ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেব: গয়েশ্বর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটাই। আস্থা রাখলেও আসতে হয় না রাখলেও আসতে হয়। তবে আমরা গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। গাজীপুর নির্বাচন দেখে তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এর আগে বিএনপির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে আস্থায় রাখা আপনাদের দায়িত্ব। মানুষ যদি আস্থা না রাখে এবং রাজনৈতিক দল যদি আস্থা হারায় তাহলে আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।’

গয়েশ্বর আরো বলেন, ‘খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনকে আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং বলেছি এসব অভিযোগ মাথায় রাখতে যাতে আগামী গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়।’

আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় না সে নির্বাচনেও যদি মানুষ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে না পারে তাহলে যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় সেই নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছি। আমরা জানিয়েছি সংসদ সদস্যরা প্রচারণার সুযোগ পেলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না।’

নজরুল ইসলাম খান আরো বলেন, “এটা জানানোর পর সিইসি আমাদেরকে বলেছেন, ‘ক্ষমতায় গেলে এ সুযোগ আপনারাও পাবেন।’ কিন্তু, জবাবে আমরা বলেছি, আমরা এই সুযোগ চাই না। আমরা সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেব: গয়েশ্বর

আপডেট সময় ০৭:৪৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটাই। আস্থা রাখলেও আসতে হয় না রাখলেও আসতে হয়। তবে আমরা গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। গাজীপুর নির্বাচন দেখে তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এর আগে বিএনপির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে আস্থায় রাখা আপনাদের দায়িত্ব। মানুষ যদি আস্থা না রাখে এবং রাজনৈতিক দল যদি আস্থা হারায় তাহলে আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।’

গয়েশ্বর আরো বলেন, ‘খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনকে আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং বলেছি এসব অভিযোগ মাথায় রাখতে যাতে আগামী গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়।’

আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় না সে নির্বাচনেও যদি মানুষ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে না পারে তাহলে যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় সেই নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছি। আমরা জানিয়েছি সংসদ সদস্যরা প্রচারণার সুযোগ পেলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না।’

নজরুল ইসলাম খান আরো বলেন, “এটা জানানোর পর সিইসি আমাদেরকে বলেছেন, ‘ক্ষমতায় গেলে এ সুযোগ আপনারাও পাবেন।’ কিন্তু, জবাবে আমরা বলেছি, আমরা এই সুযোগ চাই না। আমরা সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই।’