছে গঠনমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা করেছেন। সংসদের প্রতি মানুষের আস্থা যেন আরও বাড়ে সে ব্যাপারে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পুঁজিবাজার নিয়ে খুব বেশি শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বাজার স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কেউ যদি বাজার নিয়ে ‌‘গেম’ খেলতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং হবে।

আজ মঙ্গলবার একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন। সংসদে যোগ দেওয়ায় বিএনপির সাংসদের স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘শেয়ারবাজার অনেকটা জুয়াখেলার মতো। যাঁরা শেয়ারবাজারে যাচ্ছেন তাঁদের জানা উচিত, এখানে লাভ হতে পারে, লোকসানও হতে পারে। লাভ করলে খুশি, আর না হলে সরকারের দোষ দেওয়া এটা ঠিক না। যাঁরা শেয়ার বাজারে যাবেন, তাঁদের বিবেচনা করে যেতে হবে কোন কোম্পানির শেয়ার কিনছেন। কোন শেয়ার কিনলে লাভ হবে, সেটা আমরা ঠিক করে দেব না। নিজেদের বিবেচনা করে কিনতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ইতিমধ্যে শেয়ারবাজার নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বাজার স্থিতিশীল রাখতে যা যা ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা নেওয়া হবে। তাঁরা চান শেয়ারবাজার যেন স্থিতিশীল থাকে।

গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে কয়েকবার ক্ষমতায় থাকা বিএনপি মাত্র ছয়টি আসন পায়। জোটের দুজনসহ তাদের সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় আটে। তবে এই নির্বাচনে সীমাহীন কারচুপি ও ভোট ডাকাতির অভিযোগ তুলে বিএনপি ও তাদের জোট ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে নতুন নির্বাচন দাবি করে। বিজয়ী সদস্যরা শপথ নেবেন না বলেও জানানো হয়।

তবে প্রথমে গণফোরামের দুজন শপথ নিয়ে প্রথম অধিবেশনে যোগ দেন। দ্বিতীয় অধিবেশনে এসে প্রথমে বিএনপির একজন এবং শেষ মুহূর্তে এসে আরও চারজন সাংসদ শপথ নেন। মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া বিএনপি থেকে বিজয়ী সবাই শপথ নিয়ে সংসদে গিয়েছেন। ফখরুল শপথ না নেয়ায় ইতিমধ্যে তার আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

শপথ নিয়ে সোমবারই বিএনপির সাংসদরা সংসদে যোগ দেন। সেদিন দলের কেন্দ্রীয় নেতা হারুন অর রশিদের দেয়া বক্তব্যে সংসদে বেশ উত্তাপ সৃষ্টি করে। তিনি দলীয় চেয়ারপারসনের মুক্তি এবং নতুন নির্বাচন দাবি করেন।

মঙ্গলবার শেষ দিনে বিএনপির সাংসদরা অধিবেশনে যোগ দেন। তাদের কেউ কেউ কথাও বলেন। এদিন স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করে তাদের পাঁচজনকে সদস্য করা হয়েছে।

‘মানুষ হত্যা করে তারা কীভাবে বেহেশতে যাবে?’

সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, সমৃদ্ধি চাই। এখানে আমার দুঃখ লাগে ধর্মের অপব্যাখা দিয়ে কিছু মানুষকে ধর্মান্ধ করে ফেলা হয়। তাদেরকে ব্যবহার করা হয়। তাদের ব্যবহার করে মানুষ হত্যা করা হয়। আমার এখানে একটা প্রশ্ন জাগে যারা নিরীহ মানুষ হত্যা করে চিন্তা করে যে তারা বেহেশতে যাবে, এটা কীভাবে চিন্তা করে? মানুষ হত্যা মহাপাপ। আর যারা নিরীহ মানুষ হত্যা করে তারা কীভাবে বেহেশতে যাবে?’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অবাক লাগে কিছু সম্পদশালী ধনী পরিবার উচ্চ শিক্ষিত পরিবার ব্যবহার হচ্ছে। আমি জানি না যারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়, তারা কীভাবে এভাবে ধর্মান্ধ হয়ে যায়। আমরা চাই এই ধর্মান্ধতা থেকে মানুষ মুক্তি পাক। আর যারা শিক্ষা দিচ্ছে তাদের বলব, আগে আপনারা যান এবং বেহেশতে গেলেন কি না সেটা আগে জানান তারপর আমরা যাব সেটা অন্তত বলা উচিত। তারপরেও আমাদের সর্তক থাকতে হবে। দেশবাসীকে সর্তক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

