ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি বাংলাদেশে নীতির অনিশ্চয়তা আমাদের ভয়ের কারণ: ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত চবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮০ কোটি ডলার বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, দ্বিতীয় দফার বৈঠকে পাকিস্তানে যাচ্ছেন না মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারতে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২০

ওয়ান শুটার গান, ককটেল ও গান পাউডারসহ ৩ জন গ্রেফতার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে একটি ওয়ান শুটার, ১২টি তাজা ককটেল, গান পাউডার ও জিহাদি বইসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেফতাররা জঙ্গি সদস্য।

উপজেলার মাটির ঘর এলাকা থেকে বুধবার মধ্যরাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- নূর আলম পলাশ ওরফে প্রিন্স ( ২৮), আজিজার মণ্ডল (৫১) ও নূর আলম মণ্ডল (৩২)।

নূর আলম পলাশ ওরফে প্রিন্স জয়পুরহাট সদর উপজেলার কাজীপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে, আজিজার মণ্ডল ক্ষেতলাল উপজেলার উত্তর মহেশপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে ও নূর মোহাম্মদ একই গ্রামের মৃত সরাফত আলীর ছেলে।

বৃহস্পতিবার বিকালে গ্রেফতারকৃত জঙ্গিদের জয়পুরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ক্ষেতলাল থানার ওসি শাহরিয়ার হোসেন।

ওসি জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের মাটির ঘর এলাকার অদূরের একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ভেতরে বসে নাশকতার উদ্দেশে কয়েকজন জঙ্গি গোপন বৈঠক করছে- গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।

ওই সময় স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় পুলিশ নূর আলম পলাশ ওরফে প্রিন্সকে একটি ওয়ান শুটার গান, একটি কাপড়ের ব্যাগে থাকা ১২টি তাজা ককটেল, কিছু গান পাউডার (বিস্ফোরক) ও কয়েকটি জিহাদি বইসহ গ্রেফতার করা।

কিন্তু তার অন্য সহযোগীরা অন্ধকারে পালিয়ে যায়। এরপর পুলিশ গ্রেফতারকৃত প্রিন্সকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ক্ষেতলাল উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে অবশেষে আজিজার মণ্ডল ও নূর আলম মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে ২০০৪ সালের ক্ষেতলাল উপজেলার উত্তর মহেশপুর গ্রামে জঙ্গি সংগঠন জেএমবি ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনার সময় পুলিশের ২টি আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাইয়ের মামলাসহ প্রত্যেকের বিরুদ্ধে জেলার ক্ষেতলাল ও কালাই থানায় কমপক্ষে ৩ থেকে ৫টি করে নাশকতার মামলা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি

ওয়ান শুটার গান, ককটেল ও গান পাউডারসহ ৩ জন গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৭:২০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে একটি ওয়ান শুটার, ১২টি তাজা ককটেল, গান পাউডার ও জিহাদি বইসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেফতাররা জঙ্গি সদস্য।

উপজেলার মাটির ঘর এলাকা থেকে বুধবার মধ্যরাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- নূর আলম পলাশ ওরফে প্রিন্স ( ২৮), আজিজার মণ্ডল (৫১) ও নূর আলম মণ্ডল (৩২)।

নূর আলম পলাশ ওরফে প্রিন্স জয়পুরহাট সদর উপজেলার কাজীপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে, আজিজার মণ্ডল ক্ষেতলাল উপজেলার উত্তর মহেশপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে ও নূর মোহাম্মদ একই গ্রামের মৃত সরাফত আলীর ছেলে।

বৃহস্পতিবার বিকালে গ্রেফতারকৃত জঙ্গিদের জয়পুরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ক্ষেতলাল থানার ওসি শাহরিয়ার হোসেন।

ওসি জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের মাটির ঘর এলাকার অদূরের একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ভেতরে বসে নাশকতার উদ্দেশে কয়েকজন জঙ্গি গোপন বৈঠক করছে- গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।

ওই সময় স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় পুলিশ নূর আলম পলাশ ওরফে প্রিন্সকে একটি ওয়ান শুটার গান, একটি কাপড়ের ব্যাগে থাকা ১২টি তাজা ককটেল, কিছু গান পাউডার (বিস্ফোরক) ও কয়েকটি জিহাদি বইসহ গ্রেফতার করা।

কিন্তু তার অন্য সহযোগীরা অন্ধকারে পালিয়ে যায়। এরপর পুলিশ গ্রেফতারকৃত প্রিন্সকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ক্ষেতলাল উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে অবশেষে আজিজার মণ্ডল ও নূর আলম মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে ২০০৪ সালের ক্ষেতলাল উপজেলার উত্তর মহেশপুর গ্রামে জঙ্গি সংগঠন জেএমবি ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনার সময় পুলিশের ২টি আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাইয়ের মামলাসহ প্রত্যেকের বিরুদ্ধে জেলার ক্ষেতলাল ও কালাই থানায় কমপক্ষে ৩ থেকে ৫টি করে নাশকতার মামলা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।