ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে: গণপূর্ত মন্ত্রী অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন নির্দেশনা, মানতে হবে সব হাসপাতালকে জুলাই হত্যার প্রতিটি ঘটনার বিচার করতে সরকার বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী তারেক রহমান শুধু স্বপ্ন দেখেন না, স্বপ্ন বাস্তবায়নও করেন: মির্জা ফখরুল প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান মাহদী আমিনের ইরানের হাতে হরমুজ প্রণালীর চেয়েও শক্তিশালী হাতিয়ার রয়েছে: রাশিয়া কারিগরি শিক্ষায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী জাবিতে গভীর রাতে নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিং, আটক ১২

যেদিন উনি আলোচনায় বসেছে সেদিনই আপনারা জিতে গেছেন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লাগাতার হরতাল অবরোধ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। ২০১৫ সালে আমি খালেদা জিয়াকে অনুরোধ করেছিলাম আপনারা অবরোধ প্রত্যাহার করুন। অবরোধ প্রত্যাহার করা হয় নাই। দেশের মানুষ বিএনপির অনুরোধ নিজেরাই প্রত্যাখ্যান করেছে। শেখ হাসিনাকেও বলেছিলাম আপনি আলোচনায় বসুন, তিন বছর পরে হলেও উনি আলোচনায় বসেছে। যেদিন উনি আলোচনায় বসেছে সেদিনই আপনারা জিতে গেছেন।

শুক্রবার বিকালে রাজশাহীর আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় জনসভায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী এসব কথা বলেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা কি জিততে চান, না চান না? এ সময় নেতাকর্মীরা কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্যের জবাবে বলেন, অবশ্যই জিততে চাই।

এরপর তিনি আবারো প্রশ্ন করেন আপনারা কি শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে চান? তখন নেতাকর্মীরা বলেন, না আর রাখতে চাই না।

এ সময় কাদের সিদ্দিকী বলেন, তাহলে তো আপনাদের লড়তে হবে। লড়তে হলে নামতে হবে। আপনারা হরতাল অবরোধ ডেকেছিলেন তিন মাস। আপনারা প্রত্যাহার করতে পারেন নাই, কিন্তু এবার ৮ ফেব্রুয়ারি যখন বেগম খালেদা জিয়া জেলখানায় গেছেন তার আগে তিনি নেতাকর্মীদের বলেছেন, আমি যদি মরেও যাই তবুও তোমরা হরতাল দিতে পারবে না।

তিনি বলেন, তার এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ১৬-১৭ কোটি মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে, আমি আজকে মনে করি বাংলাদেশের রাজনীতি বলতে বেগম খালেদা জিয়া।

বঙ্গবীর বলেন, বাংলাদেশের এমন কোনো জায়গা নাই, যেখানে খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা সম্ভব।

তিনি বলেন, আপনারা অনেকক্ষণ বক্তব্য শুনেছেন, আমি কাদের সিদ্দিকী কিন্তু বিএনপির সমাবেশে আসি নাই। কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের সভায় এসেছি, আপনারা যদি খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে চান তাহলে ঐক্যফ্রন্টকে অটুট রাখতে হবে।

তিনি বলেন, এখানে যারা এসেছেন তার শতকরা ৯০ ভাগ ধানের শীষ করেন। কিন্তু আপনাদের চাইতেও জনগণ অনেক বেশি। বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আপনাদের ছটফট করতে হবে না।

তিনি বলেন, আমি আপনাদের আহ্বানে এসেছি, আপনারা একটিবারের জন্য ঐক্যফ্রন্টের কথা বলেন নাই, আমাদের নেতাদের কথা বলেন নাই, আমরা কিন্তু বিএনপির মিটিংয়ে তামুক খেতে আসি নাই।

তিনি বলেন, আপনাদের নেতা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে আমার তেল ঢালা ক্যাম্পে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম দেখা হয়েছিল।

এ সময় তিনি কর্নেল অলি আহমেদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আজকে এই অলি আহমেদ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদেরকে দারুণ সহযোগিতা করেছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে: গণপূর্ত মন্ত্রী

যেদিন উনি আলোচনায় বসেছে সেদিনই আপনারা জিতে গেছেন

আপডেট সময় ১০:০০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লাগাতার হরতাল অবরোধ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। ২০১৫ সালে আমি খালেদা জিয়াকে অনুরোধ করেছিলাম আপনারা অবরোধ প্রত্যাহার করুন। অবরোধ প্রত্যাহার করা হয় নাই। দেশের মানুষ বিএনপির অনুরোধ নিজেরাই প্রত্যাখ্যান করেছে। শেখ হাসিনাকেও বলেছিলাম আপনি আলোচনায় বসুন, তিন বছর পরে হলেও উনি আলোচনায় বসেছে। যেদিন উনি আলোচনায় বসেছে সেদিনই আপনারা জিতে গেছেন।

শুক্রবার বিকালে রাজশাহীর আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় জনসভায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী এসব কথা বলেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা কি জিততে চান, না চান না? এ সময় নেতাকর্মীরা কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্যের জবাবে বলেন, অবশ্যই জিততে চাই।

এরপর তিনি আবারো প্রশ্ন করেন আপনারা কি শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে চান? তখন নেতাকর্মীরা বলেন, না আর রাখতে চাই না।

এ সময় কাদের সিদ্দিকী বলেন, তাহলে তো আপনাদের লড়তে হবে। লড়তে হলে নামতে হবে। আপনারা হরতাল অবরোধ ডেকেছিলেন তিন মাস। আপনারা প্রত্যাহার করতে পারেন নাই, কিন্তু এবার ৮ ফেব্রুয়ারি যখন বেগম খালেদা জিয়া জেলখানায় গেছেন তার আগে তিনি নেতাকর্মীদের বলেছেন, আমি যদি মরেও যাই তবুও তোমরা হরতাল দিতে পারবে না।

তিনি বলেন, তার এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ১৬-১৭ কোটি মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে, আমি আজকে মনে করি বাংলাদেশের রাজনীতি বলতে বেগম খালেদা জিয়া।

বঙ্গবীর বলেন, বাংলাদেশের এমন কোনো জায়গা নাই, যেখানে খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা সম্ভব।

তিনি বলেন, আপনারা অনেকক্ষণ বক্তব্য শুনেছেন, আমি কাদের সিদ্দিকী কিন্তু বিএনপির সমাবেশে আসি নাই। কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের সভায় এসেছি, আপনারা যদি খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে চান তাহলে ঐক্যফ্রন্টকে অটুট রাখতে হবে।

তিনি বলেন, এখানে যারা এসেছেন তার শতকরা ৯০ ভাগ ধানের শীষ করেন। কিন্তু আপনাদের চাইতেও জনগণ অনেক বেশি। বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আপনাদের ছটফট করতে হবে না।

তিনি বলেন, আমি আপনাদের আহ্বানে এসেছি, আপনারা একটিবারের জন্য ঐক্যফ্রন্টের কথা বলেন নাই, আমাদের নেতাদের কথা বলেন নাই, আমরা কিন্তু বিএনপির মিটিংয়ে তামুক খেতে আসি নাই।

তিনি বলেন, আপনাদের নেতা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে আমার তেল ঢালা ক্যাম্পে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম দেখা হয়েছিল।

এ সময় তিনি কর্নেল অলি আহমেদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আজকে এই অলি আহমেদ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদেরকে দারুণ সহযোগিতা করেছিলেন।