চাকরিতে প্রবেশের বয়স না বাড়ানোর ব্যাখ্যা

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘চাকরিতে ঢোকার বয়স বাড়ানোর দাবি করা হচ্ছে। ৩৫ বছরে যদি কেউ পিএসসিতে পরীক্ষা দেয়; ওই পরীক্ষা দিয়ে রেজাল্ট হয়ে চাকরিতে ঢুকতে ঢুকতে ৩৮ বছর হবে। ৩৮ বছর বয়সে একজন চাকরিতে ঢুকবে আবার কেউ কেউ ২২ বছর বয়সে একই চাকরিতে ঢুকবে। কত বছর ডিফারেন্সে দুইজন একসঙ্গে চাকরিতে ঢুকবে? এটা কি তারা চিন্তা করছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেখা যায় কেউ হয়তো ২৪-২৫ বছরেই চাকরিতে ঢুকছে। তারা অবসরে চলে যাচ্ছে। আমরাতো ইতিমধ্যে অবসরে যাওয়ার বয়স ৫৭ থেকে বাড়িয়ে ৫৯ করেছি। যে ৩৮ বছরে চাকরিতে ঢুকবে সে ২২ অথবা ২৩ বছর চাকরি করতে পারবে। সে কিন্তু পূর্ণ পেনশন পাবে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষের জন্ম থেকে মেধা বা উদ্যম বা তারুণ্য বা সৃজনশীলতাটা সবথেকে বেশি থাকে ২৪ কিংবা ২৫ বছর বয়সে। ২১ বছরেই একজন মানুষ পূর্ণ মানুষ বলা হয়। ২১ বছর থেকেই একজনের পূর্ণতা পায়। ২১ থেকে ২৫ বছরই সবচেয়ে কর্মদক্ষতা থাকে। এই সময়টা কোথায় যাবে। একটা মানুষের সবচেয়ে মূল্যবাদ সময়টা ওরা কী করবে?’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুঁজিবাজার নিয়ে যারা ‘গেম’ খেলতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:১২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০১৯

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে সংসদে যোগ দেয়া বিএনপির সংসদ সদস্যদের স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি তাদের কাছে গঠনমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা করেছেন। সংসদের প্রতি মানুষের আস্থা যেন আরও বাড়ে সে ব্যাপারে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পুঁজিবাজার নিয়ে খুব বেশি শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বাজার স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কেউ যদি বাজার নিয়ে ‌‘গেম’ খেলতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং হবে।

আজ মঙ্গলবার একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন। সংসদে যোগ দেওয়ায় বিএনপির সাংসদের স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘শেয়ারবাজার অনেকটা জুয়াখেলার মতো। যাঁরা শেয়ারবাজারে যাচ্ছেন তাঁদের জানা উচিত, এখানে লাভ হতে পারে, লোকসানও হতে পারে। লাভ করলে খুশি, আর না হলে সরকারের দোষ দেওয়া এটা ঠিক না। যাঁরা শেয়ার বাজারে যাবেন, তাঁদের বিবেচনা করে যেতে হবে কোন কোম্পানির শেয়ার কিনছেন। কোন শেয়ার কিনলে লাভ হবে, সেটা আমরা ঠিক করে দেব না। নিজেদের বিবেচনা করে কিনতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ইতিমধ্যে শেয়ারবাজার নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বাজার স্থিতিশীল রাখতে যা যা ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা নেওয়া হবে। তাঁরা চান শেয়ারবাজার যেন স্থিতিশীল থাকে।

গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে কয়েকবার ক্ষমতায় থাকা বিএনপি মাত্র ছয়টি আসন পায়। জোটের দুজনসহ তাদের সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় আটে। তবে এই নির্বাচনে সীমাহীন কারচুপি ও ভোট ডাকাতির অভিযোগ তুলে বিএনপি ও তাদের জোট ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে নতুন নির্বাচন দাবি করে। বিজয়ী সদস্যরা শপথ নেবেন না বলেও জানানো হয়।

