ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল দাবি আদায় না হলে সারারাত ইসি অবরুদ্ধ রাখবে ছাত্রদল নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নতুন করে সুরক্ষিত হয়েছে চব্বিশে: তারেক রহমান গুলশানে একটি ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের

সৌদি প্রিন্স বেঁচে আছেন, দাবি সৌদি মিডিয়ার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মৃত্যুর গুঞ্জনের মধ্যেই তিনি বেঁচে আছেন বলে দাবি করেছে সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম ‘আর রিয়াদ’ তাদের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে যুবরাজের একটি ছবি প্রকাশ করেছে।

ছবির ক্যাপশনে তারা লিখেছে, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স এমবিএস বেঁচে আছেন এবং সুস্থ আছেন। ওই পোস্টে, গণমাধ্যমে সম্প্রতি তাকে ঘিরে অপপ্রচারেরও সমালোচনা করে কর্তৃপক্ষ। প্রকাশিত ছবিতে মিসরের প্রেসিডেন্ট ফাত্তাহ আল সিসি এবং আবুধাবি ও বাহরাইনের নেতাদের সঙ্গে যুবরাজকে দেখা যায়।

কিন্তু প্রকাশিত ওই ছবিটি কবে, কোথায় তোলা হয়েছে সে বিষয় কোনো তথ্য আর রিয়াদের খবরে উল্লেখ করা হয়নি। তবে গত মাসে সৌদি আরবের ওই ঘটনার পর থেকে এখনো পর্যন্ত আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি, বাদশাহ হামদ বিন ঈসা আল খলিফা, আমিরাত যুবরাজ ও সৌদি যুবরাজ কোথাও একত্র হয়েছেন এমন কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ফলে ছবিটি পুরনো বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইরানি মিডিয়া প্রেস টিভি ও ফার্সি মিডিয়া, ফার্স ও খিহানের উল্লেখ করে স্পুটনিক বলছে, অভ্যুত্থানের সময় সৌদি বাদশাহ সালমান একটি সামরিক বাঙ্কারে আশ্রয় নেন। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে অভ্যুত্থানকারীদের সংঘর্ষ শুরু হয়।

তবে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ তখন জানিয়েছিল, রাজপ্রাসাদের কাছে একটি ড্রোন উড়তে দেখে তা গুলি করে নামানো হয়। ওই সময় ক্রাউন প্রিন্সকে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানানো হয়।

স্পুটনিকের খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের গোয়েন্দা সংস্থার একটি সূত্র অন্য একটি দেশকে জানিয়েছেন যে, ওই রাতে গোলাগুলির সময় ক্রাউন প্রিন্সের গায়ে দুটি গুলি লাগে। কিন্তু তার পরে তার ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা ওই সূত্রটি জানাতে পারেনি।

তবে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স সাধারণত প্রায়ই গণমাধ্যমের সামনে উপস্থিত হয়ে থাকেন। কিন্তু দীর্ঘ ২৭ দিন তিনি গণমাধ্যমের সামনে আসছেন না। এ কারণে তার মৃত্যুর গুজব নানা ডালপালা মেলছে।

এছাড়া গত মাসের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সৌদি আরব সফরের সময়ও ক্রাউন প্রিন্সকে দেখা যায়নি। এসব ব্যাপারে সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো ধরনের মন্তব্য করেননি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

সৌদি প্রিন্স বেঁচে আছেন, দাবি সৌদি মিডিয়ার

আপডেট সময় ০৮:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মৃত্যুর গুঞ্জনের মধ্যেই তিনি বেঁচে আছেন বলে দাবি করেছে সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম ‘আর রিয়াদ’ তাদের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে যুবরাজের একটি ছবি প্রকাশ করেছে।

ছবির ক্যাপশনে তারা লিখেছে, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স এমবিএস বেঁচে আছেন এবং সুস্থ আছেন। ওই পোস্টে, গণমাধ্যমে সম্প্রতি তাকে ঘিরে অপপ্রচারেরও সমালোচনা করে কর্তৃপক্ষ। প্রকাশিত ছবিতে মিসরের প্রেসিডেন্ট ফাত্তাহ আল সিসি এবং আবুধাবি ও বাহরাইনের নেতাদের সঙ্গে যুবরাজকে দেখা যায়।

কিন্তু প্রকাশিত ওই ছবিটি কবে, কোথায় তোলা হয়েছে সে বিষয় কোনো তথ্য আর রিয়াদের খবরে উল্লেখ করা হয়নি। তবে গত মাসে সৌদি আরবের ওই ঘটনার পর থেকে এখনো পর্যন্ত আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি, বাদশাহ হামদ বিন ঈসা আল খলিফা, আমিরাত যুবরাজ ও সৌদি যুবরাজ কোথাও একত্র হয়েছেন এমন কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ফলে ছবিটি পুরনো বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইরানি মিডিয়া প্রেস টিভি ও ফার্সি মিডিয়া, ফার্স ও খিহানের উল্লেখ করে স্পুটনিক বলছে, অভ্যুত্থানের সময় সৌদি বাদশাহ সালমান একটি সামরিক বাঙ্কারে আশ্রয় নেন। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে অভ্যুত্থানকারীদের সংঘর্ষ শুরু হয়।

তবে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ তখন জানিয়েছিল, রাজপ্রাসাদের কাছে একটি ড্রোন উড়তে দেখে তা গুলি করে নামানো হয়। ওই সময় ক্রাউন প্রিন্সকে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানানো হয়।

স্পুটনিকের খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের গোয়েন্দা সংস্থার একটি সূত্র অন্য একটি দেশকে জানিয়েছেন যে, ওই রাতে গোলাগুলির সময় ক্রাউন প্রিন্সের গায়ে দুটি গুলি লাগে। কিন্তু তার পরে তার ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা ওই সূত্রটি জানাতে পারেনি।

তবে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স সাধারণত প্রায়ই গণমাধ্যমের সামনে উপস্থিত হয়ে থাকেন। কিন্তু দীর্ঘ ২৭ দিন তিনি গণমাধ্যমের সামনে আসছেন না। এ কারণে তার মৃত্যুর গুজব নানা ডালপালা মেলছে।

এছাড়া গত মাসের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সৌদি আরব সফরের সময়ও ক্রাউন প্রিন্সকে দেখা যায়নি। এসব ব্যাপারে সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো ধরনের মন্তব্য করেননি।