ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত চার তরুণ টেকনাফে উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে র‌্যাব-১৫ ও টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত চার তরুণকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া এলাকার গহীন পাহাড়ে পরিচালিত শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৬ জুন রাতে ফেনী থেকে টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় এসে নিখোঁজ হন এমাম হোসেন জিসান (২৩) ও তহিদুল ইসলাম তামিম (১৯)। এ ঘটনায় ২৮ জুন ফেনীর দাগনভূঞা থানায় তাদের স্বজনরা একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর র‌্যাব-১৫-এর সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।

গোয়েন্দা তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব নিশ্চিত হয় যে, নিখোঁজ দুই তরুণসহ আরও কয়েকজন একটি সংঘবদ্ধ পাহাড়ি অপহরণকারী চক্রের কবলে রয়েছেন। পরে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে র‌্যাব-১৫ ও টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের যৌথ দল রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ে অভিযান চালায়।

অভিযান চলাকালে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পাহাড়ি জঙ্গলের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে তাদের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে চারজন অপহৃত তরুণকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া চারজন হলেন- ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার গনিপুর গ্রামের এমাম হোসেন জিসান (২৩), ফেনী পৌরসভার পশ্চিম রামপুর এলাকার তহিদুল ইসলাম তামিম (১৯), দাগনভূঞার গনিপুর গ্রামের মো. এমাম হোসেন (১৮) এবং হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার নোয়াঐ গ্রামের সুমন মিয়া ওরফে হোসাইন (২২)।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, অপহরণকারীরা তাদের হাত-পা বেঁধে পাহাড়ের একটি আস্তানায় আটকে রাখে। পরে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করে জনপ্রতি পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণের টাকা দিতে বিলম্ব হওয়ায় তাদের ওপর অমানবিক শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।

উদ্ধার হওয়া চার তরুণকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

৪২৯ রান করেও ইংল্যান্ডের হার, শ্রীলঙ্কার রূপকথার জয়

মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত চার তরুণ টেকনাফে উদ্ধার

আপডেট সময় ০৭:৫০:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে র‌্যাব-১৫ ও টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত চার তরুণকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া এলাকার গহীন পাহাড়ে পরিচালিত শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৬ জুন রাতে ফেনী থেকে টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় এসে নিখোঁজ হন এমাম হোসেন জিসান (২৩) ও তহিদুল ইসলাম তামিম (১৯)। এ ঘটনায় ২৮ জুন ফেনীর দাগনভূঞা থানায় তাদের স্বজনরা একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর র‌্যাব-১৫-এর সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।

গোয়েন্দা তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব নিশ্চিত হয় যে, নিখোঁজ দুই তরুণসহ আরও কয়েকজন একটি সংঘবদ্ধ পাহাড়ি অপহরণকারী চক্রের কবলে রয়েছেন। পরে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে র‌্যাব-১৫ ও টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের যৌথ দল রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ে অভিযান চালায়।

অভিযান চলাকালে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পাহাড়ি জঙ্গলের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে তাদের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে চারজন অপহৃত তরুণকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া চারজন হলেন- ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার গনিপুর গ্রামের এমাম হোসেন জিসান (২৩), ফেনী পৌরসভার পশ্চিম রামপুর এলাকার তহিদুল ইসলাম তামিম (১৯), দাগনভূঞার গনিপুর গ্রামের মো. এমাম হোসেন (১৮) এবং হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার নোয়াঐ গ্রামের সুমন মিয়া ওরফে হোসাইন (২২)।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, অপহরণকারীরা তাদের হাত-পা বেঁধে পাহাড়ের একটি আস্তানায় আটকে রাখে। পরে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করে জনপ্রতি পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণের টাকা দিতে বিলম্ব হওয়ায় তাদের ওপর অমানবিক শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।

উদ্ধার হওয়া চার তরুণকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।