তবে প্রথমে গণফোরামের দুজন শপথ নিয়ে প্রথম অধিবেশনে যোগ দেন। দ্বিতীয় অধিবেশনে এসে প্রথমে বিএনপির একজন এবং শেষ মুহূর্তে এসে আরও চারজন সাংসদ শপথ নেন। মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া বিএনপি থেকে বিজয়ী সবাই শপথ নিয়ে সংসদে গিয়েছেন। ফখরুল শপথ না নেয়ায় ইতিমধ্যে তার আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

শপথ নিয়ে সোমবারই বিএনপির সাংসদরা সংসদে যোগ দেন। সেদিন দলের কেন্দ্রীয় নেতা হারুন অর রশিদের দেয়া বক্তব্যে সংসদে বেশ উত্তাপ সৃষ্টি করে। তিনি দলীয় চেয়ারপারসনের মুক্তি এবং নতুন নির্বাচন দাবি করেন।

মঙ্গলবার শেষ দিনে বিএনপির সাংসদরা অধিবেশনে যোগ দেন। তাদের কেউ কেউ কথাও বলেন। এদিন স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করে তাদের পাঁচজনকে সদস্য করা হয়েছে।

‘মানুষ হত্যা করে তারা কীভাবে বেহেশতে যাবে?’

সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, সমৃদ্ধি চাই। এখানে আমার দুঃখ লাগে ধর্মের অপব্যাখা দিয়ে কিছু মানুষকে ধর্মান্ধ করে ফেলা হয়। তাদেরকে ব্যবহার করা হয়। তাদের ব্যবহার করে মানুষ হত্যা করা হয়। আমার এখানে একটা প্রশ্ন জাগে যারা নিরীহ মানুষ হত্যা করে চিন্তা করে যে তারা বেহেশতে যাবে, এটা কীভাবে চিন্তা করে? মানুষ হত্যা মহাপাপ। আর যারা নিরীহ মানুষ হত্যা করে তারা কীভাবে বেহেশতে যাবে?’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অবাক লাগে কিছু সম্পদশালী ধনী পরিবার উচ্চ শিক্ষিত পরিবার ব্যবহার হচ্ছে। আমি জানি না যারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়, তারা কীভাবে এভাবে ধর্মান্ধ হয়ে যায়। আমরা চাই এই ধর্মান্ধতা থেকে মানুষ মুক্তি পাক। আর যারা শিক্ষা দিচ্ছে তাদের বলব, আগে আপনারা যান এবং বেহেশতে গেলেন কি না সেটা আগে জানান তারপর আমরা যাব সেটা অন্তত বলা উচিত। তারপরেও আমাদের সর্তক থাকতে হবে। দেশবাসীকে সর্তক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

চাকরিতে প্রবেশের বয়স না বাড়ানোর ব্যাখ্যা

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘চাকরিতে ঢোকার বয়স বাড়ানোর দাবি করা হচ্ছে। ৩৫ বছরে যদি কেউ পিএসসিতে পরীক্ষা দেয়; ওই পরীক্ষা দিয়ে রেজাল্ট হয়ে চাকরিতে ঢুকতে ঢুকতে ৩৮ বছর হবে। ৩৮ বছর বয়সে একজন চাকরিতে ঢুকবে আবার কেউ কেউ ২২ বছর বয়সে একই চাকরিতে ঢুকবে। কত বছর ডিফারেন্সে দুইজন একসঙ্গে চাকরিতে ঢুকবে? এটা কি তারা চিন্তা করছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেখা যায় কেউ হয়তো ২৪-২৫ বছরেই চাকরিতে ঢুকছে। তারা অবসরে চলে যাচ্ছে। আমরাতো ইতিমধ্যে অবসরে যাওয়ার বয়স ৫৭ থেকে বাড়িয়ে ৫৯ করেছি। যে ৩৮ বছরে চাকরিতে ঢুকবে সে ২২ অথবা ২৩ বছর চাকরি করতে পারবে। সে কিন্তু পূর্ণ পেনশন পাবে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষের জন্ম থেকে মেধা বা উদ্যম বা তারুণ্য বা সৃজনশীলতাটা সবথেকে বেশি থাকে ২৪ কিংবা ২৫ বছর বয়সে। ২১ বছরেই একজন মানুষ পূর্ণ মানুষ বলা হয়। ২১ বছর থেকেই একজনের পূর্ণতা পায়। ২১ থেকে ২৫ বছরই সবচেয়ে কর্মদক্ষতা থাকে। এই সময়টা কোথায় যাবে। একটা মানুষের সবচেয়ে মূল্যবাদ সময়টা ওরা কী করবে?’