ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

গুম, অপহরণ, অবৈধভাবে আটক, বিচার বহির্ভূত হত্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি

অাকাশ নিউজ ডেস্কঃ

মৃত্যু, ‍গুম, অপহরণ, নিখোঁজের ও বিনা বিচারে আটক হওয়ার ভয়ে মানুষ জীবনযাপন করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী। প্রাবন্ধিক ও লেখক ফরহাদ মজহার ‘অপহরণ’ ইস্যু টেনে তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় গোটা জাতিই আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের মানুষকে বিষাক্ত কাঁটার খাঁচার মধ্যে বন্দী করে রেখেছে।’

রিজভী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে গুম, অপহরণ, অবৈধভাবে আটক, বিচার বহির্ভূত হত্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুঃশাসনের বিষাক্ত ছোবলে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা, লেখক, কবি, সাহিত্যিক, মানবাধিকার কর্মী, শ্রমিক নেতা, পেশাজীবিসহ সাধারণ মানুষ ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে। অদৃশ্য হয়ে গেছে অন্ধকারের অতলে অথবা গোপন স্থানে বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়েছে।

‘এর মধ্যে কিছুদিন পর কারো কারো লাশ মিলেছে খালে-বিলে-নালা-ডোবায় কিংবা রাস্তার ধারে। আর অন্যদের ভাগ্যে কী জুটেছে সেটি এখনও অজানা’-বলেন রিজভী।

ফরহাদ মজহার নিখোঁজ ও পরে উদ্ধারের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘এই ঘটনায় এখন গোটা জাতি মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত। এই ট্রমা শুধু ফরহাদ মজহারকেই আক্রান্ত করেনি, সারা দেশবাসীকেই করেছে।’

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দেশের শত শত মানুষকে অবৈধভাবে আটক করেছে এবং গোপন স্থানে আটকে রেখেছে। এদের বেশিরভাগই বিরোধী দলীয় নেতাকর্মী।

বন্যা দুর্গত সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাটে সরকার পর্যাপ্ত ত্রাণ দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যদিও গতকাল বলেছেন-বানভাসীদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ আছে। বাস্তবে বানভাসী মানুষ ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে। কোন কোন এলাকায় খাদ্য, পানি বা চাল না দিয়ে খাওয়ার অনুপযোগী সামান্য কিছু গম দিচ্ছে, যে গম প্রচণ্ড বৃষ্টিতে শুকোতে কিংবা গম ভেঙ্গে খেতেও পারছে না।’

‘এটি কি বানভাসী অসহায় মানুষদেরকে নিয়ে উপহাস করা হচ্ছে ? আসলে লুটপাটের কারণে রাষ্ট্রীয় খাদ্যভাণ্ডারগুলো এখন যে শূন্য সেটি প্রমাণিত হচ্ছে।’

বিএনপির নেতা-কর্মীদেরকে বন্যা উপদ্রুত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানান রিজভী। পাঁচ লাখ টন লবণ আমদানিতে সরকারের সিদ্ধান্তে দুর্ভিক্ষের পদধ্বণি দেখতে পাওয়ার কথাও জানান তিনি।

