ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

অবৈধ মোবাইল আমদানি ঠেকাতে কাজ করছে সরকার : জব্বার

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বৈধ পথের চেয়ে অবৈধ পথেই বেশি মোবাইল আসে বাংলাদেশে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশীয় মোবাইল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এখন দেশে অবৈধভাবে আসা মোবাইল ঠেকাতে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার।

২৩ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার জিরাবোতে সিম্ফনির নবনির্মিত মোবাইল ফোন কারখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী বলেন, আমরা কিছু তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজ করছি; যা দিয়ে কোন মোবাইল বৈধ আর কোন মোবাইল অবৈধ তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এটি যদি শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলে সরকারের জন্য এটি ইতিবাচক দিক হবে। এতে সরকার জেনে নিতে পারবে, কোনটি বৈধ বা অবৈধভাবে এসেছে। ফলে এ বিষয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজস্ব বোর্ড ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

বাংলাদেশ বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে একটি উৎপাদক ও রফতানিকারকের ইকোসিস্টেমের ভেতরে প্রবেশ করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা শুধু পণ্য উৎপাদন করব না, রফতানিও করব।’

সেই স্থানে আমরা পৌঁছে গেছি। কেউ যদি বাংলাদেশ থেকে দেশে সংযোজিত পণ্য বিদেশে রফতানি করে তাহলে তাদের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ইনসেনটিভের ব্যবস্থা আমরা করেছি। এ ক্যাশ ইনসেনটিভ কিন্তু যে কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশাল রকমের একটি অবদান।

আন্তর্জাতিক বাজারে কেউ বাড়তি ১০ শতাংশ সুবিধা পাচ্ছে, এ সুবিধা যে কী পরিমাণ জরুরি ও সুবিধাজনক তা আমাদের যারা রয়েছেন তারা তা সুস্পষ্ট করে বলতে পারবেন।’ সিম্ফনি নিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, ‘সামগ্রিক চিত্রটি দেখে আমি যা বুঝতে পারছি সেটি হচ্ছে, ইতিমধ্যে সিম্ফনি তার নামের জোরে বাইরে থেকে বানিয়ে এনে এ মোবাইলের বাজার ৩০ ভাগ দখল করে রাখতে পারে। আশা করছি তারা তাদের এ কারখানা দিয়ে ৭০ ভাগ বাজার দখল করতে পারবে।’

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিশাল একটি বাজার রয়েছে। অন্যরা যখন আসে তখন চিন্তা করে, বাংলাদেশে সস্তা লেবার ব্যবহার করব এবং বিদেশে এক্সপোর্ট করব। কিন্তু আমাদের দেশের হিসাবটা একটু ভিন্ন।

যেমন স্যামসাং বাংলাদেশে এসেছে তার কারণ, তারা দেশে উৎপাদন না করলে ওয়ালটন বা সিম্ফনির সঙ্গে টিকে থাকতে পারবে না। সিম্ফনি সূত্রমতে, আশুলিয়ার জিরাবোতে ৫৭ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এখানে হ্যান্ডসেট সংযোজন, গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ, মান নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও টেস্টিং ল্যাব রয়েছে।

এ ছাড়া স্থাপন করা হয়েছে জাপান ও জার্মান প্রযুক্তির মেশিনারিজ। সিম্ফনির দাবি, কারখানাটিতে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। স্মার্টফোন কারখানাটিতে প্রাথমিকভাবে বার্ষিক ৩০-৪০ লাখ ইউনিট হ্যান্ডসেট উৎপাদন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এরই মধ্যে আটটি প্রডাকশন লাইন স্থাপন করা হয়েছে। আরও কয়েকটি প্রডাকশন লাইন করার পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

অবৈধ মোবাইল আমদানি ঠেকাতে কাজ করছে সরকার : জব্বার

আপডেট সময় ০৩:২৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বৈধ পথের চেয়ে অবৈধ পথেই বেশি মোবাইল আসে বাংলাদেশে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশীয় মোবাইল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এখন দেশে অবৈধভাবে আসা মোবাইল ঠেকাতে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার।

২৩ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার জিরাবোতে সিম্ফনির নবনির্মিত মোবাইল ফোন কারখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী বলেন, আমরা কিছু তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজ করছি; যা দিয়ে কোন মোবাইল বৈধ আর কোন মোবাইল অবৈধ তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এটি যদি শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলে সরকারের জন্য এটি ইতিবাচক দিক হবে। এতে সরকার জেনে নিতে পারবে, কোনটি বৈধ বা অবৈধভাবে এসেছে। ফলে এ বিষয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজস্ব বোর্ড ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

বাংলাদেশ বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে একটি উৎপাদক ও রফতানিকারকের ইকোসিস্টেমের ভেতরে প্রবেশ করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা শুধু পণ্য উৎপাদন করব না, রফতানিও করব।’

সেই স্থানে আমরা পৌঁছে গেছি। কেউ যদি বাংলাদেশ থেকে দেশে সংযোজিত পণ্য বিদেশে রফতানি করে তাহলে তাদের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ইনসেনটিভের ব্যবস্থা আমরা করেছি। এ ক্যাশ ইনসেনটিভ কিন্তু যে কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশাল রকমের একটি অবদান।

আন্তর্জাতিক বাজারে কেউ বাড়তি ১০ শতাংশ সুবিধা পাচ্ছে, এ সুবিধা যে কী পরিমাণ জরুরি ও সুবিধাজনক তা আমাদের যারা রয়েছেন তারা তা সুস্পষ্ট করে বলতে পারবেন।’ সিম্ফনি নিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, ‘সামগ্রিক চিত্রটি দেখে আমি যা বুঝতে পারছি সেটি হচ্ছে, ইতিমধ্যে সিম্ফনি তার নামের জোরে বাইরে থেকে বানিয়ে এনে এ মোবাইলের বাজার ৩০ ভাগ দখল করে রাখতে পারে। আশা করছি তারা তাদের এ কারখানা দিয়ে ৭০ ভাগ বাজার দখল করতে পারবে।’

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিশাল একটি বাজার রয়েছে। অন্যরা যখন আসে তখন চিন্তা করে, বাংলাদেশে সস্তা লেবার ব্যবহার করব এবং বিদেশে এক্সপোর্ট করব। কিন্তু আমাদের দেশের হিসাবটা একটু ভিন্ন।

যেমন স্যামসাং বাংলাদেশে এসেছে তার কারণ, তারা দেশে উৎপাদন না করলে ওয়ালটন বা সিম্ফনির সঙ্গে টিকে থাকতে পারবে না। সিম্ফনি সূত্রমতে, আশুলিয়ার জিরাবোতে ৫৭ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এখানে হ্যান্ডসেট সংযোজন, গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ, মান নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও টেস্টিং ল্যাব রয়েছে।

এ ছাড়া স্থাপন করা হয়েছে জাপান ও জার্মান প্রযুক্তির মেশিনারিজ। সিম্ফনির দাবি, কারখানাটিতে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। স্মার্টফোন কারখানাটিতে প্রাথমিকভাবে বার্ষিক ৩০-৪০ লাখ ইউনিট হ্যান্ডসেট উৎপাদন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এরই মধ্যে আটটি প্রডাকশন লাইন স্থাপন করা হয়েছে। আরও কয়েকটি প্রডাকশন লাইন করার পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।