ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

২০২১ সালের মধ্যেই রফতানি আয় ৬০ বিলিয়ন ডলার: বাণিজ্যমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ আগামী ২০২১ সালের মধ্যে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা করেই সরকার আমদানি ও রফতানির নীতি গ্রহণ করে।তিনি শনিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্টাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ইন রিজিওনাল ট্রেড এন্ড কানেকটিভিটি : এ পলিটিকো-ইকোনমিক অ্যাসেসমেন্ট’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটি) দেওয়া বাণিজ্য সুবিধা গ্রহণের জন্য পেপার লেস বাণিজ্যে সক্ষমতা অর্জনের প্রস্তুতি চলছে। শ্রীলংকার সঙ্গে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট(এফটিএ) স্বাক্ষর করা হচ্ছে। ডব্লিউটিও’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চীন ভারতসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের দেওয়া বাণিজ্য সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য এগিয়ে যাচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সার্ভিস সেক্টর বাদে বাংলাদেশ গত বছর প্রায় ৩৪ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে। এ বছর ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সার্ভিস সেক্টর মিলে মোট রফতানি ধরা হয়েছে ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ অন্য দেশকে কোন ধরনের বাণিজ্য সুবিধা দিচ্ছে না। দেশের শিল্প সুরক্ষা দিয়ে বাণিজ্য করছে, এ নীতির ফলে দেশ ইতোমধ্যে সিমেন্ট, রড, পেপার, টিনসহ অনেক পণ্যের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে। কাঁচাপাট রপ্তানির উপর নিয়ন্ত্রন আরোপ করা হয়েছে। ভারত বাংরাদেশের পাটজান পণ্যের উপর কাউন্টার ভেলিং ডিউটি আরোপ করেছে, কিন্তু কাঁচাপাট আমদানির উপর কোন ডিউটি আরোপ করেনি। বাংলাদেশ সবসময় নিজেদের শিল্পের সুরক্ষা দিচ্ছে।

সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টার্ডিজের (সিজিএস) প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. এম আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে এ সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অর্থনীতিবীদ এম শহিদুল ইসলাম। আন্যান্যের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, এফবিসিসিআই’র সাবেক প্রেসিডেন্ট মীর নাসির হোসেন, এনবিআর’র সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ, ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজের সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ ইব্রাহীম, অ্যাম্বাসেডর আশফাকুর রহমান ও বিআইআইএসএস’র প্রেসিডেন্ট অ্যাম্বাসেডর মুন্সী ফয়েজ আহমেদ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

২০২১ সালের মধ্যেই রফতানি আয় ৬০ বিলিয়ন ডলার: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৪৫:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ আগামী ২০২১ সালের মধ্যে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা করেই সরকার আমদানি ও রফতানির নীতি গ্রহণ করে।তিনি শনিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্টাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ইন রিজিওনাল ট্রেড এন্ড কানেকটিভিটি : এ পলিটিকো-ইকোনমিক অ্যাসেসমেন্ট’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটি) দেওয়া বাণিজ্য সুবিধা গ্রহণের জন্য পেপার লেস বাণিজ্যে সক্ষমতা অর্জনের প্রস্তুতি চলছে। শ্রীলংকার সঙ্গে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট(এফটিএ) স্বাক্ষর করা হচ্ছে। ডব্লিউটিও’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চীন ভারতসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের দেওয়া বাণিজ্য সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য এগিয়ে যাচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সার্ভিস সেক্টর বাদে বাংলাদেশ গত বছর প্রায় ৩৪ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে। এ বছর ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সার্ভিস সেক্টর মিলে মোট রফতানি ধরা হয়েছে ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ অন্য দেশকে কোন ধরনের বাণিজ্য সুবিধা দিচ্ছে না। দেশের শিল্প সুরক্ষা দিয়ে বাণিজ্য করছে, এ নীতির ফলে দেশ ইতোমধ্যে সিমেন্ট, রড, পেপার, টিনসহ অনেক পণ্যের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে। কাঁচাপাট রপ্তানির উপর নিয়ন্ত্রন আরোপ করা হয়েছে। ভারত বাংরাদেশের পাটজান পণ্যের উপর কাউন্টার ভেলিং ডিউটি আরোপ করেছে, কিন্তু কাঁচাপাট আমদানির উপর কোন ডিউটি আরোপ করেনি। বাংলাদেশ সবসময় নিজেদের শিল্পের সুরক্ষা দিচ্ছে।

সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টার্ডিজের (সিজিএস) প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. এম আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে এ সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অর্থনীতিবীদ এম শহিদুল ইসলাম। আন্যান্যের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, এফবিসিসিআই’র সাবেক প্রেসিডেন্ট মীর নাসির হোসেন, এনবিআর’র সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ, ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজের সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ ইব্রাহীম, অ্যাম্বাসেডর আশফাকুর রহমান ও বিআইআইএসএস’র প্রেসিডেন্ট অ্যাম্বাসেডর মুন্সী ফয়েজ আহমেদ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।