মৃত্যু, ‍গুম, অপহরণ, নিখোঁজের ও বিনা বিচারে আটক হওয়ার ভয়ে মানুষ জীবনযাপন করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী। প্রাবন্ধিক ও লেখক ফরহাদ মজহার ‘অপহরণ’ ইস্যু টেনে তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় গোটা জাতিই আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের মানুষকে বিষাক্ত কাঁটার খাঁচার মধ্যে বন্দী করে রেখেছে।’ রিজভী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে গুম, অপহরণ, অবৈধভাবে আটক, বিচার বহির্ভূত হত্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুঃশাসনের বিষাক্ত ছোবলে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা, লেখক, কবি, সাহিত্যিক, মানবাধিকার কর্মী, শ্রমিক নেতা, পেশাজীবিসহ সাধারণ মানুষ ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে। অদৃশ্য হয়ে গেছে অন্ধকারের অতলে অথবা গোপন স্থানে বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়েছে। ‘এর মধ্যে কিছুদিন পর কারো কারো লাশ মিলেছে খালে-বিলে-নালা-ডোবায় কিংবা রাস্তার ধারে। আর অন্যদের ভাগ্যে কী জুটেছে সেটি এখনও অজানা’-বলেন রিজভী। ফরহাদ মজহার নিখোঁজ ও পরে উদ্ধারের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘এই ঘটনায় এখন গোটা জাতি মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত। এই ট্রমা শুধু ফরহাদ মজহারকেই আক্রান্ত করেনি, সারা দেশবাসীকেই করেছে।’ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দেশের শত শত মানুষকে অবৈধভাবে আটক করেছে এবং গোপন স্থানে আটকে রেখেছে। এদের বেশিরভাগই বিরোধী দলীয় নেতাকর্মী। বন্যা দুর্গত সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাটে সরকার পর্যাপ্ত ত্রাণ দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যদিও গতকাল বলেছেন-বানভাসীদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ আছে। বাস্তবে বানভাসী মানুষ ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে। কোন কোন এলাকায় খাদ্য, পানি বা চাল না দিয়ে খাওয়ার অনুপযোগী সামান্য কিছু গম দিচ্ছে, যে গম প্রচণ্ড বৃষ্টিতে শুকোতে কিংবা গম ভেঙ্গে খেতেও পারছে না।’ ‘এটি কি বানভাসী অসহায় মানুষদেরকে নিয়ে উপহাস করা হচ্ছে ? আসলে লুটপাটের কারণে রাষ্ট্রীয় খাদ্যভাণ্ডারগুলো এখন যে শূন্য সেটি প্রমাণিত হচ্ছে।’ বিএনপির নেতা-কর্মীদেরকে বন্যা উপদ্রুত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানান রিজভী। পাঁচ লাখ টন লবণ আমদানিতে সরকারের সিদ্ধান্তে দুর্ভিক্ষের পদধ্বণি দেখতে পাওয়ার কথাও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুম, অপহরণ, অবৈধভাবে আটক, বিচার বহির্ভূত হত্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি

আপডেট সময় ০৬:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্কঃ

মৃত্যু, ‍গুম, অপহরণ, নিখোঁজের ও বিনা বিচারে আটক হওয়ার ভয়ে মানুষ জীবনযাপন করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী। প্রাবন্ধিক ও লেখক ফরহাদ মজহার ‘অপহরণ’ ইস্যু টেনে তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় গোটা জাতিই আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের মানুষকে বিষাক্ত কাঁটার খাঁচার মধ্যে বন্দী করে রেখেছে।’

রিজভী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে গুম, অপহরণ, অবৈধভাবে আটক, বিচার বহির্ভূত হত্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুঃশাসনের বিষাক্ত ছোবলে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা, লেখক, কবি, সাহিত্যিক, মানবাধিকার কর্মী, শ্রমিক নেতা, পেশাজীবিসহ সাধারণ মানুষ ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে। অদৃশ্য হয়ে গেছে অন্ধকারের অতলে অথবা গোপন স্থানে বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়েছে।

‘এর মধ্যে কিছুদিন পর কারো কারো লাশ মিলেছে খালে-বিলে-নালা-ডোবায় কিংবা রাস্তার ধারে। আর অন্যদের ভাগ্যে কী জুটেছে সেটি এখনও অজানা’-বলেন রিজভী।

ফরহাদ মজহার নিখোঁজ ও পরে উদ্ধারের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘এই ঘটনায় এখন গোটা জাতি মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত। এই ট্রমা শুধু ফরহাদ মজহারকেই আক্রান্ত করেনি, সারা দেশবাসীকেই করেছে।’

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দেশের শত শত মানুষকে অবৈধভাবে আটক করেছে এবং গোপন স্থানে আটকে রেখেছে। এদের বেশিরভাগই বিরোধী দলীয় নেতাকর্মী।

