ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

জাহাঙ্গীরের কেন্দ্রে এজেন্ট দেয়নি বিএনপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের নিজ কেন্দ্র কানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এজেন্ট দেয়নি বিএনপি।

সেখানে সব কাউন্সিলর প্রার্থীর এজেন্ট থাকলেও মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে একমাত্র জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে এজেন্ট আছে। সকাল আটটা থেকে নগরীর ৪২৫টি কেন্দ্রের মতো এখানেও ভোট শুরু হয়। সকাল নয়টার কিছু পরে ভোট দেন জাহাঙ্গীর আলম।

এর আগে সকালে টঙ্গীর বছিরউদ্দিন উদয়ন একাডেমি কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার অভিযোগ করেন ১০টি কেন্দ্র থেকে তার এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে। তবে কোন ১০টি কেন্দ্র থেকে বের করা হয়েছে, সেটি বলেননি তিনি।

এর মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম তার বাড়ি লাগোয়া কেন্দ্রে ভোট দিতে যাওয়ার পর সেখানে বিএনপির এজেন্ট না থাকার বিষয়টি জানা যায়। তবে অন্য এজেন্ট, নিরাপত্তা কর্মী বা স্থানীয়রা জানান, এখান থেকে কোনো প্রার্থীর এজেন্টকে বের করা হয়নি। যারা সকালে এসেছে, তারা সবাই দায়িত্ব পালন করছেন।

বিএনপির পক্ষে এজেন্ট নেই কেন, জানতে চাইলে কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কাঞ্জুরুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বিএনপির কেউ দরখাস্ত করেনি। হয়ত মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের নিজের এলাকা হবার কারণে কেউ আসেনি। এলাকাগত একটা ব্যাপার কাজ করেছে এখানে আমার ধারণা। তবে ভোট সুষ্ঠু করতে সব চেষ্টা করব।’

পরে বিএনপি প্রার্থী হাসান সরকার দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘প্রতিটি কেন্দ্রে আমাদের এজেন্ট দেয়া হয়েছে। ওই কেন্দ্রেও এজেন্ট দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমার এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে।’

গাজীপুর শহরতলীতে এই ভোটকেন্দ্রের পাশেই কানাইয়া গ্রামে জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ি।

সকাল থেকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ভোট নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি ভোটারদের কাছ থেকে। প্রিজাইডিং কর্মকর্তাও বলেন, কেউ তার কাছে কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেননি, ভোট হচ্ছে শান্তিপূর্ণভাবেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাহাঙ্গীরের কেন্দ্রে এজেন্ট দেয়নি বিএনপি

আপডেট সময় ১০:০০:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের নিজ কেন্দ্র কানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এজেন্ট দেয়নি বিএনপি।

সেখানে সব কাউন্সিলর প্রার্থীর এজেন্ট থাকলেও মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে একমাত্র জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে এজেন্ট আছে। সকাল আটটা থেকে নগরীর ৪২৫টি কেন্দ্রের মতো এখানেও ভোট শুরু হয়। সকাল নয়টার কিছু পরে ভোট দেন জাহাঙ্গীর আলম।

এর আগে সকালে টঙ্গীর বছিরউদ্দিন উদয়ন একাডেমি কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার অভিযোগ করেন ১০টি কেন্দ্র থেকে তার এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে। তবে কোন ১০টি কেন্দ্র থেকে বের করা হয়েছে, সেটি বলেননি তিনি।

এর মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম তার বাড়ি লাগোয়া কেন্দ্রে ভোট দিতে যাওয়ার পর সেখানে বিএনপির এজেন্ট না থাকার বিষয়টি জানা যায়। তবে অন্য এজেন্ট, নিরাপত্তা কর্মী বা স্থানীয়রা জানান, এখান থেকে কোনো প্রার্থীর এজেন্টকে বের করা হয়নি। যারা সকালে এসেছে, তারা সবাই দায়িত্ব পালন করছেন।

বিএনপির পক্ষে এজেন্ট নেই কেন, জানতে চাইলে কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কাঞ্জুরুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বিএনপির কেউ দরখাস্ত করেনি। হয়ত মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের নিজের এলাকা হবার কারণে কেউ আসেনি। এলাকাগত একটা ব্যাপার কাজ করেছে এখানে আমার ধারণা। তবে ভোট সুষ্ঠু করতে সব চেষ্টা করব।’

পরে বিএনপি প্রার্থী হাসান সরকার দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘প্রতিটি কেন্দ্রে আমাদের এজেন্ট দেয়া হয়েছে। ওই কেন্দ্রেও এজেন্ট দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমার এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে।’

গাজীপুর শহরতলীতে এই ভোটকেন্দ্রের পাশেই কানাইয়া গ্রামে জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ি।

সকাল থেকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ভোট নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি ভোটারদের কাছ থেকে। প্রিজাইডিং কর্মকর্তাও বলেন, কেউ তার কাছে কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেননি, ভোট হচ্ছে শান্তিপূর্ণভাবেই।