ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

আমার বউ অন্যজনকে বিয়ের কথা বললে মাথা কী ঠিক থাকে’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার শাজাহানপুরে শিবলু রহমান (৩০) নামে এক রিকশাচালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার উপজেলার জুসখোলা গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিবলু রহমান ধুনটের বিলচাপড়ি গ্রামের শাহাদুজ্জামান রঞ্জু মিয়ার ছেলে।

লাশ উদ্ধারের সময় তার বুকে ও লুঙ্গিতে মৃত্যুর জন্য স্ত্রীকে দায়ী করে অস্পষ্ট কিছু লেখা ছিল। তবে এ লেখার মধ্যে ‘আমি মরার জন্য রুকছানাই দায়ী। আমি তাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। ও অন্য ছেলেকে বিয়ে করার কথা যদি আমাকে কয় তাহলে কি মাথা ঠিক থাকে’ এ লেখাটুকু বোঝা যাচ্ছিল।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, শিবলু রহমান প্রায় দেড় বছর আগে শাজাহানপুর উপজেলার জুসখোলা গ্রামের রুহুল আমিনের মেয়ে রোকসানা আকতারকে বিয়ে করেন। রোকসানা স্বামীর বাড়িতে যেতে রাজি না হওয়ায় গত ৪ মাস ধরে শিবলু শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন।

সোমবার সকালে ঘরের তীরের সঙ্গে শিবলুর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে শাজাহানপুর থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

শিবলুর ভাই শামীম আহমেদ ও বোন রোজিনা বেগম অভিযোগ করেন, বিয়ের আগে রোকসানার সঙ্গে শান্ত নামে এক ব্যক্তির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের পরও তাদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। তাই রোকসানা ধুনটে শ্বশুরবাড়িতে থাকতে রাজি ছিল না। বাধ্য হয়ে শিবলু শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন।

নিহত শিবলুর বুকে ও গালে আঁচড়ের দাগ ও পায়ে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। হত্যার পর ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে বুকে ও লুঙ্গিতে লাল কলম দিয়ে লেখা হয়েছে।

স্ত্রী রোকসানা আকতার ও তার পরিবারের সদস্য দাবি করেন, রোববার রাতে স্বামী-স্ত্রী খাবার খেয়ে একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন। সোমবার সকালে ঘরের তীরের সঙ্গে শিবলুর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাওয়া যায়।

শাজাহানপুর থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, মৃতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। বুকে অস্পষ্ট কিছু লেখা আছে। পারিবারিক কলহে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এরপরও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমার বউ অন্যজনকে বিয়ের কথা বললে মাথা কী ঠিক থাকে’

আপডেট সময় ০৮:০১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার শাজাহানপুরে শিবলু রহমান (৩০) নামে এক রিকশাচালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার উপজেলার জুসখোলা গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিবলু রহমান ধুনটের বিলচাপড়ি গ্রামের শাহাদুজ্জামান রঞ্জু মিয়ার ছেলে।

লাশ উদ্ধারের সময় তার বুকে ও লুঙ্গিতে মৃত্যুর জন্য স্ত্রীকে দায়ী করে অস্পষ্ট কিছু লেখা ছিল। তবে এ লেখার মধ্যে ‘আমি মরার জন্য রুকছানাই দায়ী। আমি তাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। ও অন্য ছেলেকে বিয়ে করার কথা যদি আমাকে কয় তাহলে কি মাথা ঠিক থাকে’ এ লেখাটুকু বোঝা যাচ্ছিল।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, শিবলু রহমান প্রায় দেড় বছর আগে শাজাহানপুর উপজেলার জুসখোলা গ্রামের রুহুল আমিনের মেয়ে রোকসানা আকতারকে বিয়ে করেন। রোকসানা স্বামীর বাড়িতে যেতে রাজি না হওয়ায় গত ৪ মাস ধরে শিবলু শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন।

সোমবার সকালে ঘরের তীরের সঙ্গে শিবলুর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে শাজাহানপুর থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

শিবলুর ভাই শামীম আহমেদ ও বোন রোজিনা বেগম অভিযোগ করেন, বিয়ের আগে রোকসানার সঙ্গে শান্ত নামে এক ব্যক্তির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের পরও তাদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। তাই রোকসানা ধুনটে শ্বশুরবাড়িতে থাকতে রাজি ছিল না। বাধ্য হয়ে শিবলু শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন।

নিহত শিবলুর বুকে ও গালে আঁচড়ের দাগ ও পায়ে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। হত্যার পর ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে বুকে ও লুঙ্গিতে লাল কলম দিয়ে লেখা হয়েছে।

স্ত্রী রোকসানা আকতার ও তার পরিবারের সদস্য দাবি করেন, রোববার রাতে স্বামী-স্ত্রী খাবার খেয়ে একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন। সোমবার সকালে ঘরের তীরের সঙ্গে শিবলুর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাওয়া যায়।

শাজাহানপুর থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, মৃতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। বুকে অস্পষ্ট কিছু লেখা আছে। পারিবারিক কলহে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এরপরও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।