ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বরগুনায় পুলিশের সঙ্গে প্রেমের জেরে নিজ স্ত্রীকে হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরগুনার আমতলীতে নারী পুলিশ কনস্টেবলের সঙ্গে প্রেমের জেরে নিজ স্ত্রীকে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার উপজেলার গোছখালী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের সুশীল চন্দ্র মিস্ত্রির কন্যা বনশ্রীর সঙ্গে গোছখালী গ্রামের অবিরাম হাওলাদারের ছেলে পলাশের ২০১২ সালে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক সন্তান রয়েছে।

নিহত বনশ্রীর বাবা সুশীল চন্দ্র মিস্ত্রির অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে যৌতুকসহ বিভিন্ন অযুহাতে পলাশ স্ত্রী বনশ্রীকে নির্যাতন করে আসছিল। গত এক বছর ধরে পলাশ কলাপাড়া উপজেলার সোনাতলা গ্রামের এক নারী পুলিশ কনষ্টেবলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে।

এ ঘটনা জানাজানি হলে পলাশকে তার স্ত্রী বনশ্রী প্রতিহতের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় প্রায়ই পলাশ বনশ্রীকে মারধর করত। গত বুধবার বনশ্রী জানতে পারেন পলাশ ওই মেয়েকে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেছে। পলাশ তার ২য় স্ত্রীকে মেনে নেয়ার জন্য বনশ্রীকে চাপ দেয়। এতে রাজি হননি বনশ্রী।

এ নিয়ে দু’পরিবারের মাঝে সোমবার শালিস বৈঠকে বসার কথা ছিল। ওইদিন রাতে পলাশ ফুটবল খেলা দেখার কথা বলে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। বনশ্রী তার শিশু পুত্রকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ফুটবল খেলা দেখা শেষে ঘরে ফিরে পরিকল্পিতভাবে বনশ্রীকে গলায় রশি দিয়ে পেঁচিয়ে হত্যা করে পলাশ।

নিহত বনশ্রীর পরিবারের অভিযোগ, পলাশ তার পরিবারের লোকজন ও প্রেমিকা প্রিয়াঙ্কা পরিকল্পিতভাবে তার মেয়েকে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করেছে।

আর এ হত্যাকান্ডকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য গলায় কাপড় জড়িয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ ঘটনার পরপর স্বামী পলাশ ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।

পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে পাঠায়। এদিকে ওই মেয়ের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

আমতলী থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন মিলন বলেন, হত্যা না আত্মহত্যা স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে আসল রহস্য জানা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বরগুনায় পুলিশের সঙ্গে প্রেমের জেরে নিজ স্ত্রীকে হত্যা

আপডেট সময় ০৫:১৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরগুনার আমতলীতে নারী পুলিশ কনস্টেবলের সঙ্গে প্রেমের জেরে নিজ স্ত্রীকে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার উপজেলার গোছখালী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের সুশীল চন্দ্র মিস্ত্রির কন্যা বনশ্রীর সঙ্গে গোছখালী গ্রামের অবিরাম হাওলাদারের ছেলে পলাশের ২০১২ সালে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক সন্তান রয়েছে।

নিহত বনশ্রীর বাবা সুশীল চন্দ্র মিস্ত্রির অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে যৌতুকসহ বিভিন্ন অযুহাতে পলাশ স্ত্রী বনশ্রীকে নির্যাতন করে আসছিল। গত এক বছর ধরে পলাশ কলাপাড়া উপজেলার সোনাতলা গ্রামের এক নারী পুলিশ কনষ্টেবলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে।

এ ঘটনা জানাজানি হলে পলাশকে তার স্ত্রী বনশ্রী প্রতিহতের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় প্রায়ই পলাশ বনশ্রীকে মারধর করত। গত বুধবার বনশ্রী জানতে পারেন পলাশ ওই মেয়েকে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেছে। পলাশ তার ২য় স্ত্রীকে মেনে নেয়ার জন্য বনশ্রীকে চাপ দেয়। এতে রাজি হননি বনশ্রী।

এ নিয়ে দু’পরিবারের মাঝে সোমবার শালিস বৈঠকে বসার কথা ছিল। ওইদিন রাতে পলাশ ফুটবল খেলা দেখার কথা বলে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। বনশ্রী তার শিশু পুত্রকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ফুটবল খেলা দেখা শেষে ঘরে ফিরে পরিকল্পিতভাবে বনশ্রীকে গলায় রশি দিয়ে পেঁচিয়ে হত্যা করে পলাশ।

নিহত বনশ্রীর পরিবারের অভিযোগ, পলাশ তার পরিবারের লোকজন ও প্রেমিকা প্রিয়াঙ্কা পরিকল্পিতভাবে তার মেয়েকে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করেছে।

আর এ হত্যাকান্ডকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য গলায় কাপড় জড়িয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ ঘটনার পরপর স্বামী পলাশ ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।

পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে পাঠায়। এদিকে ওই মেয়ের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

আমতলী থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন মিলন বলেন, হত্যা না আত্মহত্যা স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে আসল রহস্য জানা যাবে।