বন্যা দুর্গত সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাটে সরকার পর্যাপ্ত ত্রাণ দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যদিও গতকাল বলেছেন-বানভাসীদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ আছে। বাস্তবে বানভাসী মানুষ ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে। কোন কোন এলাকায় খাদ্য, পানি বা চাল না দিয়ে খাওয়ার অনুপযোগী সামান্য কিছু গম দিচ্ছে, যে গম প্রচণ্ড বৃষ্টিতে শুকোতে কিংবা গম ভেঙ্গে খেতেও পারছে না।’

‘এটি কি বানভাসী অসহায় মানুষদেরকে নিয়ে উপহাস করা হচ্ছে ? আসলে লুটপাটের কারণে রাষ্ট্রীয় খাদ্যভাণ্ডারগুলো এখন যে শূন্য সেটি প্রমাণিত হচ্ছে।’

বিএনপির নেতা-কর্মীদেরকে বন্যা উপদ্রুত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানান রিজভী। পাঁচ লাখ টন লবণ আমদানিতে সরকারের সিদ্ধান্তে দুর্ভিক্ষের পদধ্বণি দেখতে পাওয়ার কথাও জানান তিনি।

মৃত্যু, ‍গুম, অপহরণ, নিখোঁজের ও বিনা বিচারে আটক হওয়ার ভয়ে মানুষ জীবনযাপন করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী। প্রাবন্ধিক ও লেখক ফরহাদ মজহার ‘অপহরণ’ ইস্যু টেনে তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় গোটা জাতিই আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের মানুষকে বিষাক্ত কাঁটার খাঁচার মধ্যে বন্দী করে রেখেছে।’ রিজভী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে গুম, অপহরণ, অবৈধভাবে আটক, বিচার বহির্ভূত হত্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুঃশাসনের বিষাক্ত ছোবলে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা, লেখক, কবি, সাহিত্যিক, মানবাধিকার কর্মী, শ্রমিক নেতা, পেশাজীবিসহ সাধারণ মানুষ ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে। অদৃশ্য হয়ে গেছে অন্ধকারের অতলে অথবা গোপন স্থানে বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়েছে। ‘এর মধ্যে কিছুদিন পর কারো কারো লাশ মিলেছে খালে-বিলে-নালা-ডোবায় কিংবা রাস্তার ধারে। আর অন্যদের ভাগ্যে কী জুটেছে সেটি এখনও অজানা’-বলেন রিজভী। ফরহাদ মজহার নিখোঁজ ও পরে উদ্ধারের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘এই ঘটনায় এখন গোটা জাতি মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত। এই ট্রমা শুধু ফরহাদ মজহারকেই আক্রান্ত করেনি, সারা দেশবাসীকেই করেছে।’ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দেশের শত শত মানুষকে অবৈধভাবে আটক করেছে এবং গোপন স্থানে আটকে রেখেছে। এদের বেশিরভাগই বিরোধী দলীয় নেতাকর্মী। বন্যা দুর্গত সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাটে সরকার পর্যাপ্ত ত্রাণ দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যদিও গতকাল বলেছেন-বানভাসীদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ আছে। বাস্তবে বানভাসী মানুষ ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে। কোন কোন এলাকায় খাদ্য, পানি বা চাল না দিয়ে খাওয়ার অনুপযোগী সামান্য কিছু গম দিচ্ছে, যে গম প্রচণ্ড বৃষ্টিতে শুকোতে কিংবা গম ভেঙ্গে খেতেও পারছে না।’ ‘এটি কি বানভাসী অসহায় মানুষদেরকে নিয়ে উপহাস করা হচ্ছে ? আসলে লুটপাটের কারণে রাষ্ট্রীয় খাদ্যভাণ্ডারগুলো এখন যে শূন্য সেটি প্রমাণিত হচ্ছে।’ বিএনপির নেতা-কর্মীদেরকে বন্যা উপদ্রুত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানান রিজভী। পাঁচ লাখ টন লবণ আমদানিতে সরকারের সিদ্ধান্তে দুর্ভিক্ষের পদধ্বণি দেখতে পাওয়ার কথাও জানান তিনি।