ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্বল্প সুদে ঋণ পাবে দুগ্ধ খামারিরা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুধ উৎপাদনে খামারিরা এখন মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন, আগে যা ছিল ৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃ অর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় ব্যাংকগুলো থেকে এ ঋণ মিলবে। দেশকে দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া সুবিধার ফলে এখন ৪ শতাংশ সুদে গাভি-বকনা বাছুর কেনা ও লালনপালনের জন্য ব্যাংক ও বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ঋণ নিতে পারবেন দুধ উৎপাদন এবং কৃত্রিম প্রজননের সঙ্গে জড়িত খামারিরা।

একক ও যৌথ নামে এই ঋণ নেয়া যাবে। একটি বকনা বাছুর কেনার জন্য ৪০ হাজার টাকা এবং লালনপালনের জন্য ১০ হাজার টাকা করে ঋণ নেয়া যায়। ফলে একজন খামারি সর্বোচ্চ চারটি বকনা বাছুরের জন্য সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারেন। এ ঋণ পুরোপুরি জামানতবিহীন।

জানা গেছে, এই ঋণ বিতরণ করতে গিয়ে ব্যাংক ও বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারের প্রচলিত সুদের তুলনায় কম সুদে ঋণ বিতরণ করায় তাদের যে পরিমাণ সুদ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে, সেই পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করবে।

দেশকে দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য ২০১৫ সালে ৫ শতাংশ সুদে ঋণ দেয়ার লক্ষ্যে একটি পুনঃ অর্থায়ন কর্মসূচি হাতে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সময় এ সংক্রান্ত নীতিমালায় ঋণের সুদহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে বলা হয়েছিল, এ কর্মসূচির আওতায় ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংক রেটে পুনঃ অর্থায়ন সুবিধা পাবে (বর্তমানে ব্যাংক রেট ৫ শতাংশ, যা পরিবর্তনশীল)। অর্থাৎ গ্রাহক পর্যায়ে তখন এই ঋণের সুদের হার ছিল সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ।

ওই নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিতরণ করা ঋণের বিপরীতে সুদ ক্ষতি বা ভর্তুকি বাবদ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ দাবি করতে পারত।

নতুন নির্দেশনায় গ্রাহক পর্যায়ে সুদের হার ১ শতাংশ কমিয়ে ৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয় এবং সরাসরি ৫ শতাংশ সুদ ক্ষতি দাবির বিষয়টি উঠিয়ে দিয়ে সেখানে কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালায় প্রযোজ্য সুদহারের তুলনায় প্রকৃত সুদ ক্ষতি বাবদ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে দাবি করা যাবে বলে জানানো হয়। আজ ১ নভেম্বর থেকে নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

স্বল্প সুদে ঋণ পাবে দুগ্ধ খামারিরা

আপডেট সময় ১০:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুধ উৎপাদনে খামারিরা এখন মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন, আগে যা ছিল ৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃ অর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় ব্যাংকগুলো থেকে এ ঋণ মিলবে। দেশকে দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া সুবিধার ফলে এখন ৪ শতাংশ সুদে গাভি-বকনা বাছুর কেনা ও লালনপালনের জন্য ব্যাংক ও বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ঋণ নিতে পারবেন দুধ উৎপাদন এবং কৃত্রিম প্রজননের সঙ্গে জড়িত খামারিরা।

একক ও যৌথ নামে এই ঋণ নেয়া যাবে। একটি বকনা বাছুর কেনার জন্য ৪০ হাজার টাকা এবং লালনপালনের জন্য ১০ হাজার টাকা করে ঋণ নেয়া যায়। ফলে একজন খামারি সর্বোচ্চ চারটি বকনা বাছুরের জন্য সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারেন। এ ঋণ পুরোপুরি জামানতবিহীন।

জানা গেছে, এই ঋণ বিতরণ করতে গিয়ে ব্যাংক ও বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারের প্রচলিত সুদের তুলনায় কম সুদে ঋণ বিতরণ করায় তাদের যে পরিমাণ সুদ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে, সেই পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করবে।

দেশকে দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য ২০১৫ সালে ৫ শতাংশ সুদে ঋণ দেয়ার লক্ষ্যে একটি পুনঃ অর্থায়ন কর্মসূচি হাতে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সময় এ সংক্রান্ত নীতিমালায় ঋণের সুদহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে বলা হয়েছিল, এ কর্মসূচির আওতায় ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংক রেটে পুনঃ অর্থায়ন সুবিধা পাবে (বর্তমানে ব্যাংক রেট ৫ শতাংশ, যা পরিবর্তনশীল)। অর্থাৎ গ্রাহক পর্যায়ে তখন এই ঋণের সুদের হার ছিল সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ।

ওই নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিতরণ করা ঋণের বিপরীতে সুদ ক্ষতি বা ভর্তুকি বাবদ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ দাবি করতে পারত।

নতুন নির্দেশনায় গ্রাহক পর্যায়ে সুদের হার ১ শতাংশ কমিয়ে ৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয় এবং সরাসরি ৫ শতাংশ সুদ ক্ষতি দাবির বিষয়টি উঠিয়ে দিয়ে সেখানে কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালায় প্রযোজ্য সুদহারের তুলনায় প্রকৃত সুদ ক্ষতি বাবদ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে দাবি করা যাবে বলে জানানো হয়। আজ ১ নভেম্বর থেকে নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হবে।