ঢাকা ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’

অতিরিক্ত সাক্ষ্যর বিষয়ে খালেদা জিয়ার আপিল শুনানি রোববার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজার বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিলের কার্যক্রম আগামী রোববার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন হাইকোর্ট।

খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবীদের আবেদনে সাড়া দিয়ে বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

এদিকে অর্থের উৎস নিয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্যর বিষয়ে হাইকোর্ট থেকে কোনো আদেশ না পেয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে আবেদন করলে সেটি শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেন চেম্বার আদালত।

এর আগে গত সোমবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় অর্থের উৎস নিয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্যর বিষয়ে একটি আদেশ চান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। কিন্তু আদালত জানান, এ মামলায় যুক্তি উপস্থাপন শেষে ওই আবেদনটির ওপর আদেশ দেয়া হবে। তবে এরপরও প্রতিবেদনটির বিষয়ে আদেশ চান তারা। তখন আদালত আবেদনটি কিপ টু দ্যা রেকর্ড (নথিভুক্ত) রাখার আদেশ দেন।

এরপর গত মঙ্গলবার আপিল শুনানির পূর্বে ট্রাস্টের অর্থের উৎসের বিষয়ে দেয়া প্রতিবেদনের ওপর আদালতের কাছে আদেশ প্রার্থনা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। কিন্তু আদালত আদেশ না দেয়ায় এ বিষয়ে আপিল বিভাগে যাওয়ার হবে বলে আদালতকে জানানো হয়। সে কারণে মামলাটির মূল আপিল শুনানি একদিনের জন্য মুলতবি করতে আদালতের কাছে আরজি জানানো হয়। কিন্তু আদালত মামলাটির আপিল শুনানি মুলতবি না করায় খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা শুনানি বয়কট করে আদালত থেকে আপাতত বেরিয়ে আসেন।

এরপর আদালতের নির্দেশে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। এদিন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আদেশের জন্য বুধবার বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মুলতবি রাখেন।

এদিকে মামলা সংক্রান্ত উৎস নিয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্যর বিষয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে দাখিল করা আবেদনের ওপর শুনানি না নিয়ে তা শুধু নথিভুক্ত রাখায় সে আদেশের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বিকালে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে যান তার আইনজীবীরা।

বুধবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আবেদনটির বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন নির্ধারণ করে চেম্বার আদালত।

বুধবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আদেশের জন্য এক নম্বর আইটেম হিসেবে রাখা হয়। বলা হয় বেলা সাড়ে ৩টায় আদেশ দেয়া হবে। এদিকে বেলা সাড়ে ৩টার কিছু আগে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে আইনজীবীরা আদালত কক্ষে প্রবেশ করেন।

এ জে মোহাম্মদ আলী শুরুতেই আদালতকে অবহিত করেন তাদের আবেদনের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী রোববার (২৮ অক্টোবর) দিন নির্ধারণ করেন চেম্বার আদালত। তাই সেই দিন পর্যন্ত এ মামলার কার্যক্রম মুলতবি রাখা হোক।

এ সময় দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান আদালতকে জানান, চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত না করে আবেদনটি শুনানির জন্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

পরে আদালত মামলার কার্যক্রম আগামী রোববার পর্যন্ত মুলতবি করেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ফারুক হোসেন ও ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান।

খুরশীদ আলম খান বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাসংক্রান্ত উৎস নিয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্যর বিষয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবীরা একটি আবেদন করেছিলেন। এর ওপর শুনানি নিয়ে নথিভুক্ত রাখা হয়। সে আদেশের বিরুদ্ধে বিকালে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে যান তার আইনজীবীরা। বুধবার উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আবেদনটির বিষয়ে স্থগিতাদেশ না দিয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। রোববার আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানির জন্য থাকবে। এ জন্য হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মামলায় আদেশের জন্য মুলতবি করেছেন। তবে ওই দিন কোন বিষয়ে আদেশ দেবেন, তা বলতে পারছি না।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকালে রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি তারা এ আবেদন করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ এবং অর্থদণ্ড স্থগিত করে নথি তলব করেন।

এরপর ৭ মার্চ অপর আসামি মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামালের আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। পরে ২৮ মার্চ খালেদার সাজা বাড়ানোর জন্য দুদকের করা আবেদনে রুল দেন হাইকোর্ট। ১০ মে আরেক আসামি শরফুদ্দিনের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন আদালত। এখন তিন আসামির আপিল ও দুদকের আবেদনের রুল আদালতে শুনানি হয়। মামলায় খালেদা জিয়াকে ১২ মার্চ হাইকোর্ট চার মাসের জামিন দেন। পরবর্তীতে কয়েক দফা তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। গত ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিন হলেও পরে আর মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আপিলটি নিষ্পত্তির নির্দেশনা রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক

অতিরিক্ত সাক্ষ্যর বিষয়ে খালেদা জিয়ার আপিল শুনানি রোববার

আপডেট সময় ১২:৩৮:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজার বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিলের কার্যক্রম আগামী রোববার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন হাইকোর্ট।

খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবীদের আবেদনে সাড়া দিয়ে বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

এদিকে অর্থের উৎস নিয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্যর বিষয়ে হাইকোর্ট থেকে কোনো আদেশ না পেয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে আবেদন করলে সেটি শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেন চেম্বার আদালত।

এর আগে গত সোমবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় অর্থের উৎস নিয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্যর বিষয়ে একটি আদেশ চান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। কিন্তু আদালত জানান, এ মামলায় যুক্তি উপস্থাপন শেষে ওই আবেদনটির ওপর আদেশ দেয়া হবে। তবে এরপরও প্রতিবেদনটির বিষয়ে আদেশ চান তারা। তখন আদালত আবেদনটি কিপ টু দ্যা রেকর্ড (নথিভুক্ত) রাখার আদেশ দেন।

এরপর গত মঙ্গলবার আপিল শুনানির পূর্বে ট্রাস্টের অর্থের উৎসের বিষয়ে দেয়া প্রতিবেদনের ওপর আদালতের কাছে আদেশ প্রার্থনা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। কিন্তু আদালত আদেশ না দেয়ায় এ বিষয়ে আপিল বিভাগে যাওয়ার হবে বলে আদালতকে জানানো হয়। সে কারণে মামলাটির মূল আপিল শুনানি একদিনের জন্য মুলতবি করতে আদালতের কাছে আরজি জানানো হয়। কিন্তু আদালত মামলাটির আপিল শুনানি মুলতবি না করায় খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা শুনানি বয়কট করে আদালত থেকে আপাতত বেরিয়ে আসেন।

এরপর আদালতের নির্দেশে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। এদিন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আদেশের জন্য বুধবার বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মুলতবি রাখেন।

এদিকে মামলা সংক্রান্ত উৎস নিয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্যর বিষয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে দাখিল করা আবেদনের ওপর শুনানি না নিয়ে তা শুধু নথিভুক্ত রাখায় সে আদেশের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বিকালে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে যান তার আইনজীবীরা।

বুধবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আবেদনটির বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন নির্ধারণ করে চেম্বার আদালত।

বুধবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আদেশের জন্য এক নম্বর আইটেম হিসেবে রাখা হয়। বলা হয় বেলা সাড়ে ৩টায় আদেশ দেয়া হবে। এদিকে বেলা সাড়ে ৩টার কিছু আগে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে আইনজীবীরা আদালত কক্ষে প্রবেশ করেন।

এ জে মোহাম্মদ আলী শুরুতেই আদালতকে অবহিত করেন তাদের আবেদনের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী রোববার (২৮ অক্টোবর) দিন নির্ধারণ করেন চেম্বার আদালত। তাই সেই দিন পর্যন্ত এ মামলার কার্যক্রম মুলতবি রাখা হোক।

এ সময় দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান আদালতকে জানান, চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত না করে আবেদনটি শুনানির জন্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

পরে আদালত মামলার কার্যক্রম আগামী রোববার পর্যন্ত মুলতবি করেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ফারুক হোসেন ও ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান।

খুরশীদ আলম খান বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাসংক্রান্ত উৎস নিয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্যর বিষয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবীরা একটি আবেদন করেছিলেন। এর ওপর শুনানি নিয়ে নথিভুক্ত রাখা হয়। সে আদেশের বিরুদ্ধে বিকালে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে যান তার আইনজীবীরা। বুধবার উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আবেদনটির বিষয়ে স্থগিতাদেশ না দিয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। রোববার আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানির জন্য থাকবে। এ জন্য হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মামলায় আদেশের জন্য মুলতবি করেছেন। তবে ওই দিন কোন বিষয়ে আদেশ দেবেন, তা বলতে পারছি না।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকালে রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি তারা এ আবেদন করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ এবং অর্থদণ্ড স্থগিত করে নথি তলব করেন।

এরপর ৭ মার্চ অপর আসামি মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামালের আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। পরে ২৮ মার্চ খালেদার সাজা বাড়ানোর জন্য দুদকের করা আবেদনে রুল দেন হাইকোর্ট। ১০ মে আরেক আসামি শরফুদ্দিনের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন আদালত। এখন তিন আসামির আপিল ও দুদকের আবেদনের রুল আদালতে শুনানি হয়। মামলায় খালেদা জিয়াকে ১২ মার্চ হাইকোর্ট চার মাসের জামিন দেন। পরবর্তীতে কয়েক দফা তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। গত ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিন হলেও পরে আর মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আপিলটি নিষ্পত্তির নির্দেশনা রয়েছে।